ঢাকা ০৮:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আসন্ন ৮ নং আটাবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সকলের দোয়া সমর্থন প্রত্যাশী মোঃরিপন হোসেন স্বী স্ত্রীর রমীমা মা/দক ব্যবসা কালীগঞ্জে ১ কেজি গাঁ/জাসহ গ্রে/প্তার বাংলাদেশের সঙ্গে অংশীদারিত্ব চুক্তি করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক: অর্থমন্ত্রী তাহিরপুরের হাজারো শ্রমিকের মুখে হাসি ফোটার অপেক্ষা, শনিবার থেকে খুলছে জাদুকাটা নদী দুর্গাপূজায় দুই বাংলার আট সিনেমা অস্ট্রেলিয়ায় ডাক্তার দেখিয়ে সেখানেই পুনর্বাসন করবেন নাহিদ নেত্রকোনায় সাংবাদিক লুৎফুজ্জামান আলিফ ফকিরকে গু/লি করে হ/ত্যা ফ্যামিলি ও কৃষক কার্ডে কমবে মূল্যস্ফীতির চাপ ও দারিদ্র্য : বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন রাখা ও সংস্কারের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষার মান পরিমাপে ‘বছরভিত্তিক মূল্যায়ন’ পদ্ধতি চালুর সুপারিশ

কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরা এলাকার তুরাগ থানাধীন কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই সহকারী শিক্ষক হলেন- সিনিয়র শিক্ষক মোঃ জানে আলম (৬০) ও সহকারী গণিত শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন। দীর্ঘদিন যাবৎ এই দুই শিক্ষকের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সহ গভর্ণিং বডির কমিটিদের কাছে বিচার দিয়ে কোন ফলাফল না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১০/৩০ ধারায় আদালতে মামলা করেন।

মামলা নং- ১৭১/২০১৯। মামলায় বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনি ২০১৩ ইং সাল থেকে কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা সহকারী শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক খোরশিদ জাহান তাকে এমপিও করার নামে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন। দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের প্রতিহিংসার শিকার হোন ঐ শিক্ষিকা।

প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত ঐ দুই সহকারী শিক্ষককে ভুক্তভোগীর পিছনে লেলিয়ে দেন। এই সুযোগে জানে আলম ও সানোয়ার হোসেন যৌন হয়রানি শিকার শিক্ষিকার সাথে খারাপ আচরণ, রাস্তায় পথ আটকিয়ে গাঁয়ে স্পর্শ করা ও বিভিন্ন সময় কুরুচি পূর্ণ ভাষা ব্যবহার সহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের লালশার শিকার বানাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ প্রেরণ করা হয়। নোটিশে তাকে চরিত্রহীন বানানোর হীন চেষ্টা করা হয়, বলা হয় আপনি বিভিন্ন হোটেলে রাত কাটান এবং অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকেন। যাহা একজন নারীর চরিত্রে কলঙ্ক দেয়। একজন সচেতন লোক হিসেবে প্রধান শিক্ষক কখনও এরকম হীন কাজ করতে পারেন না।
অভিযোগে আরও জানা যায়, ঐ দুই শিক্ষক বর্তমানে বাদীকে নানা ধরনের হুমকি ও লোক-মারফত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। যেকোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন বলে জানান ভুক্তভোগী। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত সহকারী দুই শিক্ষকের মাধ্যমে দূর্নীতি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপরাধ অপকর্ম ও অনিয়ম করে আসছে। তাদের অপকর্মের বিষয়ে এলাকার অনেকেই জানেন। জনমনে প্রশ্ন এত অপকর্ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করার পরেও কোন গায়েবী শক্তির বলে তারা বহাল তবিয়তে আছেন? বিষয়টি নিয়ে জানে আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানান। গণিত শিক্ষক সানোয়ার হোসেনে সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আসন্ন ৮ নং আটাবহ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদে সকলের দোয়া সমর্থন প্রত্যাশী মোঃরিপন হোসেন

কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ দুই সহকারী শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৪:৫৩:১০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ অগাস্ট ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর উত্তরা এলাকার তুরাগ থানাধীন কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক সহ সহকারী দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষিকাকে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুই সহকারী শিক্ষক হলেন- সিনিয়র শিক্ষক মোঃ জানে আলম (৬০) ও সহকারী গণিত শিক্ষক মোঃ সানোয়ার হোসেন। দীর্ঘদিন যাবৎ এই দুই শিক্ষকের যৌন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক সহ গভর্ণিং বডির কমিটিদের কাছে বিচার দিয়ে কোন ফলাফল না পেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষিকা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ১০/৩০ ধারায় আদালতে মামলা করেন।

মামলা নং- ১৭১/২০১৯। মামলায় বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, তিনি ২০১৩ ইং সাল থেকে কামারপাড়া স্কুল এন্ড কলেজের বাংলা সহকারী শিক্ষক হিসেবে পাঠদান করে আসছেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক খোরশিদ জাহান তাকে এমপিও করার নামে ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন। দাবীকৃত টাকা না দেওয়ায় প্রধান শিক্ষকের প্রতিহিংসার শিকার হোন ঐ শিক্ষিকা।

প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত ঐ দুই সহকারী শিক্ষককে ভুক্তভোগীর পিছনে লেলিয়ে দেন। এই সুযোগে জানে আলম ও সানোয়ার হোসেন যৌন হয়রানি শিকার শিক্ষিকার সাথে খারাপ আচরণ, রাস্তায় পথ আটকিয়ে গাঁয়ে স্পর্শ করা ও বিভিন্ন সময় কুরুচি পূর্ণ ভাষা ব্যবহার সহ কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। তাদের লালশার শিকার বানাতে না পেরে প্রধান শিক্ষক কর্তৃক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একটি নোটিশ প্রেরণ করা হয়। নোটিশে তাকে চরিত্রহীন বানানোর হীন চেষ্টা করা হয়, বলা হয় আপনি বিভিন্ন হোটেলে রাত কাটান এবং অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকেন। যাহা একজন নারীর চরিত্রে কলঙ্ক দেয়। একজন সচেতন লোক হিসেবে প্রধান শিক্ষক কখনও এরকম হীন কাজ করতে পারেন না।
অভিযোগে আরও জানা যায়, ঐ দুই শিক্ষক বর্তমানে বাদীকে নানা ধরনের হুমকি ও লোক-মারফত ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছেন। যেকোন সময় বড় ধরনের ক্ষতি করতে পারেন বলে জানান ভুক্তভোগী। অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক তার বিশ্বস্ত সহকারী দুই শিক্ষকের মাধ্যমে দূর্নীতি, প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপরাধ অপকর্ম ও অনিয়ম করে আসছে। তাদের অপকর্মের বিষয়ে এলাকার অনেকেই জানেন। জনমনে প্রশ্ন এত অপকর্ম ও স্বেচ্ছাচারিতা করার পরেও কোন গায়েবী শক্তির বলে তারা বহাল তবিয়তে আছেন? বিষয়টি নিয়ে জানে আলমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি প্রধান শিক্ষকের অনুমতি ছাড়া কিছুই বলতে পারবেন না বলে জানান। গণিত শিক্ষক সানোয়ার হোসেনে সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি ব্যস্ত আছেন বলে জানান।


প্রিন্ট