মীর ইমরান মাহমুদ, উপজেলা প্রতিনিধি :
সাতক্ষীরা জেলা তালায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ক্ষেপেছেন এস এম নজরুল ইসলাম। তার মতের ও পথের বাইরের লোকদের শারিরীক নির্যাতন শুরু করেছেন। সামান্য কথা কাটাকাটির সূত্র ধরে রফিকুল সরদার (৫৫)’র মুখের দাড়ি ধরে হেনস্তা করেছেন তিনি। সে শিবপুর গ্রামের মৃত্যু নাছিউদদীন সরদারের ছেলে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় উপজেলার শিবপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে।
সরেজমিন পরিদর্শনে জানা যায়, এস এম নজরুল ইসলাম আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন কে সামনে রেখে প্রতি সপ্তাহের শনিবার বিকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কর্মী সমাবেশের নামে বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে অর্থের বিনিময়ে লোক এনে খাওয়া দাওয়া করায় এবং নগদ টাকা দিয়ে বিদায় করেন।
এসময় অনেকেই বলেন,অনেক হাসপাতালের রুগীদের খাবারের টাকা চুরি করে বিভিন্ন দলের লোকদের খাওয়ায় আর কোটি কোটি টাকা খরচ করে ভোট করে। তার অত্যাচারে এলাকার মানুষ অতিষ্ঠ। সে চেয়ারম্যান থাকা কালীন সময়ে প্রায়ই মানুষ কে ধরে ধরে মারপিট করতো। নারীরাও তার হাত থেকে রেহায় পেতো না। এই ফ্যাসিস্টের দোশর শত শত লোকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে ভিটেমাটি ছাড়া করেছে। আজ সন্ধ্যায়ও অন্য শনিবারের মতো লোকজন খাওয়া দাওয়া করে শিবপুর বাজার দিয়ে লোকজন যাচ্ছিলো। এদের মধ্যে অধিকাংশ ছিলো কিশোর। এসময় রফিকুল সরদার এদের দেখে বলে, এদের তো এখনো ভোটার হওয়ার বয়স হয়নি। পাশ থেকে একথা এস এম নজরুল ইসলাম শুনতে পেয়ে তার উপর চড়াও হয় এবং দাড়ি ধরে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করেন।
রফিকুল সরদার বলেন, আমি সন্ধ্যায় শিবপুর বাজারে চায়ের দোকানে বসে ছিলাম। এসময় এস এম নজরুলের বাড়ি লোকজন খাওয়া দাওয়া করে বাজার দিয়ে যাচ্ছিলো। আমি শুধু বলেছি, যারা খেয়ে যাচ্ছে তার অধিকাংশ ভোটার না। পাশ থেকে নজরুল শুনতে পেয়ে আমার মুখের দাড়ি ধরে কিল-ঘুষি মারতে শুরু করে। আমি বারবার ভুল স্বীকার করলেও সে আমাকে ছাড়েনি। আমি এই অপরাধের সুষ্ঠু বিচার চাই।
ফোন রিসিভ না হওয়ায় অভিযুক্ত নজরুল ইসলামের বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 


















