ঢাকা ০৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সকল শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্য সুপারিশ ‎কাউখালীতে প্রাথমিক শিক্ষক বদলিতে অনিয়মের অভিযোগ ধনবাড়ীতে সড়ক দুর্ঘটনায়, মহিলাটি বেঁচে আছে অনেকটাই সুস্থ আছে, তুরস্কের এনজিওগুলোর জন্য কপ৩১ হতে পারে মতপ্রকাশের বিরল সুযোগ প্রবীণদের প্রজ্ঞা ও অভিজ্ঞতা নবীনদের কাজে লাগাতে হবে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মতপার্থক্য, গঠনমূলক সমালোচনা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য : রাষ্ট্রপতি ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকের সভা চলছে ১৭ অক্টোবরের ছুটি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি শিশুদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে: ড. মঈন খান

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত

জেলায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ৬ থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় পুলিশ। এ নিয়ে ৫ দিনের অভিযানে ৮শ’ ৮৮ জনকে আটক করা হয়।

গত  ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অভিযান শুরু হয়। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিনের অভিযানে ৭শ’ ৮৮ জনকে আটক করে জেলা আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই উঠতি বয়সী কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচার। সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এরআগে আটক ৬৫৩ জনের মধ্যে ৪৪৭ জনকে যাছাই-বাছাই শেষে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়। জেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এদের সদস্য সংখ্যাও প্রায় ১ হাজারেরও বেশি। এখন পর্যন্ত মূল হোতাদের আটক করা যায়নি।

দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রত্যেকটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও কম নয়। প্রায়ই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে মারামারিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ বাসস’কে জানান. উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি আটক কিশোরদের তথ্য-যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ সুপার আবু তারেক বাসস’কে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। এটি এখনো চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়। কিশোর গ্যাংদের আশ্রয়দাতাদের খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের সকল শূন্য পদ দ্রুত পূরণের জন্য সুপারিশ

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত

আপডেট টাইম : ১১:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

জেলায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ৬ থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় পুলিশ। এ নিয়ে ৫ দিনের অভিযানে ৮শ’ ৮৮ জনকে আটক করা হয়।

গত  ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অভিযান শুরু হয়। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিনের অভিযানে ৭শ’ ৮৮ জনকে আটক করে জেলা আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই উঠতি বয়সী কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচার। সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এরআগে আটক ৬৫৩ জনের মধ্যে ৪৪৭ জনকে যাছাই-বাছাই শেষে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়। জেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এদের সদস্য সংখ্যাও প্রায় ১ হাজারেরও বেশি। এখন পর্যন্ত মূল হোতাদের আটক করা যায়নি।

দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রত্যেকটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও কম নয়। প্রায়ই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে মারামারিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ বাসস’কে জানান. উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি আটক কিশোরদের তথ্য-যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ সুপার আবু তারেক বাসস’কে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। এটি এখনো চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়। কিশোর গ্যাংদের আশ্রয়দাতাদের খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


প্রিন্ট