ঢাকা ০৬:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নতুন পুরস্কার ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রাষ্ট্রের কল্যাণে দলনিরপেক্ষভাবেই কাজ করব: রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারদলীয় এমপিদের বৈঠক অবকাঠামো-নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে চীনের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই: এলজিআরডি মন্ত্রী অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তির উৎস নজরুল: রিজভী প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি

২৯ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের বিক্ষোভ সমাবেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৮ সালে ‘ভোট ডাকাতি’র প্রতিবাদে আগামী ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের কার্যালয়ে সংগঠনের জরুরি বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ২৯ তারিখ যে কর্মসূচি পালন করব সেটা হলো আমাদের সংগ্রাম, এ সংগ্রাম চলবেই। আগামী ২৮ তারিখ মহানগর নাট্যমঞ্চে জেএসডির কাউন্সিল আছে। স্যার (ড. কামাল হোসেন) সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন। ওখান থেকেই শুরু হবে আন্দোলন। ২০১৮ সালে যে ভোট ডাকাতি হয়েছে, তার প্রতিবাদে ২৯ তারিখ আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করব।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ২৮ তারিখ রোববার যে সম্মেলন হবে, সেখান থেকেই ঘোষণা দেয়া হবে। সেখানে ড. কামাল হোসেন থাকবেন, আমরা থাকব, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ থাকবেন। একজন সংবিধান রচনা করেছেন, আরেকজন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছেন। ওই দিন স্বাধীনতার ঝাণ্ডা ওড়ানো হবে।

তিনি বলেন, আমরা রব ভাইয়ের ২৮ তারিখের প্রোগ্রামে আমাদের বক্তৃতায় আন্দোলনের কথা বলব। আমরা সেখানে বলব, আমাদের কর্মসূচিতে যেন কোনো বাধা না দেয়া হয়। পুলিশ বাধা দিলে আমরা কোনো বাধা মানব না। আমরা আমাদের দাবির কথা বলব। এজন্য বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন হলে আমরা তা-ই করব।

২৮ তারিখ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে কর্মসূচি পালন করতে চাচ্ছেন, সেজন‌্য পুলিশের অনুমতি চাওয়া হবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রেসক্লাবের সামনে কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

ভোট হয়েছে ৩০ তারিখ, তাহলে ২৯ তারিখে কর্মসূচি কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, কোনো ভোট হয়নি। ২৯ তারিখ রাতে ভোট ডাকাতি হয়েছে। এজন্য আমরা ২৯-৩০ দুই দিনই কর্মসূচি রাখব।

এ সময় আ স ম আবদুর রব বলেন, ২৯ তারিখের প্রোগ্রামে বাধা দিলে ৩০ তারিখে প্রোগ্রাম হবে, ১ তারিখে হবে। ২০২০ সালে সারা বছর আন্দোলন চলবে।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক‌্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, অ‌্যাডভোকেট মহসিন রশীদ, শহিদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুল ইসলাম, শাহ আহমেদ বাদল ও জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক আন্দোলনে শহীদ ও ভুক্তভোগীদের আকাঙ্ক্ষা পূরণে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

২৯ ডিসেম্বর ঐক্যফ্রন্টের বিক্ষোভ সমাবেশ

আপডেট টাইম : ১১:০৫:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : ২০১৮ সালে ‘ভোট ডাকাতি’র প্রতিবাদে আগামী ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ করবে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের কার্যালয়ে সংগঠনের জরুরি বৈঠক শেষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ও জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ২৯ তারিখ যে কর্মসূচি পালন করব সেটা হলো আমাদের সংগ্রাম, এ সংগ্রাম চলবেই। আগামী ২৮ তারিখ মহানগর নাট্যমঞ্চে জেএসডির কাউন্সিল আছে। স্যার (ড. কামাল হোসেন) সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন। ওখান থেকেই শুরু হবে আন্দোলন। ২০১৮ সালে যে ভোট ডাকাতি হয়েছে, তার প্রতিবাদে ২৯ তারিখ আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট জাতীয় প্রেসক্লাবে বিক্ষোভ সমাবেশ করব।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ২৮ তারিখ রোববার যে সম্মেলন হবে, সেখান থেকেই ঘোষণা দেয়া হবে। সেখানে ড. কামাল হোসেন থাকবেন, আমরা থাকব, বিএনপিসহ জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সকল নেতৃবৃন্দ থাকবেন। একজন সংবিধান রচনা করেছেন, আরেকজন স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন করেছেন। ওই দিন স্বাধীনতার ঝাণ্ডা ওড়ানো হবে।

তিনি বলেন, আমরা রব ভাইয়ের ২৮ তারিখের প্রোগ্রামে আমাদের বক্তৃতায় আন্দোলনের কথা বলব। আমরা সেখানে বলব, আমাদের কর্মসূচিতে যেন কোনো বাধা না দেয়া হয়। পুলিশ বাধা দিলে আমরা কোনো বাধা মানব না। আমরা আমাদের দাবির কথা বলব। এজন্য বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন হলে আমরা তা-ই করব।

২৮ তারিখ জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট যে কর্মসূচি পালন করতে চাচ্ছেন, সেজন‌্য পুলিশের অনুমতি চাওয়া হবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, প্রেসক্লাবের সামনে কোনো অনুমতির প্রয়োজন হয় না।

ভোট হয়েছে ৩০ তারিখ, তাহলে ২৯ তারিখে কর্মসূচি কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, কোনো ভোট হয়নি। ২৯ তারিখ রাতে ভোট ডাকাতি হয়েছে। এজন্য আমরা ২৯-৩০ দুই দিনই কর্মসূচি রাখব।

এ সময় আ স ম আবদুর রব বলেন, ২৯ তারিখের প্রোগ্রামে বাধা দিলে ৩০ তারিখে প্রোগ্রাম হবে, ১ তারিখে হবে। ২০২০ সালে সারা বছর আন্দোলন চলবে।

ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে জরুরি বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- জেএসডির সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, নাগরিক ঐক‌্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারী, অ‌্যাডভোকেট মহসিন রশীদ, শহিদুল্লাহ কায়সার, সিরাজুল ইসলাম, শাহ আহমেদ বাদল ও জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।


প্রিন্ট