ঢাকা ০৪:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কয়ড়া ইউনিয়নে আধা কিলোমিটার রাস্তা অস্থায়ীভাবে সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সন্তোষ সরকার চাপা কষ্টের গল্প ,একজন পুরুষের নীরব জীবন এই গল্প শাফায়াত ডিমলায় তিস্তার সেচ ক্যানেলে পানিতে ডুবে খালা-ভাগ্নির মৃত্যু সরকার দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা নিয়ে এগিয়ে চলেছে: মাহদী আমিন আবারও পর্দায় ফিরছেন কোয়েল-পরমব্রত জুটি প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে কানাডার হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ বাংলাদেশের কাছে হারের পর এবার বড় শাস্তির শঙ্কায় অস্ট্রেলিয়া! সরকারি দপ্তর-সংস্থায় পর্যায়ক্রমে সৌরবিদ্যুৎ চালু করা হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী খুবিতে ‘এমপাওয়ারিং ইয়ুথ’ শীর্ষক সেশন অনুষ্ঠিত গ্রিসের রাজধানীর কাছে দাবানল নিয়ন্ত্রণে,দাবানলে মৃত দম্পতি

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

আজ রোববার বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবার | ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 বাসস

  ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
রোববার পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

আজ রোববার বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছবি : পিএমও

ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে জেলার নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মধ্যে সন্মানি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া অস্বচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক অনুদানের চেকও দেন তিনি। একজন প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেন চাকুরির নিয়োগপত্র।

প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটকালে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘এরা অতীতে কী করেছে তা বিবেচনায় নিয়ে এদের চোখে চোখে রাখতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং বিগত ১৭ বছরের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরাই গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন।

সাম্প্রতিক ‘সংস্কার’ সংক্রান্ত আলোচনার প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে অনুপস্থিত থেকে যারা আজ সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়।’

জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সোমবার | ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 বাসস

  ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
রোববার পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

আজ রোববার বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছবি : পিএমও

ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে জেলার নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মধ্যে সন্মানি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া অস্বচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক অনুদানের চেকও দেন তিনি। একজন প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেন চাকুরির নিয়োগপত্র।

প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটকালে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘এরা অতীতে কী করেছে তা বিবেচনায় নিয়ে এদের চোখে চোখে রাখতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং বিগত ১৭ বছরের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরাই গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন।

সাম্প্রতিক ‘সংস্কার’ সংক্রান্ত আলোচনার প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে অনুপস্থিত থেকে যারা আজ সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়।’

জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

ছবি : পিএমও

ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে পেছনে রেখে বা তাদর সঠিকভাবে তৈরি করতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারা যাবে না। আমরা যত যতই বড় স্লোগান দেই না কেন, মানুষকে যদি আমরা আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি, দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে যদি আমরা অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে কখনোই আমরা দেশকে গড়ে তুলতে পারবো না।’

অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয়, বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এমন এক বাংলাদেশ তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি শ্রেণীর মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে তার প্রাপ্য মর্যাদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পেছনে ফেলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে। নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। সে লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ১৩ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। ‘

‘এছাড়া সেচ সুবিধা ও পানি সংকট দূরীকরণে আগামীতে দেশব্যাপী আড়াইশ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

শিক্ষাব্যবস্থা উন্নতকরনে ও তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকা- এবং ভাষার দক্ষতায় পারদর্শী করে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চালু করা ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় চালু করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ মেধা ও প্রতিভাকে সঠিকভাবে বিকাশ ঘটাতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।’

সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘সমাজের দিকনির্দেশক হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় বঞ্চনার শিকার ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষকের অবসর ভাতার জটিলতা নিরসন করে অর্থ প্রদান সম্পন্ন করেছে বর্তমান বিএনপি সরকার।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কয়ড়া ইউনিয়নে আধা কিলোমিটার রাস্তা অস্থায়ীভাবে সংস্কার করলেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সন্তোষ সরকার

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ১১:৫৬:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬

যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

আজ রোববার বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সোমবার | ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 বাসস

  ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
রোববার পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

আজ রোববার বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছবি : পিএমও

ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে জেলার নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মধ্যে সন্মানি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া অস্বচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক অনুদানের চেকও দেন তিনি। একজন প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেন চাকুরির নিয়োগপত্র।

প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটকালে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘এরা অতীতে কী করেছে তা বিবেচনায় নিয়ে এদের চোখে চোখে রাখতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং বিগত ১৭ বছরের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরাই গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন।

সাম্প্রতিক ‘সংস্কার’ সংক্রান্ত আলোচনার প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে অনুপস্থিত থেকে যারা আজ সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়।’

জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

সোমবার | ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

 বাসস

  ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:২১
আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৬, ২০:৫৬
facebook sharing button
messenger sharing button
twitter sharing button
whatsapp sharing button
রোববার পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ, ১৬ আগস্ট, ২০২৬ (বাসস) : যারা দেশে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদেরকে ‘চোখে চোখে’ নজরদারিতে রাখতে জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি বলেছেন, ‘দেশে অনেক বিভ্রান্তকারী আছে, অনেক রটনাকারী আছে। এদের ব্যাপারে আমাদেরকে সতর্ক থাকতে হবে। দেখতে হবে এরা অতীতে কী করেছে? সেই অতীত বিবেচনা করে আমাদের তাদেরকে চোখে চোখে রাখতে হবে, অতীত বিবেচনা করেই ভবিষ্যতে তারা কী করছে সেদিকে আমাদেরকে নজর রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশকে আমাদের স্থিতিশীল রাখতে হবে। কোন বিভ্রান্তকারীর কথায় বিভ্রান্ত হলে চলবে না। বিভ্রান্তকারীরা যদি বিভ্রান্ত করতে আসে অতীতের মত তাদেরকে সমুচিত জবাব দিতে হবে।’

