মোঃ আব্দুল আজিজ | স্টাফ রিপোর্টার
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ২ নম্বর হলোখানা ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) ও সমাজসেবক মোহাম্মদ ইউনুছ আলী দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ড, সততা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয়ভাবে পরিচিত একটি নাম। স্থানীয়দের দাবি, জনপ্রতিনিধি হিসেবে গত পাঁচ বছরে তিনি মানুষের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, জনপ্রতিনিধি হওয়ার আগেও ইউনুছ আলী বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতেন। অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, পারিবারিক ও সামাজিক বিরোধ মীমাংসায় সহযোগিতা করা, শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সহায়তা করা এবং বিভিন্ন দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থাকার কারণে তিনি স্থানীয়দের আস্থা অর্জন করেছেন বলে অনেকেই মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ঠিকাদারি পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকলেও তিনি নিয়মিত এলাকার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে অংশগ্রহণ করে আসছেন। রাস্তা, কালভার্ট, ড্রেনেজ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য জনকল্যাণমূলক অবকাঠামো উন্নয়নে তিনি সহযোগিতা করেছেন বলে স্থানীয়দের দাবি। এ ছাড়া ব্যক্তিগত উদ্যোগেও দরিদ্র ও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর নানা উদাহরণ রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান।
কাগজীপাড়া গ্রাম, সারডোব বাজার এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় এখন ইউনিয়নের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনা চলছে। স্থানীয়দের একাংশের মতে, আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোহাম্মদ ইউনুছ আলী চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হলে তিনি একজন গ্রহণযোগ্য ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ প্রার্থী হতে পারেন। তাঁদের ভাষ্য, মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক, সহজ-সরল আচরণ এবং দায়িত্বশীলতার কারণে তিনি সাধারণ ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছেন।
সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মোহাম্মদ ইউনুছ আলী বলেন, “আমি সবসময় বিশ্বাস করি, জনপ্রতিনিধিত্ব মানে মানুষের সেবা করা। দায়িত্বে থাকি বা না থাকি, মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখব। জনগণ যদি আমাকে আরও বড় দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেন, তাহলে ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সেবার মান উন্নয়নে আন্তরিকভাবে কাজ করব।”
স্থানীয় কয়েকজন প্রবীণ ও সচেতন নাগরিক বলেন, একজন জনপ্রতিনিধির সবচেয়ে বড় পরিচয় হলো মানুষের আস্থা অর্জন করা। তাঁদের মতে, ইউনুছ আলী গত পাঁচ বছরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছেন এবং বিভিন্ন প্রয়োজনে মানুষের পাশে থেকেছেন। এ কারণেই তাঁকে ভবিষ্যৎ চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চান এলাকার অনেক মানুষ।
তবে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। দলীয় সিদ্ধান্ত, নির্বাচন কমিশনের তফসিল এবং রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করেই ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। ফলে সম্ভাব্য প্রার্থিতা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা থাকলেও বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিক পর্যায়ে পৌঁছায়নি।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউনিয়নের উন্নয়ন, সুশাসন এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন, তাঁদের নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ স্বাভাবিক। শেষ পর্যন্ত জনগণের রায়ই নির্ধারণ করবে আগামী দিনে কে ইউনিয়নের নেতৃত্ব দেবেন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 



















