ঢাকা ০৫:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চৌমুহনীর মার্কেটে আগুনে পুড়ল অর্ধশত দোকান, আহত ১২

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চৌমুহনীর রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটে রোববার রাতে আগুনের ঘটনায় অর্ধশত দোকান পুড়ে গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটের নূর ক্রোকারিজের পেছনে থেকে হঠাৎ আগুন দেখা যায়। মুহূর্তেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চৌমুহনী ও মাইজদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এরইমধ্যে মোবাইলের দোকান, ক্রোকারিজের দোকান, হোটেলসহ ছোট-বড় অর্ধশত দোকান পুড়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, আগুনের সূত্রপাত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ণয় করা যায়নি। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন। ঘটনার ডিসি তন্ময় দাস ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সান্তনা দেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা বলেন, পাঁচ মাসে একই জায়গায় তিনবার আগুন লেগেছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা খতিয়ে দেখতে বেগমগঞ্জের ইউএনও মাহবুব আলমকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ ও চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির কার্যকরি সভাপতি মোরশেদুল আমিন ফয়সাল বলেন, ৭ জুন ও ২৯ জুলাই চৌমুহনীর রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটে ভয়াবহ আগুন লাগে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চৌমুহনীর মার্কেটে আগুনে পুড়ল অর্ধশত দোকান, আহত ১২

আপডেট টাইম : ০২:০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালীর চৌমুহনীর রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটে রোববার রাতে আগুনের ঘটনায় অর্ধশত দোকান পুড়ে গেছে। তবে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় ফায়ার সার্ভিসের দুই কর্মীসহ ১২ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে পাঁচজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম বলেন, রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটের নূর ক্রোকারিজের পেছনে থেকে হঠাৎ আগুন দেখা যায়। মুহূর্তেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে চৌমুহনী ও মাইজদী থেকে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট দুই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এরইমধ্যে মোবাইলের দোকান, ক্রোকারিজের দোকান, হোটেলসহ ছোট-বড় অর্ধশত দোকান পুড়ে যায়।

তিনি আরো বলেন, আগুনের সূত্রপাত বা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনো নির্ণয় করা যায়নি। তবে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা কোটি টাকার বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন। ঘটনার ডিসি তন্ময় দাস ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। এ সময় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সান্তনা দেন তিনি।

ফায়ার সার্ভিসের এ কর্মকর্তা বলেন, পাঁচ মাসে একই জায়গায় তিনবার আগুন লেগেছে। এটি দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা খতিয়ে দেখতে বেগমগঞ্জের ইউএনও মাহবুব আলমকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি হারুনুর রশিদ ও চৌমুহনী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জহিরুল ইসলাম। কমিটিকে সাত কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির কার্যকরি সভাপতি মোরশেদুল আমিন ফয়সাল বলেন, ৭ জুন ও ২৯ জুলাই চৌমুহনীর রেলওয়ে স্টেশন মার্কেটে ভয়াবহ আগুন লাগে।


প্রিন্ট