ঢাকা ১১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিগগিরই আসছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় একাধিক নেতা অনলাইন সাংবাদিকতার অনেক ‘প্রথম’-এর পুরোধা তৌফিক ইমরোজ খালিদী তৃণমূল ছেড়ে রাজ্যসভায় বিজেপির প্রার্থী হলেন কোয়েল মল্লিক তিন মাসের মধ্যে আইপিও অনুমোদন দেওয়ার ঘোষণা বিএসইসি চেয়ারম্যানের জামায়াতের লং মার্চ বাস্তবায়ন কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত নিয়মিত চর্চার মাধ্যমেই গড়ে ওঠে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি: রাষ্ট্রপতি আইপিইউ সম্মেলনে যোগ দিতে তাঞ্জানিয়া গেলেন স্পিকার রিমান্ড শেষে কারাগারে আখতারুজ্জামান বাস্তব সমস্যা সমাধানে গবেষণায় জোর দেওয়ার আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের মনোহরদীতে ২ বছরের সাজাপ্রাপ্ত যৌতুক মা/মলার আ/সামি গ্রে/ফতার

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাসায়নিকের ৯টি কন্টেইনার ধ্বংসের জন্য যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জে

দুই দশকের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী বিপজ্জনক রাসায়নিকের নয়টি কন্টেইনার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রথম ধাপে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনীতে কনটেইনারগুলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পরিবেশসম্মত উপায়ে সেগুলোকে ধ্বংস করা হবে।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর ‘বি’ ইয়ার্ড থেকে রাসায়নিকবাহী বিশেষ কনভয়টি নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালসের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়।

কাস্টসমস হাউজ চট্টগ্রামের অ্যাসিটেন্ট কমিশনার মো. রাসেল আহমেদ জানান, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও কনটেইনার জট নিরসনে বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ৯টি কন্টেইনারের মোট ১৫০ দশমিক ৮৯ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক পরিবেশসম্মত উপায়ে ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

২০০৩ সাল থেকে বন্দরে থাকা এসব পণ্যের মধ্যে আছে ২৫ দশমিক ৫৫ টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ টন মিথানল ও ৩২ দশমিক ৩০ টন থিনার।

বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর সুপারিশক্রমে ও কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে এসব বিপজ্জনক রাসায়নিক সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা মো. রাসেল আহমেদ।

দুপুরে কাস্টমসের ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাসায়নিকবাহী যানবাহনগুলো পুলিশ প্রহরায় নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া এলাকায় ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড-এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও নিয়মানুগ পদ্ধতিতে ধ্বংস করা হবে বলে কাস্টমস কর্মকর্তা মো. রাসেল আহমেদ জানিয়েছেন।

এ কাজে বিএনএসিডব্লিউসি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিসিএসআইআর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার ব্যাটালিয়ন সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

শিগগিরই আসছে ঢাকা মহানগর উত্তর যুবদলের নতুন কমিটি, আলোচনায় একাধিক নেতা

চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাসায়নিকের ৯টি কন্টেইনার ধ্বংসের জন্য যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জে

আপডেট টাইম : ০৪:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

দুই দশকের অনিশ্চয়তার অবসান ঘটিয়ে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ব্যবহার অনুপযোগী বিপজ্জনক রাসায়নিকের নয়টি কন্টেইনার সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

প্রথম ধাপে ধ্বংস করার উদ্দেশ্যে বিশেষ নিরাপত্তাবেষ্টনীতে কনটেইনারগুলো নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে পাঠানো হয়েছে। সেখানে পরিবেশসম্মত উপায়ে সেগুলোকে ধ্বংস করা হবে।

শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম বন্দরের ৮ নম্বর ‘বি’ ইয়ার্ড থেকে রাসায়নিকবাহী বিশেষ কনভয়টি নারায়ণগঞ্জের ওয়াটা কেমিক্যালসের উদ্দেশে রওয়ানা দেয়।

কাস্টসমস হাউজ চট্টগ্রামের অ্যাসিটেন্ট কমিশনার মো. রাসেল আহমেদ জানান, ‘চট্টগ্রাম বন্দরের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও কনটেইনার জট নিরসনে বন্দরে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা ৯টি কন্টেইনারের মোট ১৫০ দশমিক ৮৯ টন বিপজ্জনক রাসায়নিক পরিবেশসম্মত উপায়ে ধ্বংসের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।’

২০০৩ সাল থেকে বন্দরে থাকা এসব পণ্যের মধ্যে আছে ২৫ দশমিক ৫৫ টন সালফিউরিক অ্যাসিড, ৫০০ কেজি নাইট্রিক অ্যাসিড, ৯২ দশমিক ৫৪ টন মিথানল ও ৩২ দশমিক ৩০ টন থিনার।

বাংলাদেশ জাতীয় কর্তৃপক্ষ, রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (বিএনএসিডব্লিউসি)-এর সুপারিশক্রমে ও কাস্টমস হাউস, চট্টগ্রামের ধ্বংস কমিটির উদ্যোগে এসব বিপজ্জনক রাসায়নিক সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কাস্টমস কর্মকর্তা মো. রাসেল আহমেদ।

দুপুরে কাস্টমসের ধ্বংস কমিটির সদস্যদের উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে রাসায়নিকবাহী যানবাহনগুলো পুলিশ প্রহরায় নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে।

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার মুড়াপাড়া এলাকায় ওয়াটা কেমিক্যালস লিমিটেড-এর মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব ও নিয়মানুগ পদ্ধতিতে ধ্বংস করা হবে বলে কাস্টমস কর্মকর্তা মো. রাসেল আহমেদ জানিয়েছেন।

এ কাজে বিএনএসিডব্লিউসি, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, জেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ, বিসিএসআইআর, বিস্ফোরক অধিদপ্তর, পরিবেশ অধিদপ্তর ও আনসার ব্যাটালিয়ন সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে।


প্রিন্ট