ঢাকা ১২:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

নার্সিং পেশার মর্যাদা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ও নার্সিং পেশার মর্যাদা বাড়াতে সরকার কাজ করছে । তিনি বলেছেন, সেবা দেওয়ার কারণেই নার্সিং আজ সম্মানজনক পেশা। নার্সিংয়ে পেশাগত মর্যাদা বাড়ানোর পাশাপাশি বেতনবাতাও বাড়ানো হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুরের তেঁতুলবাড়িয়ায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে প্রথম স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যখন প্রথম সরকার গঠন করি তখন থেকেই দেশের স্বাস্থ্য সেবার প্রতি সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছি। এজন্য ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা কমিউনিটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করি। সাতটি নার্সিং ইন্সটিটিউটকে কলেজে উন্নীত করে সেখানে বিএসসি কোর্স চালু করি। আরও ১৫টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এরসঙ্গে সাতটি বিভাগীয় শহরে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নার্সিং হলো সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা। একজন মানুষকে সেবা করার মাধ্যমে সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনার মতো আনন্দ আর কি হতে পারে? এই মহৎ পেশায় যুক্ত হতে মানুষ যেন আগ্রহবোধ করে এজন্য আমাদের সরকার নার্সদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।’

সেবার মানসিকতা না থাকায় বিএনপি জামায়াত কমিউনিটি হাসপাতালগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করার পর ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এই সেবা বন্ধ করে দেয়। এর যুক্তি হিসেবে তারা বলে, কমিউনিটি ক্লিনিকে মানুষ সেবা নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দিবে। অথচ প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য চালু করা এই স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমটি খুব দরকারি। এখানে দরিত্র মানুষেরা সহজেই সেবা পেয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয় প্রসূতী নারী ও শিশুরা। এরা পায়ে হেটে এসে ডাক্তার দেখাতে পারেন।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

নার্সিং পেশার মর্যাদা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০২:১৬:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক,সিটিজেন নিউজ: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন,মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে ও নার্সিং পেশার মর্যাদা বাড়াতে সরকার কাজ করছে । তিনি বলেছেন, সেবা দেওয়ার কারণেই নার্সিং আজ সম্মানজনক পেশা। নার্সিংয়ে পেশাগত মর্যাদা বাড়ানোর পাশাপাশি বেতনবাতাও বাড়ানো হয়েছে।

আজ বুধবার সকালে গাজীপুরের কাশিমপুরের তেঁতুলবাড়িয়ায় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেমোরিয়াল কেপিজে হাসপাতাল ও নার্সিং কলেজে প্রথম স্নাতক সমাপনী অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যখন প্রথম সরকার গঠন করি তখন থেকেই দেশের স্বাস্থ্য সেবার প্রতি সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছি। এজন্য ১৯৯৬ সালে ক্ষমতায় এসেই প্রান্তিক জনগোষ্ঠির মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার জন্য আমরা কমিউনিটি হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করি। সাতটি নার্সিং ইন্সটিটিউটকে কলেজে উন্নীত করে সেখানে বিএসসি কোর্স চালু করি। আরও ১৫টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করার পরিকল্পনা আমাদের রয়েছে। এরসঙ্গে সাতটি বিভাগীয় শহরে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নার্সিং হলো সবচেয়ে সম্মানজনক পেশা। একজন মানুষকে সেবা করার মাধ্যমে সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনার মতো আনন্দ আর কি হতে পারে? এই মহৎ পেশায় যুক্ত হতে মানুষ যেন আগ্রহবোধ করে এজন্য আমাদের সরকার নার্সদের মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।’

সেবার মানসিকতা না থাকায় বিএনপি জামায়াত কমিউনিটি হাসপাতালগুলো বন্ধ করে দিয়েছিল মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘১৯৯৬ সালে কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করার পর ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে এই সেবা বন্ধ করে দেয়। এর যুক্তি হিসেবে তারা বলে, কমিউনিটি ক্লিনিকে মানুষ সেবা নিয়ে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে দিবে। অথচ প্রতি ছয় হাজার মানুষের জন্য চালু করা এই স্বাস্থ্য সেবা কার্যক্রমটি খুব দরকারি। এখানে দরিত্র মানুষেরা সহজেই সেবা পেয়ে থাকে। সবচেয়ে বেশি উপকৃত হয় প্রসূতী নারী ও শিশুরা। এরা পায়ে হেটে এসে ডাক্তার দেখাতে পারেন।’


প্রিন্ট