ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

মিলাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

আদালত প্রতিবেদক: সাবেক স্বামীর কাছে বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী তাশবিহা বিনতে শহীদ ওরফে মিলা ও তার বাবা শহীদুল ইসলামকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম এ সমন জারি করেন। সেখানে আগামী ১১ মার্চ তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে মিলাকে বিয়ে করেন এস এম পারভেজ সানজারি। বিয়ের পর বুঝতে পারেন, মিলা বদমেজাজি, অহংকারী, নেশাগ্রস্ত ও অনৈতিক চরিত্রের অধিকারী। এ কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। সেই সুযোগে মিলা ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর যৌতুক আইনে এস এম পারভেজ সানজারি বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর সানজারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তিনি জামিন পেয়ে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি মিলাকে তালাক দেন। তালাক হওয়ার পর মিলা তার স্বামীর বাসা থেকে একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল নিয়ে যান। এছাড়া তার মোটরবাইকে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপন করে তাকে উত্যক্ত ও অপমান করতে থাকেন। পরে তাকে হত্যার জন্য ২০১৯ সালের ২ জুন এসিড নিক্ষেপ করেন। ওই ঘটনায় তার সানজারি একটি মামলা করেছেন।

এরপর সানজারি জানতে পারেন, তার সাবেক স্ত্রী মিলা ২০০২ সালের ৩১ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম নুরুল হুদার ছেলে আবির আহম্মেদকে বিয়ে করেন। মিলা ও তার বাবা শহীদুল ইসলাম ওই বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণা করেন। এছাড়া প্রথম বিয়েতে জন্মতারিখ ১৯৮৪ সালের ২৬ মার্চ উল্লেখ করলেও সানজারির সঙ্গে বিয়ের সময় ১৯৮৫ সালের ২৬ মার্চ উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিমের আদালতে মিলার সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি পল্লবী থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম কণ্ঠশিল্পী মিলা ও তার বাবার বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

মিলাকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

আপডেট টাইম : ০৯:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২০

আদালত প্রতিবেদক: সাবেক স্বামীর কাছে বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণার অভিযোগে করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী তাশবিহা বিনতে শহীদ ওরফে মিলা ও তার বাবা শহীদুল ইসলামকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম এ সমন জারি করেন। সেখানে আগামী ১১ মার্চ তাদের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৭ সালের ১২ মে মিলাকে বিয়ে করেন এস এম পারভেজ সানজারি। বিয়ের পর বুঝতে পারেন, মিলা বদমেজাজি, অহংকারী, নেশাগ্রস্ত ও অনৈতিক চরিত্রের অধিকারী। এ কারণে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ শুরু হয়। সেই সুযোগে মিলা ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর যৌতুক আইনে এস এম পারভেজ সানজারি বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর সানজারীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তিনি জামিন পেয়ে ২০১৮ সালের ৩১ জানুয়ারি মিলাকে তালাক দেন। তালাক হওয়ার পর মিলা তার স্বামীর বাসা থেকে একটি কম্পিউটার ও একটি মোবাইল নিয়ে যান। এছাড়া তার মোটরবাইকে জিপিএস ট্র্যাকার স্থাপন করে তাকে উত্যক্ত ও অপমান করতে থাকেন। পরে তাকে হত্যার জন্য ২০১৯ সালের ২ জুন এসিড নিক্ষেপ করেন। ওই ঘটনায় তার সানজারি একটি মামলা করেছেন।

এরপর সানজারি জানতে পারেন, তার সাবেক স্ত্রী মিলা ২০০২ সালের ৩১ জুলাই অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ কে এম নুরুল হুদার ছেলে আবির আহম্মেদকে বিয়ে করেন। মিলা ও তার বাবা শহীদুল ইসলাম ওই বিয়ের তথ্য গোপন করে প্রতারণা করেন। এছাড়া প্রথম বিয়েতে জন্মতারিখ ১৯৮৪ সালের ২৬ মার্চ উল্লেখ করলেও সানজারির সঙ্গে বিয়ের সময় ১৯৮৫ সালের ২৬ মার্চ উল্লেখ করেন।

এ ঘটনায় ২০১৯ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিমের আদালতে মিলার সাবেক স্বামী এস এম পারভেজ সানজারী বাদী হয়ে একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি পল্লবী থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নির্দেশ দেন। তদন্ত শেষে পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম কণ্ঠশিল্পী মিলা ও তার বাবার বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন


প্রিন্ট