ঢাকা ০৬:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে : রাশেদ খাঁন দেশবিরোধী চক্রান্তের কাছে জাতীয়তাবাদী শক্তি আত্মসমর্পণ করবে না : রুহুল কবির রিজভী জুলাই জাদুঘরের নথি চব্বিশের সংঘাতময় ঘটনাগুলোর সাক্ষ্য বহন করে : সুসান ভাইজ আশুগঞ্জ ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংশোধিত ট্যারিফ অনুমোদন আইনি বিপাকে হানি সিং তরুণরাই বাংলাদেশে ট্রিলিয়ন ডলার অর্থনীতি গড়ার মূল শক্তি : ববি হাজ্জাজ হানিফসহ ৪ আ.লীগ নেতার রায় যেকোনো দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ তহবিলের সীমা ও মেয়াদ বাড়ানোর দাবি ডিবিএর আসন্ন দূর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত দেশকে অস্থির করতে নানাভাবে কাজ করছে পতিত দোসররা : রিজভী

মাগুরায় দুই ভাই পিকুল-মাকুল সেরা করদাতা

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় এবার সেরা করদাতা হয়েছেন শাহিনুর রহমান পিকুল এবং মকবুল হাসান মাকুল নামে দুই ভাই। শহরের মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা পিকুলও মাকুল দু’জনেই ঠিকাদার। এ সম্মান প্রাপ্তিতে দুই ভাই দারুণ খুশি।

বড় ভাই পিকুল বলেন, শুধু এ বছর নয়, অনেক বছর যাবৎ তারা নিয়মিত আয়কর দিয়ে আসছেন। এ নিয়ে চারবার তিনি শ্রেষ্ঠ করদাতার স্বীকৃতি পেলেন। এবার তিনি ৫৪ লাখ ৪৮ হাজার ৯৪০ টাকার আয়কর পরিশোধ করেছেন।

পিকুল বলেন, এতগুলো টাকা সরকারকে দিয়ে দিতে অনেকেরই হয়তো বিভিন্ন ভাবনা আসে। তবে আমার তা কখনও মনে হয়নি। বরং মনের আনন্দে তা পরিশোধ করি। আমি মনে করি, সৃষ্টিকর্তা আমাকে যা দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন, আমি কেন তা দেবো না।

দুই ভাই শ্রেষ্ঠ করদাতা নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভালোই লাগছে। এটি আমাদের পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছে। তবে পুরস্কারের জন্য নয়, আমরা আমাদের কর্তব্য পালন করেছি। এটাই বড় পাওয়া। আর ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলে কার না ভালো লাগে। এছাড়া একসঙ্গে দুই ভাই শ্রেষ্ঠ করদাতা হয়েছি, এটি অবশ্যই আনন্দের।

মাকুল ঠিকাদারের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিও। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা পৌরসভার কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। মাগুরা পৌরসভার প্যানেল মেয়রের দায়িত্বে আছে মাকুল।

এবছর ৪৮ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৩ টাকা কর দিয়েছেন মাকুল। গত বছরও তিনি শ্রেষ্ঠ করদাতার স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন। বড় ভাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ করদাতার স্বীকৃতি লাভ করে মাকুলও ভীষণ খুশি।

তিনি বলেন, আসলে শ্রেষ্ঠ করদাতা হবো এরকম ইচ্ছায় আমি কর দেই না। এটি সরকারের প্রাপ্য তাই দেই। সবসময় আমি ভাবি কর না দিলে দেশ পিছিয়ে যাবে। আর দেশ পিছিয়ে গেলে আমার ব্যবসাও থাকবে না। শ্রেষ্ঠত্বের জন্য নয়, প্রত্যেক নাগরিকেরই এই বোধ আসা উচিত যেআমাদের দেওয়া করেই দেশ চলে।

