নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, আগামী বছরের মধ্যে দেশের সব স্কুলে মিড ডে মিল পাবে শিক্ষার্থীরা। শুরুর দিকে মিড ডে মিলের পাইলটিং প্রজেক্টে যে ত্রুটি হয়েছে, সেগুলো অনেকটাই ঠিক হয়ে গেছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক বিদ্যালয়মুখী ৪ থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুদের স্কুলে শতভাগ উপস্থিতি নিশ্চিত করতে এবং তাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় ধরে রাখতে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহ অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশের ১৫১টি উপজেলায় স্কুল ফিডিং প্রোগ্রামের আওতায় শিক্ষার্থীরা পুষ্টিকর খাবার পাচ্ছে। সরকার আগামী বছরের মধ্যে এই কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারিত করে দেশের সকল উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি চালু করা হবে।
খাবারের মান ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, খাদ্যতালিকায় পুষ্টিমান বজায় রাখা এবং সরবরাহ ব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে নিয়মিত তদারকি জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে স্থানীয় মা-বোনদের সম্পৃক্ত করে ‘মাদারস কমিটি’ গঠনের মাধ্যমে খাবার বিতরণ ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
পাইলট প্রকল্পের ফিডব্যাক পর্যালোচনা করার কথা জানিয়ে ববি হাজ্জাজ আরও বলেন, প্রয়োজনীয় পুষ্টিমানের ওপর ভিত্তি করে প্রয়োজনে খাদ্যতালিকায় নতুন উপাদান যুক্ত করা হবে, যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী স্বাস্থ্যকর পরিবেশে শিক্ষা অর্জনের সুযোগ পায়।
চতুর্থ শ্রেণিতে চালু হতে যাওয়া নতুন বিষয়ে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, স্পোর্টস ও কালচারাল এডুকেশনের একটি প্রাথমিক পাঠ্যবই চতুর্থ শ্রেণিতে দেওয়া হচ্ছে। আগামী ২০২৮ সালে এই ব্যাচ পঞ্চম শ্রেণিতে উঠলে পূর্ণাঙ্গ কারিকুলাম কার্যকর হবে। আপাতত সহকারী শিক্ষকদের থিওরেটিক্যাল প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
প্রধান শিক্ষকদের রায় ও নিয়োগ বিষয়ে তিনি জানান, প্রায় ৩৫ হাজারের বেশি প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য বা আইনি প্রক্রিয়ায় ছিল। পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (পিএসসি) সাথে আলোচনা শুরু হয়েছে- যাতে দ্রুততম সময়ে এসব পদে শিক্ষক নিয়োগ-পদায়ন নিশ্চিত করা যায়।
সংবাদ সম্মেলনে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব জেসমিন নাহার, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর মহাপরিচালক মনোয়ারা ইশরাত (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 



















