ঢাকা ০৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

ইসলামী আন্দোলন ধর্ম অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন চায়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধর্ম অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

তিনি বলেছেন, বারবার রাজপথে আমরা আন্দোলন চাই না। যারা ধর্ম অবমাননা করবে, রাসুলকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করবে, তাদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে ভোলার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও রাসূলকে (সা.) কটূক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখা ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। বিক্ষোভপূর্বক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর দক্ষিণ সভাপতি মানসুর আহমদ সাকী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘ভোলায় তৌহিদী জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে বিচারহীন হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে। তাই দ্রুত হত্যাকারী প্রশাসনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান বলেন, ‘হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, গুলিবিদ্ধদের সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তা না হলে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বে যুব সমাজ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।’

ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর সরকার প্রধান যে বক্তব্য দিয়েছে তাতে তৌহিদী জনতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে তিনি হত্যাকারী ও নবীর দুশমনদের পক্ষালম্বন করেছেন।’

আরও বক্তব্য দেন- ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছারউদ্দীন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা শেখ মো. নুর-উন-নবী, হোসাইন মো. কাওছার বাঙালি, মাহবুব আলম, মোহাম্মাদ ইলিয়াস হাসান, মল্লিক ইশতিয়াক মো. আল-আমিন, মুফতি শরীফুল ইসলাম, নগর উত্তর সভাপতি মুফতি আবু তালহা প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম মসজিদে থেকে বেরিয়ে আশপাশ এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

ভোলার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও রাসূল সা.-কে কটূক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে একইভাবে বাদ জুমা বিক্ষোভ মিছিল বের করে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

ইসলামী আন্দোলন ধর্ম অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন চায়

আপডেট টাইম : ১০:৫৭:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক: ধর্ম অবমাননাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করার দাবি জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ।

তিনি বলেছেন, বারবার রাজপথে আমরা আন্দোলন চাই না। যারা ধর্ম অবমাননা করবে, রাসুলকে (সা.) নিয়ে কটূক্তি করবে, তাদের জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের আইন পাস করতে হবে।

শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর গেটে ভোলার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও রাসূলকে (সা.) কটূক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব বলেন।

ইসলামী যুব আন্দোলন ঢাকা মহানগর শাখা ওই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে। বিক্ষোভপূর্বক সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন নগর দক্ষিণ সভাপতি মানসুর আহমদ সাকী।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুছ আহমাদ বলেন, ‘ভোলায় তৌহিদী জনতার ওপর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের বিচার না হলে বিচারহীন হত্যাকাণ্ড চলতেই থাকবে। তাই দ্রুত হত্যাকারী প্রশাসনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে এবং তৌহিদী জনতার বিরুদ্ধে অজ্ঞাতনামা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সভাপতি কে এম আতিকুর রহমান বলেন, ‘হত্যাকারীদের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা, গুলিবিদ্ধদের সুচিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। তা না হলে পীর সাহেব চরমোনাইয়ের নেতৃত্বে যুব সমাজ কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে।’

ইসলামী আন্দোলন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মাওলানা ইমতিয়াজ আলম বলেন, ‘হত্যাকাণ্ডের পর সরকার প্রধান যে বক্তব্য দিয়েছে তাতে তৌহিদী জনতার বিপরীতে দাঁড়িয়ে তিনি হত্যাকারী ও নবীর দুশমনদের পক্ষালম্বন করেছেন।’

আরও বক্তব্য দেন- ইসলামী যুব আন্দোলনের সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা নেছারউদ্দীন, ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় দফতর সম্পাদক মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নেতা শেখ মো. নুর-উন-নবী, হোসাইন মো. কাওছার বাঙালি, মাহবুব আলম, মোহাম্মাদ ইলিয়াস হাসান, মল্লিক ইশতিয়াক মো. আল-আমিন, মুফতি শরীফুল ইসলাম, নগর উত্তর সভাপতি মুফতি আবু তালহা প্রমুখ।

সমাবেশ শেষে বিক্ষোভ মিছিল বায়তুল মোকাররম মসজিদে থেকে বেরিয়ে আশপাশ এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

ভোলার হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ ও রাসূল সা.-কে কটূক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে একইভাবে বাদ জুমা বিক্ষোভ মিছিল বের করে খেলাফত মজলিস ঢাকা মহানগরী শাখা।


প্রিন্ট