ব্যবসার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকেই দেশ থেকে অনেক কিছূ পায়। তাই আমাদের শুধু কর পরিশোধ নয়, জনগণের সেবায় এগিয়ে আসা উচিত। আমি চেষ্টা করি জনগণের পাশে থাকার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শারদীয় দুর্গোৎসবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে আওয়ামী লীগ ষড়যন্ত্র করছে : রাশেদ খাঁন

মাগুরায় দুই ভাই পিকুল-মাকুল সেরা করদাতা

আপডেট টাইম : ১২:০১:০৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৪ নভেম্বর ২০১৯

মাগুরা প্রতিনিধি: মাগুরায় এবার সেরা করদাতা হয়েছেন শাহিনুর রহমান পিকুল এবং মকবুল হাসান মাকুল নামে দুই ভাই। শহরের মোল্লাপাড়ার বাসিন্দা পিকুলও মাকুল দু’জনেই ঠিকাদার। এ সম্মান প্রাপ্তিতে দুই ভাই দারুণ খুশি।

বড় ভাই পিকুল বলেন, শুধু এ বছর নয়, অনেক বছর যাবৎ তারা নিয়মিত আয়কর দিয়ে আসছেন। এ নিয়ে চারবার তিনি শ্রেষ্ঠ করদাতার স্বীকৃতি পেলেন। এবার তিনি ৫৪ লাখ ৪৮ হাজার ৯৪০ টাকার আয়কর পরিশোধ করেছেন।

পিকুল বলেন, এতগুলো টাকা সরকারকে দিয়ে দিতে অনেকেরই হয়তো বিভিন্ন ভাবনা আসে। তবে আমার তা কখনও মনে হয়নি। বরং মনের আনন্দে তা পরিশোধ করি। আমি মনে করি, সৃষ্টিকর্তা আমাকে যা দেওয়ার ক্ষমতা দিয়েছেন, আমি কেন তা দেবো না।

দুই ভাই শ্রেষ্ঠ করদাতা নির্বাচিত হওয়ার অনুভূতি সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ভালোই লাগছে। এটি আমাদের পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করেছে। তবে পুরস্কারের জন্য নয়, আমরা আমাদের কর্তব্য পালন করেছি। এটাই বড় পাওয়া। আর ভালো কাজের স্বীকৃতি পেলে কার না ভালো লাগে। এছাড়া একসঙ্গে দুই ভাই শ্রেষ্ঠ করদাতা হয়েছি, এটি অবশ্যই আনন্দের।

মাকুল ঠিকাদারের পাশাপাশি জনপ্রতিনিধিও। দীর্ঘদিন ধরে মাগুরা পৌরসভার কাউন্সিলরের দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। মাগুরা পৌরসভার প্যানেল মেয়রের দায়িত্বে আছে মাকুল।

এবছর ৪৮ লাখ ৫৯ হাজার ৭১৩ টাকা কর দিয়েছেন মাকুল। গত বছরও তিনি শ্রেষ্ঠ করদাতার স্বীকৃতি লাভ করেছিলেন। বড় ভাইয়ের সঙ্গে যৌথভাবে শ্রেষ্ঠ করদাতার স্বীকৃতি লাভ করে মাকুলও ভীষণ খুশি।

তিনি বলেন, আসলে শ্রেষ্ঠ করদাতা হবো এরকম ইচ্ছায় আমি কর দেই না। এটি সরকারের প্রাপ্য তাই দেই। সবসময় আমি ভাবি কর না দিলে দেশ পিছিয়ে যাবে। আর দেশ পিছিয়ে গেলে আমার ব্যবসাও থাকবে না। শ্রেষ্ঠত্বের জন্য নয়, প্রত্যেক নাগরিকেরই এই বোধ আসা উচিত যেআমাদের দেওয়া করেই দেশ চলে।

ব্যবসার পাশাপাশি জনপ্রতিনিধির দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রত্যেকেই দেশ থেকে অনেক কিছূ পায়। তাই আমাদের শুধু কর পরিশোধ নয়, জনগণের সেবায় এগিয়ে আসা উচিত। আমি চেষ্টা করি জনগণের পাশে থাকার।


প্রিন্ট