ঢাকা ০৭:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ-রাষ্ট্র গড়তে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সকল অংশীজনকে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও একটি প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আজ ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা ও শুভ কামনা জানান। সংশ্লিষ্ট সব পরিচর্যাকারী, পেশাজীবী ও প্রতিষ্ঠানকেও তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অটিজম ও স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা আমাদের পরিবার ও সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি বৈষম্যমুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জনে সমাজের এই অনগ্রসর সমস্যাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুরা অনেকক্ষেত্রেই বিশেষ প্রতিভার অধিকারী ও অসাধারণ সম্ভাবনাময় হয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে অনেকেই চিত্রাঙ্কন, সংগীত, গণিত কিংবা তথ্যপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা প্রদর্শন করেন। যথাযথ পরিচর্যা, সহানুভূতিশীল আচরণ ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এই বিশেষ শিশুদের অন্যান্য শিশুদের ন্যায় গড়ে তোলার পাশাপাশি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের একটি সুস্থ, সুন্দর ও কর্মক্ষম জীবনে ফিরিয়ে এনে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অটিজম ও প্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গকে সমাজ ও উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যক। শৈশবকালেই অটিজম সঠিকভাবে শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও থেরাপির মাধ্যমে অটিস্টিক শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিবর্গের সঠিক পরিচর্যা, মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হোক, স্নেহ-ভালোবাসা ও মানবিক পরিবেশে তারা গড়ে উঠুক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অনন্য সম্পদ হয়ে। বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে তিনি এই কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি ‘১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ-রাষ্ট্র গড়তে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

আপডেট টাইম : ১২:১৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: সমাজের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং সকল অংশীজনকে অটিজম সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি ও একটি প্রতিবন্ধীবান্ধব সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

আজ ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস’ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের ন্যায় বাংলাদেশেও ‘বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ পালনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু, ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যদের প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা ও শুভ কামনা জানান। সংশ্লিষ্ট সব পরিচর্যাকারী, পেশাজীবী ও প্রতিষ্ঠানকেও তিনি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

অটিজম ও স্নায়ু বিকাশজনিত সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিরা আমাদের পরিবার ও সমাজের অবিচ্ছেদ্য অংশ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, একটি বৈষম্যমুক্ত কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য অর্জনে সমাজের এই অনগ্রসর সমস্যাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীকে রাষ্ট্রের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তি ও শিশুরা অনেকক্ষেত্রেই বিশেষ প্রতিভার অধিকারী ও অসাধারণ সম্ভাবনাময় হয়ে থাকেন। তাদের মধ্যে অনেকেই চিত্রাঙ্কন, সংগীত, গণিত কিংবা তথ্যপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রে বিশেষ দক্ষতা প্রদর্শন করেন। যথাযথ পরিচর্যা, সহানুভূতিশীল আচরণ ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে এই বিশেষ শিশুদের অন্যান্য শিশুদের ন্যায় গড়ে তোলার পাশাপাশি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের একটি সুস্থ, সুন্দর ও কর্মক্ষম জীবনে ফিরিয়ে এনে সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা সম্ভব।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, সমৃদ্ধ ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে অঙ্গীকারবদ্ধ। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে অটিজম ও প্রতিবন্ধিতায় আক্রান্ত ব্যক্তিবর্গকে সমাজ ও উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করা আবশ্যক। শৈশবকালেই অটিজম সঠিকভাবে শনাক্তকরণ এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও থেরাপির মাধ্যমে অটিস্টিক শিশুদের স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন শিশু ও ব্যক্তিবর্গের সঠিক পরিচর্যা, মানসম্মত শিক্ষা, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা হোক, স্নেহ-ভালোবাসা ও মানবিক পরিবেশে তারা গড়ে উঠুক পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক অনন্য সম্পদ হয়ে। বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসে তিনি এই কামনা করেন।

রাষ্ট্রপতি ‘১৯তম বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস-২০২৬’ উপলক্ষ্যে গৃহীত সকল কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।


প্রিন্ট