ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

২৯ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের বিক্ষোভ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৮ সালে ‘ভোট ডাকাতি’র প্রতিবাদে আগামী ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের কার্যালয়ে সংগঠনের জরুরি বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ২৯ তারিখ যে কর্মসূচি পালন করব সেটা হলো আমাদের সংগ্রাম, এ সংগ্রাম চলবেই। আগামী ২৮ তারিখ মহানগর নাট্যমঞ্চে জেএসডির কাউন্সিল আছে। স্যার (ড. কামাল হোসেন) সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন। ওখান থেকেই শুরু হবে আন্দোলন। ২০১৮ সালে যে ভোট ডাকাতি হয়েছে, তার প্রতিবাদে ২৯ তারিখ আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করব।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ২৮ তারিখ রোববার যে সম্মেলন হবে, সেখান থেকেই ঘোষণা দেয়া হবে। সেখানে ড. কামাল হোসেন থাকবেন, আমরা থাকব, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ থাকবেন। একজন সংবিধান রচনা করেছেন, আরেকজন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছেন। ওই দিন স্বাধীনতার ঝাণ্ডা ওড়ানো হবে।

তিনি বলেন, আমরা রব ভাইয়ের ২৮ তারিখের প্রোগ্রামে আমাদের বক্তৃতায় আন্দোলনের কথা বলব। আমরা সেখানে বলব, আমাদের কর্মসূচিতে যেন কোনো বাধা না দেয়া হয়। পুলিশ বাধা দিলে আমরা কোনো বাধা মানব না। আমরা আমাদের দাবির কথা বলব। এজন্য বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন হলে আমরা তা-ই করব।

২৮ তারিখ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে কর্মসূচি পালন করতে চাচ্ছেন, সেজন‌্য পুলিশের অনুমতি চাওয়া হবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রেসক্লাবের সামনে কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

ভোট হয়েছে ৩০ তারিখ, তাহলে ২৯ তারিখে কর্মসূচি কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, কোনো ভোট হয়নি। ২৯ তারিখ রাতে ভোট ডাকাতি হয়েছে। এজন্য আমরা ২৯-৩০ দুই দিনই কর্মসূচি রাখব।

এ সময় আ স ম আবদুর রব বলেন, ২৯ তারিখের প্রোগ্রামে বাধা দিলে ৩০ তারিখে প্রোগ্রাম হবে, ১ তারিখে হবে। ২০২০ সালে সারা বছর আন্দোলন চলবে।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক‌্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, অ‌্যাডভোকেট মহসিন রশীদ, শহিদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুল ইসলাম, শাহ আহমেদ বাদল ও জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

২৯ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট টাইম : ১১:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৮ সালে ‘ভোট ডাকাতি’র প্রতিবাদে আগামী ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের কার্যালয়ে সংগঠনের জরুরি বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ২৯ তারিখ যে কর্মসূচি পালন করব সেটা হলো আমাদের সংগ্রাম, এ সংগ্রাম চলবেই। আগামী ২৮ তারিখ মহানগর নাট্যমঞ্চে জেএসডির কাউন্সিল আছে। স্যার (ড. কামাল হোসেন) সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন। ওখান থেকেই শুরু হবে আন্দোলন। ২০১৮ সালে যে ভোট ডাকাতি হয়েছে, তার প্রতিবাদে ২৯ তারিখ আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করব।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ২৮ তারিখ রোববার যে সম্মেলন হবে, সেখান থেকেই ঘোষণা দেয়া হবে। সেখানে ড. কামাল হোসেন থাকবেন, আমরা থাকব, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ থাকবেন। একজন সংবিধান রচনা করেছেন, আরেকজন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছেন। ওই দিন স্বাধীনতার ঝাণ্ডা ওড়ানো হবে।

তিনি বলেন, আমরা রব ভাইয়ের ২৮ তারিখের প্রোগ্রামে আমাদের বক্তৃতায় আন্দোলনের কথা বলব। আমরা সেখানে বলব, আমাদের কর্মসূচিতে যেন কোনো বাধা না দেয়া হয়। পুলিশ বাধা দিলে আমরা কোনো বাধা মানব না। আমরা আমাদের দাবির কথা বলব। এজন্য বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন হলে আমরা তা-ই করব।

২৮ তারিখ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে কর্মসূচি পালন করতে চাচ্ছেন, সেজন‌্য পুলিশের অনুমতি চাওয়া হবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রেসক্লাবের সামনে কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

ভোট হয়েছে ৩০ তারিখ, তাহলে ২৯ তারিখে কর্মসূচি কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, কোনো ভোট হয়নি। ২৯ তারিখ রাতে ভোট ডাকাতি হয়েছে। এজন্য আমরা ২৯-৩০ দুই দিনই কর্মসূচি রাখব।

এ সময় আ স ম আবদুর রব বলেন, ২৯ তারিখের প্রোগ্রামে বাধা দিলে ৩০ তারিখে প্রোগ্রাম হবে, ১ তারিখে হবে। ২০২০ সালে সারা বছর আন্দোলন চলবে।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক‌্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, অ‌্যাডভোকেট মহসিন রশীদ, শহিদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুল ইসলাম, শাহ আহমেদ বাদল ও জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।


প্রিন্ট