ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেসটিনির অর্থ পাচারের মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও চারজন

আদালত প্রতিবেদক: মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চার হাজার কোটি টাকার বেশি পাচারের অভিযোগে করা এক মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও চারজন।

তারা হলেন- জনতা ব্যাংক লোকাল অফিস ঢাকার উপ-মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, একই ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ এরিয়া অফিসের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মশিয়ার রহমান, উপ-মহাপরিচালক আশিষ কুমার সরকার ও উপ-মহাপরিচালক (অব.) উম্মে সালমা বেগম।

আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে এই মামলায় ১০১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ গ্রহণ শেষ হয়েছে।

মামলাটিতে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। আসামিদের মধ্যে ৮ জন জামিনে আছেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ ও মিসেস জেসমিন আক্তার।

কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন- ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রফিকুল আমীন, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম ও মো. জিয়াউল হক মোল্লা ও সাঈদুল ইসলাম খান (রুবেল)।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানিলন্ডারিং আইনে এ মামলা করা হয়। ২০১৪ সালের ৪ মে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে ডেসটিনির ৫১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডেসটিনির অর্থ পাচারের মামলায় সাক্ষ্য দিলেন আরও চারজন

আপডেট টাইম : ০৯:৩৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২০

আদালত প্রতিবেদক: মাল্টি লেভেল মার্কেটিং (এমএলএম) কোম্পানি ডেসটিনি ২০০০ লিমিটেডের চার হাজার কোটি টাকার বেশি পাচারের অভিযোগে করা এক মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন আরও চারজন।

তারা হলেন- জনতা ব্যাংক লোকাল অফিস ঢাকার উপ-মহাব্যবস্থাপক আজমুল হক, একই ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ এরিয়া অফিসের সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার মশিয়ার রহমান, উপ-মহাপরিচালক আশিষ কুমার সরকার ও উপ-মহাপরিচালক (অব.) উম্মে সালমা বেগম।

আজ বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলমের আদালতে তারা সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য শেষে তাদের জেরা করেন আসামি পক্ষের আইনজীবীরা। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৬ জানুয়ারি দিন ধার্য করেন। এ নিয়ে এই মামলায় ১০১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ গ্রহণ শেষ হয়েছে।

মামলাটিতে ডেসটিনির এমডি রফিকুল আমীনসহ আসামি ৪৬ জন। আসামিদের মধ্যে ৮ জন জামিনে আছেন। অপর আসামিরা পলাতক রয়েছেন। জামিনে রয়েছেন লে. জেনারেল (অব.) হারুন-অর-রশিদ ও মিসেস জেসমিন আক্তার।

কারাগারে থাকা আসামিরা হলেন- ডেসটিনির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. রফিকুল আমীন, চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হোসেন, লে. কর্নেল (অব.) মো. দিদারুল আলম ও মো. জিয়াউল হক মোল্লা ও সাঈদুল ইসলাম খান (রুবেল)।

২০১২ সালের ৩১ জুলাই রাজধানীর কলাবাগান থানায় মানিলন্ডারিং আইনে এ মামলা করা হয়। ২০১৪ সালের ৪ মে দুদকের উপ-পরিচালক মো. মোজাহার আলী সরদার গ্রাহকদের চার হাজার ১১৯ কোটি ২৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে পাচারের অভিযোগে ডেসটিনির ৫১ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করেন। ২০১৬ সালের ২৪ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।


প্রিন্ট