ঢাকা ০৭:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সভাপতি করে ২৫ সদস্যের এনসিসিএফ গঠন পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গুজব ছড়িয়ে অপপ্রচার ও মানহানির প্রতিবাদে উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সুলতানা রাজিয়ার সংবাদ সম্মেলন কালিয়াকৈরে কুকুরের কামড়ে অতিষ্ঠ পথচারী ও শিক্ষার্থীরা ভূরুঙ্গামারীতে অবৈধ সার মজুদের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর ৪ লাখ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পিরোজপুর করিমুন্নেছা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দ্বিতীয় প্রান্তিক মূল্যায়নের ফল প্রকাশ ও মা সমাবেশ ‎ কুড়িগ্রাম কেন্দ্রীয় বাজার ব্যবসায়িক সমিতির নির্বাচন; ভোটাররা চায় নতুন নেতৃত্ব। কালীগঞ্জে দুই সার ব্যবসায়ীকে ২ লাখ টাকা জরিমানা তিন বছরের চুক্তিতে বার্সেলোনায় জেসুস চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে নতুন কাস্টমস হাউস

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরও জাপানি বিনিয়োগ প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

বিশেষ প্রতিবেদক: দেশে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরও জাপানি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং উন্নয়নমূলক কাজের সাথে সাথে বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। কাজেই চাহিদা পূরণের জন্য আমাদের এ খাতটিতে আরও বিনিয়োগের প্রয়োজন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তার কার্যালয়ে জাপানের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান জিরা (জেইআরএ) কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাতশী ওনডা সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে জিরাসহ বিভিন্ন জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দেশের বিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণে তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় উল্লেখ করেন।

জিরা প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, তাদের কোম্পানি জাপানে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, যা দেশের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ। তিনি বলেন, আমরা এ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছি।

সাতশী ওনডা প্রধানমন্ত্রীকে রিলায়েন্স বাংলাদেশ পাওয়ার এবং এলএনজি কোম্পানির যৌথ প্রকল্প সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। যেটি দেশের মেঘনা ঘাটে একটি ৭১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ২০২২ সাল নাগাদ উৎপাদন শুরু হবে।

জিরা সভাপতি বলেন, আমরা সামিটের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আরও কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাই। সামিট-জিরা মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম ইতোমধ্যে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করে আগ্রহপত্র (ইওআই) জমা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকী এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহম্মদ আজিজ খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কালিয়াকৈরে জয় বাংলা স্রোগান দিয়ে ঝটিকা মিছিল

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরও জাপানি বিনিয়োগ প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট টাইম : ১২:৫৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২০

বিশেষ প্রতিবেদক: দেশে বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে আরও জাপানি বিনিয়োগ প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, ‘দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং উন্নয়নমূলক কাজের সাথে সাথে বিদ্যুতের চাহিদাও দ্রুত বাড়ছে। কাজেই চাহিদা পূরণের জন্য আমাদের এ খাতটিতে আরও বিনিয়োগের প্রয়োজন।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সোমবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) তার কার্যালয়ে জাপানের সর্ববৃহৎ বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান জিরা (জেইআরএ) কোম্পানির প্রেসিডেন্ট সাতশী ওনডা সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা বলেন। বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সাংবাদিকদের এ বিষয়ে অবহিত করেন।

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে জিরাসহ বিভিন্ন জাপানি কোম্পানি বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে বিনিয়োগ করায় সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং দেশের বিদ্যুৎ খাতের সম্প্রসারণে তার সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় উল্লেখ করেন।

জিরা প্রেসিডেন্ট প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন যে, তাদের কোম্পানি জাপানে ৬০ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, যা দেশের মোট চাহিদার ৫০ শতাংশ। তিনি বলেন, আমরা এ বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যাপক ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছি।

সাতশী ওনডা প্রধানমন্ত্রীকে রিলায়েন্স বাংলাদেশ পাওয়ার এবং এলএনজি কোম্পানির যৌথ প্রকল্প সম্পর্কেও প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করেন। যেটি দেশের মেঘনা ঘাটে একটি ৭১৮ মেগাওয়াট বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রটিতে ২০২২ সাল নাগাদ উৎপাদন শুরু হবে।

জিরা সভাপতি বলেন, আমরা সামিটের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে আরও কয়েকটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে চাই। সামিট-জিরা মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম ইতোমধ্যে কক্সবাজারের মাতারবাড়িতে এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সরকারের কাছে আগ্রহ প্রকাশ করে আগ্রহপত্র (ইওআই) জমা দিয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, পিএমও সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া, জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকী এবং সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান মুহম্মদ আজিজ খান এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট