ঢাকা ০৯:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার সার পাচার রোধে উদাসীনতার অভিযোগ: ২০ বছরের অধিক সময় একই রাজাপুর উপজেলা মহিলা দলের নতুন কমিটি গঠন, সভাপতি মাহমুদা সম্পাদক রিক্তা তাহিরপুরে মামলার বাদির লোকজন কর্তৃক আসামীদের বাড়িঘর  ভাঙচুর ও লুটপাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে মৌচাক এলাকায় মহাসড়কে দুর্ঘটনা এড়াতে ফুটওভার ব্রিজের নির্মাণের দাবিতে অবরোধ ও বিক্ষোভ স্থানীয় বাসিন্দারা রোকাইয়া আক্তার রিংকি হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবিতে মানববন্ধন কুড়িগ্রামে যৌথ অভিযানে ভারতীয় ১৩ লাখ টাকার মোবাইলসহ এনামুল আ/টক নীলফামারী চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের ২০২৬-২০২৮ সাধারণ গ্রুপের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত তাড়াশে তালম ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী মারা গেছেন। রাশিয়ান বুক অব রেকর্ডস অনুযায়ী তার বয়স ছিল ১২৩ বছর। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সের জীবিত নারী ছিলেন তিনি। কিন্তু শারীরিকভাবে তানজিলিয়া বিসেম্ববেয়াভা ছিলেন যথেষ্ট ফিট।

বুধবার দক্ষিণ রাশিয়ার আস্ত্রাখানে মারা গেছেন তিনি। ১৮৯৬ সালের ১৪ মার্চ জন্ম গ্রহণ করেন তানজিলিয়া। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও বয়সের ভারে নুইয়ে যাননি তানজিলিয়া। তার পরিবারের দাবি, ১০০ বছর বয়স হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনদিনই সেভাবে মেডিকেল চেকআপ বা ওষুধপত্রের ধার ধারেননি তিনি।

১২৩ বছর বয়সেও প্রতিদিন নিজের কাজ নিজেই করতেন তানজিলিয়া। তার এই স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর রহস্য কী? এক মুহূর্তও স্থিরভাবে না বসে থাকা। এমনটাই জবাব দিয়েছেন তানজিলিয়ার পরিবারের সদস্যরা। তানজিলিয়ার এক নাতি জানান, তার দাদী সবসময় কোনও না কোনও কাজে ব্যস্ত থাকতেন। কেউ তাকে একটানা শুয়ে-বসে থাকতে দেখেনি কখনও। তবে, দীর্ঘায়ু হওয়ার পেছনে জিনগত প্রভাবও কাজ করে বলে মনে করেন তিনি।

শুধু তাই নয়, দৈনন্দিন জীবনে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতেন তানজিলিয়া। তার মধ্যে প্রথমটি হল সব রকম নেশার দ্রব্য থেকে দূরে থাকা। খাবারের দিক থেকেও কিছুটা খুঁতখুঁতে ছিলেন তিনি। প্যাকেটের প্রক্রিয়াজাত খাবার নয়, কেবলমাত্র টাটকা, বাড়িতে বানানো খাবারই খেতেন তিনি।

এছাড়া দক্ষিণ রাশিয়ার জনপ্রিয় পানীয় ফার্মেন্টেড দুধও পছন্দ করতেন তানজিলিয়া। তার কর্মজীবনও ছিল বেশ দীর্ঘ। অবসরের বয়স পার হওয়ার পরও বেশ কিছু বছর কাজ করেছেন তিনি। এজন্য বিশেষ স্বীকৃতিও পেয়েছিলেন তিনি।

২০১৬ সালে ১২০ বছর বয়সে রাশিয়ান বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠে তানজিলিয়ার। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সের জীবিত ব্যক্তির স্বীকৃতি পান তিনি। তবে, সেসব নিয়ে তেমন কোনো উচ্ছ্বাস ছিল না তার। চার সন্তান, দশ নাতি-নাতনি এবং তাদের ঘরে আরও ১৩ জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটিয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক এই নারী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে তীব্র গ্যাস সংকটে পোশাক শিল্প কারখানা উৎপাদনে অচল হাজারো শ্রমিক বেকার

বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারীর মৃত্যু

আপডেট টাইম : ১২:২৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ নভেম্বর ২০১৯

অনলাইন ডেস্ক: বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক নারী মারা গেছেন। রাশিয়ান বুক অব রেকর্ডস অনুযায়ী তার বয়স ছিল ১২৩ বছর। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সের জীবিত নারী ছিলেন তিনি। কিন্তু শারীরিকভাবে তানজিলিয়া বিসেম্ববেয়াভা ছিলেন যথেষ্ট ফিট।

বুধবার দক্ষিণ রাশিয়ার আস্ত্রাখানে মারা গেছেন তিনি। ১৮৯৬ সালের ১৪ মার্চ জন্ম গ্রহণ করেন তানজিলিয়া। জীবনের শেষ পর্যায়ে এসেও বয়সের ভারে নুইয়ে যাননি তানজিলিয়া। তার পরিবারের দাবি, ১০০ বছর বয়স হওয়ার আগ পর্যন্ত কোনদিনই সেভাবে মেডিকেল চেকআপ বা ওষুধপত্রের ধার ধারেননি তিনি।

১২৩ বছর বয়সেও প্রতিদিন নিজের কাজ নিজেই করতেন তানজিলিয়া। তার এই স্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ুর রহস্য কী? এক মুহূর্তও স্থিরভাবে না বসে থাকা। এমনটাই জবাব দিয়েছেন তানজিলিয়ার পরিবারের সদস্যরা। তানজিলিয়ার এক নাতি জানান, তার দাদী সবসময় কোনও না কোনও কাজে ব্যস্ত থাকতেন। কেউ তাকে একটানা শুয়ে-বসে থাকতে দেখেনি কখনও। তবে, দীর্ঘায়ু হওয়ার পেছনে জিনগত প্রভাবও কাজ করে বলে মনে করেন তিনি।

শুধু তাই নয়, দৈনন্দিন জীবনে বেশ কিছু নিয়ম মেনে চলতেন তানজিলিয়া। তার মধ্যে প্রথমটি হল সব রকম নেশার দ্রব্য থেকে দূরে থাকা। খাবারের দিক থেকেও কিছুটা খুঁতখুঁতে ছিলেন তিনি। প্যাকেটের প্রক্রিয়াজাত খাবার নয়, কেবলমাত্র টাটকা, বাড়িতে বানানো খাবারই খেতেন তিনি।

এছাড়া দক্ষিণ রাশিয়ার জনপ্রিয় পানীয় ফার্মেন্টেড দুধও পছন্দ করতেন তানজিলিয়া। তার কর্মজীবনও ছিল বেশ দীর্ঘ। অবসরের বয়স পার হওয়ার পরও বেশ কিছু বছর কাজ করেছেন তিনি। এজন্য বিশেষ স্বীকৃতিও পেয়েছিলেন তিনি।

২০১৬ সালে ১২০ বছর বয়সে রাশিয়ান বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম ওঠে তানজিলিয়ার। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সের জীবিত ব্যক্তির স্বীকৃতি পান তিনি। তবে, সেসব নিয়ে তেমন কোনো উচ্ছ্বাস ছিল না তার। চার সন্তান, দশ নাতি-নাতনি এবং তাদের ঘরে আরও ১৩ জন ছেলে-মেয়ে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটিয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে বয়স্ক এই নারী।


প্রিন্ট