ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

৮০০ বছরের পুরোনো ‘সোনার সুড়ঙ্গ’ পেলেন বিজ্ঞানীরা

সিটিজেন ডেস্ক:মাটির নিচে ৮০০ বছরের পুরোনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। খোঁজ মিলল যোদ্ধাদের গোপন সদর দফতরেরও। এখন শুধু খোঁড়াখুঁড়ি করে সেই সম্পত্তি তুলে আনার অপেক্ষা। উন্নত প্রযুক্তির লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সুড়ঙ্গের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফিক চ্যানেলের বিজ্ঞানী লিন এবং তার দল সম্প্রতি ইসরায়েলে এই সোনার সুরঙ্গের খোঁজ পেয়েছেন। চ্যানেলটিতে তা সম্প্রচার করাও হয়েছে। লিন জানিয়েছেন, একাদশ শতকে ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরায়েলের শহর একরির নিচে খ্রিষ্টান যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন।

ধর্মযুদ্ধ ছিল ইসরায়েলকে মুসলিম আধিপত্য থেকে মুক্ত করার, সেখানে খ্রিস্টধর্মের সূচনা করার। ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরায়েলের ওই শহরই ছিল যোদ্ধাদের সদর দফতর।

সদর দফতর যাতে সহজে খুঁজে না পাওয়া যায়, তার জন্য একরি শহরের মাটির অনেকটা নিচে ওই সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল। গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে সদর দফতরে পৌঁছাতেন যোদ্ধারা।

এই সুড়ঙ্গ দিয়ে যুদ্ধের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং সঙ্গে প্রচুর সোনা নিয়ে যেতেন যোদ্ধারা। তবে অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এই গোপন সুড়ঙ্গ সোনার মতো মূল্যবান সম্পদ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেনাদের লুকিয়ে থাকা এবং বিপদে পড়লে অন্যত্র পালানোর রাস্তা হিসেবেও ব্যবহার করা হতো।

এতদিন সেই সুড়ঙ্গ এবং সদর দফতরের কথা জানা থাকলেও, তার প্রকৃত অবস্থান জানা ছিল না। এই প্রথম ৮০০ বছরের পুরোনো সেই সুড়ঙ্গের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানী লিন। তবে এই সুড়ঙ্গ মাটির ঠিক কতটা নিচে রয়েছে এবং তার বিস্তৃতি কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে তা জানার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

ইসরায়েলের একরি শহরে মাটির ওপরে থাকা খ্রিষ্টান ধর্মযোদ্ধাদের সদর দফতরের ধ্বংসস্তূপ এখনও রয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, আরও ভালো করে খোঁড়াখুঁড়ি করলে ধর্মযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখা অনেক সোনা উদ্ধার করা যাবে মাটির নিচের ওই সদর দফতর এবং সুড়ঙ্গ থেকে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

৮০০ বছরের পুরোনো ‘সোনার সুড়ঙ্গ’ পেলেন বিজ্ঞানীরা

আপডেট টাইম : ১২:২২:২১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ নভেম্বর ২০১৯

সিটিজেন ডেস্ক:মাটির নিচে ৮০০ বছরের পুরোনো সোনার সুড়ঙ্গের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানীরা। খোঁজ মিলল যোদ্ধাদের গোপন সদর দফতরেরও। এখন শুধু খোঁড়াখুঁড়ি করে সেই সম্পত্তি তুলে আনার অপেক্ষা। উন্নত প্রযুক্তির লেজার প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই সুড়ঙ্গের খোঁজ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

ন্যাশনাল জিয়োগ্রাফিক চ্যানেলের বিজ্ঞানী লিন এবং তার দল সম্প্রতি ইসরায়েলে এই সোনার সুরঙ্গের খোঁজ পেয়েছেন। চ্যানেলটিতে তা সম্প্রচার করাও হয়েছে। লিন জানিয়েছেন, একাদশ শতকে ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরায়েলের শহর একরির নিচে খ্রিষ্টান যোদ্ধারা সুড়ঙ্গ তৈরি করেছিলেন।

ধর্মযুদ্ধ ছিল ইসরায়েলকে মুসলিম আধিপত্য থেকে মুক্ত করার, সেখানে খ্রিস্টধর্মের সূচনা করার। ধর্মযুদ্ধের সময় ইসরায়েলের ওই শহরই ছিল যোদ্ধাদের সদর দফতর।

সদর দফতর যাতে সহজে খুঁজে না পাওয়া যায়, তার জন্য একরি শহরের মাটির অনেকটা নিচে ওই সুড়ঙ্গ তৈরি করা হয়েছিল। গোপন সুড়ঙ্গ দিয়ে সদর দফতরে পৌঁছাতেন যোদ্ধারা।

এই সুড়ঙ্গ দিয়ে যুদ্ধের প্রয়োজনীয় সামগ্রী এবং সঙ্গে প্রচুর সোনা নিয়ে যেতেন যোদ্ধারা। তবে অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন, এই গোপন সুড়ঙ্গ সোনার মতো মূল্যবান সম্পদ নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সেনাদের লুকিয়ে থাকা এবং বিপদে পড়লে অন্যত্র পালানোর রাস্তা হিসেবেও ব্যবহার করা হতো।

এতদিন সেই সুড়ঙ্গ এবং সদর দফতরের কথা জানা থাকলেও, তার প্রকৃত অবস্থান জানা ছিল না। এই প্রথম ৮০০ বছরের পুরোনো সেই সুড়ঙ্গের খোঁজ পেলেন বিজ্ঞানী লিন। তবে এই সুড়ঙ্গ মাটির ঠিক কতটা নিচে রয়েছে এবং তার বিস্তৃতি কতটা জায়গা জুড়ে রয়েছে তা জানার চেষ্টা এখনও চালিয়ে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা।

ইসরায়েলের একরি শহরে মাটির ওপরে থাকা খ্রিষ্টান ধর্মযোদ্ধাদের সদর দফতরের ধ্বংসস্তূপ এখনও রয়েছে। বিজ্ঞানীদের অনুমান, আরও ভালো করে খোঁড়াখুঁড়ি করলে ধর্মযোদ্ধাদের লুকিয়ে রাখা অনেক সোনা উদ্ধার করা যাবে মাটির নিচের ওই সদর দফতর এবং সুড়ঙ্গ থেকে।


প্রিন্ট