উত্তরা সংবাদদাতা :
বেতন বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান আন্দোলন ঘিরে রাজধানীর উত্তরায় সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। উত্তরখান-দক্ষিণখান আঞ্চলিক সড়ক হয়ে জসিমউদ্দীন এলাকায় পোশাকশ্রমিকদের অবস্থান নেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও, সকাল থেকে এখনো পর্যন্ত কাউকে সড়কে নামতে দেখা যায়নি।সরেজমিনে দেখা যায়, অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে উত্তরার আজমপুর রাজলক্ষী হয়ে বিমানবন্দর এলাকায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন পুলিশ সদস্যরা। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে জলকামান ও প্রিজনভ্যান। সকাল থেকে যানবাহনের সংখ্যা কিছুটা কম থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে। বুধবার সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় এলাকার মার্কেটগুলো বন্ধ রয়েছে ফলে সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও তুলনামূলক কম রয়েছে।
মাঠপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের প্রস্তুতি ও অবস্থান সম্পর্কে ঢাকা মেট্রোপলিটন উত্তরা বিভাগের এডিসি জিসান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের ব্রিফিংয়ে কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি জানান, পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করবে এবং বিনা কারণে লাঠিচার্জ বা শক্তি প্রয়োগ করবে না। আন্দোলনরত শ্রমিকদের নিজেদের ভাই হিসেবে উল্লেখ করে তিনি পুলিশ সদস্যদের নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তাদের জনভোগান্তি সৃষ্টি থেকে দূরে রাখার চেষ্টা করতে নির্দেশ দেন।
তবে কেউ যদি উত্তরখান-দক্ষিণখান থেকে এসে রাস্তা ব্লক করে মানুষের ভোগান্তি তৈরির চেষ্টা করে, সে ক্ষেত্রে পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক এক সেকেন্ডের জন্যও বন্ধ করার সুযোগ দেওয়া হবে না এবং কেউ এমন চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পুলিশ সদস্যদের হেলমেট ও ঢালসহ প্রস্তুত থাকার পাশাপাশি ঢাল পার্টি, সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ার গ্যাস এবং শটগান পার্টি হিসেবে দলবদ্ধভাবে একযোগে কাজ করার নির্দেশ দেন তিনি। জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার পর অতিরিক্ত কোনো বলপ্রয়োগ করা হবে না বলেও তিনি নিশ্চিত করেন।
প্রিন্ট
সিটিজেন নিউজ ডেস্ক 



