আজ রোববার বিকেলে পুরাতন কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, ভিক্ষু ও পাদ্রীসহ বিভিন্ন ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সম্মানি প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ছবি : পিএমও

ছবি : পিএমও

কিশোরগঞ্জ স্টেডিয়ামে এই অনুষ্ঠান হয়। এতে জেলার নারীদের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনসহ বিভিন্ন ধর্মীয় গুরুদের মধ্যে সন্মানি প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়া অস্বচ্ছল ও প্রতিবন্ধীদের আর্থিক অনুদানের চেকও দেন তিনি। একজন প্রতিবন্ধীর হাতে তুলে দেন চাকুরির নিয়োগপত্র।

প্রধানমন্ত্রী অতীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংকটকালে কিছু গোষ্ঠীর ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, ‘এরা অতীতে কী করেছে তা বিবেচনায় নিয়ে এদের চোখে চোখে রাখতে হবে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে, ১৯৮৬ ও ১৯৯৬ সালের রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং বিগত ১৭ বছরের জনগণের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রাজপথে এদের কোনো ভূমিকা ছিল না।’

তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরের আন্দোলনে বিএনপি ও তার মিত্র দলগুলোর নেতাকর্মীরাই গুম, খুন, নির্যাতন ও অত্যাচারের শিকার হয়েছেন।

সাম্প্রতিক ‘সংস্কার’ সংক্রান্ত আলোচনার প্রতি ইঙ্গিত করে তারেক রহমান বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর ধরে রাজপথে অনুপস্থিত থেকে যারা আজ সংস্কারের নামে বড় বড় কথা বলছেন, তারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন। বিএনপিই ২০২২ সালে সর্বপ্রথম রাষ্ট্রীয় সংস্কারের রূপরেখা জনগণের সামনে উপস্থাপন করেছিল। এরও আগে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বেই দেশে সংস্কারের প্রথম প্রস্তাবনা তৈরি হয়।’

জনকল্যাণমূলক অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন,  সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ডের কার্যকর বাস্তবায়ন, ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ভাতা প্রদান এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি কৃষি খাতের আধুনিকায়ন এবং তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে নতুন মিল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

ছবি : পিএমও

ছবি : পিএমও

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মানুষকে পেছনে রেখে বা তাদর সঠিকভাবে তৈরি করতে না পারলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারা যাবে না। আমরা যত যতই বড় স্লোগান দেই না কেন, মানুষকে যদি আমরা আত্মনির্ভরশীল হিসেবে গড়ে তুলতে না পারি, দেশের প্রত্যেকটি নাগরিককে যদি আমরা অর্থনৈতিকভাবে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে না পারি তাহলে কখনোই আমরা দেশকে গড়ে তুলতে পারবো না।’

অন্য কোনো দেশের অনুকরণে নয়, বাংলাদেশকে একটি আত্মনির্ভরশীল ও কল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এমন এক বাংলাদেশ তৈরি করা হবে, যেখানে দেশের প্রতিটি শ্রেণীর মানুষ রাষ্ট্রের কাছ থেকে তার প্রাপ্য মর্যাদা ও সামর্থ্য অনুযায়ী সহায়তা পাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী। নারীদের পেছনে ফেলে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও ক্ষমতায়িত করতেই ফ্যামিলি কার্ডের মতো যুগান্তকারী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিটি পরিবারকে অর্থনৈতিকভাবে একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো সম্ভব হবে। নারীদের স্নাতক পর্যায় পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়াশোনার সুবিধা দেওয়ার পাশাপাশি ভালো ফলাফলের জন্য সরকারি সহায়তার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে।

কৃষি ও কৃষকের কল্যাণে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষক ভাইদের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার। সে লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড প্রবর্তন করা হয়েছে। ইতোমধ্যেই ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হয়েছে, যার মাধ্যমে দেশের ১৩ লাখ কৃষক সরাসরি উপকৃত হয়েছেন। ‘

‘এছাড়া সেচ সুবিধা ও পানি সংকট দূরীকরণে আগামীতে দেশব্যাপী আড়াইশ কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।’

শিক্ষাব্যবস্থা উন্নতকরনে ও তরুণ প্রজন্মের জন্য নতুন রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘শুধু প্রাতিষ্ঠানিক সনদ নয়, শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকা- এবং ভাষার দক্ষতায় পারদর্শী করে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।’

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের চালু করা ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা পুনরায় চালু করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ মেধা ও প্রতিভাকে সঠিকভাবে বিকাশ ঘটাতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সুযোগ তৈরি করা হচ্ছে।’

সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণে সরকারের প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, ‘সমাজের দিকনির্দেশক হিসেবে ইমাম, মুয়াজ্জিন, খতিব ও অন্যান্য ধর্মীয় গুরুদের আত্মনির্ভরশীল রাখতে বিশেষ সামাজিক ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। পাশাপাশি অসচ্ছল, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্রীয় সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘স্বৈরাচারের সময় বঞ্চনার শিকার ১ লাখ ২৩ হাজার শিক্ষকের অবসর ভাতার জটিলতা নিরসন করে অর্থ প্রদান সম্পন্ন করেছে বর্তমান বিএনপি সরকার।’


প্রিন্ট