ঢাকা ০২:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

আদালত খোলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা বসছে

আদালত প্রতিবেদক: সাধারণ ছুটির মধ্যেই অতি জরুরি বিষয় শুনানির জন্য স্বল্প পরিসরে আদালত খোলা রাখা হবে কি-না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় বসছে সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে এই সভা বসছে। সভা অনুষ্ঠিত হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ক্রমেই সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়তে থাকায় সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আবেদনে সীমিত পরিসরে আদালত খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

গত ২৩ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের পর আদালত খোলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে পৃথকভাবে কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

ওই সিদ্ধান্তের পর অধিকাংশ আইনজীবীদের তীব্র সমালোচনার মুখে ঢাকা ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি আদালত বন্ধ রাখার জন্য উল্টো আবেদন দেয়। এছাড়া সাধারণ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তারা আদালত কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি জানান।

এ প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিম্ন আদালত খোলার সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়। আর হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ খোলার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয় ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত। এ জন্য শনিবারই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এ অবস্থায় করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে স্বল্প পরিসরে আদালত খোলা রাখা হবে কি-না, সেবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে ফুলকোর্টসভা ডাকেন প্রধান বিচারপতি।

এরইমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি শুধুমাত্র ভার্চুয়াল (অশরীরী) আদালত ব্যবস্থা চালুর জন্য লিখিতভাবে নতুন আবেদন করেছে প্রধান বিচারপতির কাছে। গতকাল শনিবার ই-মেইলের মাধ্যমে এ আবেদন করা হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

আদালত খোলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা বসছে

আপডেট টাইম : ১২:৩৮:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

আদালত প্রতিবেদক: সাধারণ ছুটির মধ্যেই অতি জরুরি বিষয় শুনানির জন্য স্বল্প পরিসরে আদালত খোলা রাখা হবে কি-না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ রবিবার (২৬ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় বসছে সুপ্রিম কোর্টের ফুলকোর্ট সভা।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে এই সভা বসছে। সভা অনুষ্ঠিত হবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের প্রেক্ষাপটে গত ২৬ মার্চ থেকে সারা দেশে আদালতে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। ক্রমেই সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়তে থাকায় সুপ্রিম কোর্ট, ঢাকা ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির আবেদনে সীমিত পরিসরে আদালত খোলার সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

গত ২৩ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের সভাপতিত্বে আপিল বিভাগের বিচারপতিদের ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে নেওয়া সিদ্ধান্তের পর আদালত খোলার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. আলী আকবরের স্বাক্ষরে পৃথকভাবে কয়েকটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

ওই সিদ্ধান্তের পর অধিকাংশ আইনজীবীদের তীব্র সমালোচনার মুখে ঢাকা ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি আদালত বন্ধ রাখার জন্য উল্টো আবেদন দেয়। এছাড়া সাধারণ ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবীদের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। তারা আদালত কার্যক্রম বন্ধ রাখার দাবি জানান।

এ প্রেক্ষাপটে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে। গতকাল শনিবার (২৫ এপ্রিল) নিম্ন আদালত খোলার সিদ্ধান্ত অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য স্থগিত করা হয়। আর হাইকোর্ট বিভাগের একটি বেঞ্চ খোলার সিদ্ধান্ত স্থগিত করা হয় ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত। এ জন্য শনিবারই সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন থেকে পৃথক পৃথক বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

এ অবস্থায় করোনাভাইরাসের প্রকোপের মধ্যে স্বল্প পরিসরে আদালত খোলা রাখা হবে কি-না, সেবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়ে ফুলকোর্টসভা ডাকেন প্রধান বিচারপতি।

এরইমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি শুধুমাত্র ভার্চুয়াল (অশরীরী) আদালত ব্যবস্থা চালুর জন্য লিখিতভাবে নতুন আবেদন করেছে প্রধান বিচারপতির কাছে। গতকাল শনিবার ই-মেইলের মাধ্যমে এ আবেদন করা হয়।


প্রিন্ট