ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায় দিনাজপুরে আগাম জাতের আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে খুলনা আর্ট একাডেমির পক্ষ থেকে চিত্রশিল্পী তন্ময় রায়কে ফুলেল শুভেচ্ছা জবি ছাত্রী হলে কারাতে ও আত্মরক্ষামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন নরসিংদীর পুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত সারাদেশ ব্যাপী শিশু অধিকার দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করলেন সিরাজগঞ্জে প্রকৃতির স্নিগ্ন পরশে চায়নাবাঁধে ব্যতিক্রমের শিশু শিল্পীদের সাংস্কৃতিক আড্ডা দুই-তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হচ্ছে বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল ক্যারিয়ারের সবচেয়ে দুঃখের দিন আজ : মেসি

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত

জেলায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ৬ থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় পুলিশ। এ নিয়ে ৫ দিনের অভিযানে ৮শ’ ৮৮ জনকে আটক করা হয়।

গত  ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অভিযান শুরু হয়। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিনের অভিযানে ৭শ’ ৮৮ জনকে আটক করে জেলা আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই উঠতি বয়সী কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচার। সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এরআগে আটক ৬৫৩ জনের মধ্যে ৪৪৭ জনকে যাছাই-বাছাই শেষে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়। জেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এদের সদস্য সংখ্যাও প্রায় ১ হাজারেরও বেশি। এখন পর্যন্ত মূল হোতাদের আটক করা যায়নি।

দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রত্যেকটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও কম নয়। প্রায়ই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে মারামারিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ বাসস’কে জানান. উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি আটক কিশোরদের তথ্য-যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ সুপার আবু তারেক বাসস’কে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। এটি এখনো চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়। কিশোর গ্যাংদের আশ্রয়দাতাদের খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আবেগ, অশ্রুতে আর্জেন্টিনা জাতীয় দল থেকে মেসির বিদায়

লক্ষ্মীপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত

আপডেট টাইম : ১১:১৩:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

জেলায় কিশোর গ্যাং বিরোধী অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ৫ঘন্টা অভিযান চালিয়ে ৬ থানা এলাকা থেকে ১৩৫ জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে যাচাই-বাছাই শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানায় পুলিশ। এ নিয়ে ৫ দিনের অভিযানে ৮শ’ ৮৮ জনকে আটক করা হয়।

গত  ৩০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে অভিযান শুরু হয়। ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ৫ দিনের অভিযানে ৭শ’ ৮৮ জনকে আটক করে জেলা আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা। এরপরও নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না এই উঠতি বয়সী কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচার। সদর, চন্দ্রগঞ্জ, রায়পুর, রামগঞ্জ, রামগতি ও কমলনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। তবে এরআগে আটক ৬৫৩ জনের মধ্যে ৪৪৭ জনকে যাছাই-বাছাই শেষে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। আর ২০৬ জনকে বিভিন্ন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়। জেলায় প্রায় অর্ধশতাধিক কিশোর গ্যাং চক্র রয়েছে। এদের সদস্য সংখ্যাও প্রায় ১ হাজারেরও বেশি। এখন পর্যন্ত মূল হোতাদের আটক করা যায়নি।

দীর্ঘদিন ধরে জেলার প্রত্যেকটি থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে উঠেছে সাধারণ মানুষ। বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের সামনে শিক্ষার্থীদের নানাভাবে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগও কম নয়। প্রায়ই কিশোর গ্যাংয়ের মধ্যে মারামারিসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রয়েছে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদ পারভেজ বাসস’কে জানান. উঠতি বয়সী কিশোররা যাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে না পড়ে, সে লক্ষ্যে নিয়মিতভাবে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখা হবে। পাশাপাশি আটক কিশোরদের তথ্য-যাচাই-বাছাই করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

পুলিশ সুপার আবু তারেক বাসস’কে বলেন, ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে অভিযান শুরু হয়েছে। এটি এখনো চলমান রয়েছে। এখন পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ৭৮৮ জনকে আটক করা হয়। কিশোর গ্যাংদের আশ্রয়দাতাদের খোঁজা হচ্ছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


প্রিন্ট