সীমান্ত,জবি প্রতিনিধি :
থানায় অভিযোগ, সাধারণ ডায়েরি— কোনো কিছুতেই থামছে না হুমকি-ধমকি আর হয়রানির। আইনি আশ্রয় নেওয়ার পরও রেহাই মেলেনি ঋষীধারা বিদ্যাপীঠের প্রতিষ্ঠাতা অংকন ব্যাণাজীর। স্বীকার হয়েছেন হামলার। অভিযোগ উঠে, কখনো ডিবি কর্মকর্তা পরিচয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন, কখনো রাতের বেলা ডেকে নেওয়ার চেষ্টা, আবার কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানহানিকর প্রচার ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে কিরন রবি দাশ নামের এক কিশোরগ্যাং নেতা বিরুদ্ধে ।
জিডি সূত্রে জানা যায়, অঙ্কন ব্যানার্জী একটি সামাজিক ও মানবিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দাবি, কিরন রবি দাশ গত ২ অক্টোবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে তাঁকে ঘিরে অশালীন মন্তব্য ও গালিগালাজ করা হয়। একই সঙ্গে সংগঠনের এক ছাত্রীকে নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগ তোলা হয়। এছাড়াও কথোপকথনের একপর্যায়ে তাঁকে উদ্দেশ করে হুমকিমূলক বক্তব্য দেওয়া হয়। পরে কিরন রবিদাশের বান্ধবী শাগুফা আহমেদ তয়োবা নামের এক তরণী নিজেকে ডিবি পুলিশের কর্মকর্তা, ডাক্তার ও বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তির সঙ্গে পরিচিত বলে দাবি করেন বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।
শুধু তাই নয় সে এই ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করে থানা ঋষিধারা বিদ্যাপীঠের পরিচালক নামে মিথ্যা ডিজি করে সে জায়গায় নিজেকে সালাউদ্দিন হাসপালের ডা: দাবি করিলেও সালাউদ্দিন হাসপালের কর্তৃপক্ষ এই নামে কোন ডক্টর নেই বলে দাবি করে।
এছাড়া সূত্র বলছে, পরবর্তী সময়ে গভীর রাতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং তাঁকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করা হয়। এমনকি মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকিও দেওয়া হয়েছে।
১০ অক্টোবর শনিবার ঢাকার ডিএমপির ওয়ারী থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি। জানা যায়, এক পর্যায়ে, থানায় অভিযোগ করার বিষয়ে কিরন রবি দাশ জানতে পেরে ওয়ারী রবিদাশ পাড়ার একটি এলাকায় তার লোকজন হামলা চেষ্টা করে অংকন ব্যানাজীকে। ঘটনার পরিস্থিতি বুঝতে পেরে পুলিশের সহযোগীতায় বেচে ফিরেন তিনি। পরবর্তীতে তাকে উদ্ধার করে থানায়ে নিয়ে গেলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন অংকন ব্যানার্জী । একপর্যায়ে তাকে সালাউদ্দিন হাসপালের গেলে ইসিজি রিপোর্ট নেগেটিভ আসায় পরবর্তীতে ন্যাশনাল হাসপাতালে রেফার করা হয় তাকে।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 




















