মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ মিয়া স্টাফ রিপোর্টার
কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলার স্থানীয় খাদ্যগুদামে চলতি মৌসুমের সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নির্ধারিত মান বজায় রেখে পরিচালিত হচ্ছে। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ, দ্রুত ও হয়রানিমুক্ত সেবা এবং ধানের গুণগত মান যাচাইয়ের কারণে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে।
স্থানীয় কৃষকদের ভাষ্য, খাদ্যগুদামে ধান জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত হয়েছে। নির্ধারিত মানের ধান গ্রহণ করা হচ্ছে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম বা অতিরিক্ত হয়রানির অভিযোগ নেই। ফলে প্রকৃত কৃষকরা সরকারি সুবিধা গ্রহণে উৎসাহিত হচ্ছেন।
ভুরুঙ্গামারী খাদ্যগুদামের ওসি এলএসডি মাজেদুল ইসলাম বলেন, “সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। কৃষকদের যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়, সে বিষয়ে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। বর্তমানে যে ধান সংগ্রহ করা হচ্ছে, তার মান অত্যন্ত ভালো। এই ধান থেকে উন্নতমানের চাল উৎপাদন সম্ভব হবে। ভবিষ্যতেও একইভাবে কৃষকদের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দায়িত্ব পালন করে যাব।”
তিনি আরও জানান, খাদ্যশস্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে নির্ধারিত আর্দ্রতা, পরিচ্ছন্নতা এবং সরকারি মানদণ্ড কঠোরভাবে অনুসরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি কৃষকের ধান যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর গ্রহণ করা হচ্ছে, যাতে সরকারি খাদ্য মজুদের মান অক্ষুণ্ন থাকে।
কৃষকদের মতে, ধান সংগ্রহে স্বচ্ছতা নিশ্চিত হওয়ায় তারা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন এবং সরকারি খাদ্য সংগ্রহ কর্মসূচির প্রতি তাদের আস্থা আরও বেড়েছে। সময়মতো ধান গ্রহণ এবং কর্মকর্তাদের আন্তরিক সহযোগিতার কারণে কৃষকদের ভোগান্তিও অনেকাংশে কমেছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, খাদ্য অধিদপ্তরের নীতিমালা অনুসরণ করে এ ধরনের স্বচ্ছ ও কৃষকবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে সরকারি খাদ্যশস্য সংগ্রহ আরও গতিশীল হবে এবং দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 
























