ঢাকা ০৪:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ সংসদের অধিবেশন শুরু ইরা হত্যা মামলার রায় হচ্ছে না আজ, নতুন তারিখ ঘোষণা দুঃসময়ে বিবেকের পাশে ছিলেন অক্ষয়, যা বললেন অভিনেতা সাভারে হামলার প্রতিবাদে খুলনায় এনসিপির বিক্ষোভ স্যামসাংয়ের মুনাফা বৃদ্ধিতে আস্থা ফেরেনি, এশিয়ার শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতায় দ. কোরিয়ার বাজারে পতন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের ঝুঁকির সতর্কবার্তা ব্রাজিলের বিশ্বকাপে ব্যর্থতার পরও আনচেলত্তির ওপরেই ভরসা ব্রাজিলের ইউক্রেন ও প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর চাপ নিয়ে শুরু ন্যাটো সম্মেলন রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

৮ জনের করোনা শনাক্ত, ১৬ হাজার রোহিঙ্গা লকডাউনে

কক্সবাজার প্রতিনিধি  : কক্সবাজারের উখিয়ার পর এবার করোনা ছড়ালো টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও। শুক্রবার ৮ রোহিঙ্গার করোনা শনাক্ত হয়েছে। তারমধ্যে ৭ জন উখিয়ার কুতুপালং ৬ নম্বর ক্যাম্পের ও একজন টেকনাফের নয়াপাড়া ক্যাম্পের বাসিন্দা। এই প্রথম উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও রোহিঙ্গা করোনা রোগী শনাক্ত হলো। এ নিয়ে মোট ২১ জন রোহিঙ্গা করোনা রোগী পাওয়া গেল।

এই ৮ জন সহ ২১ জন রোহিঙ্গা করোনা রোগীই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত আইসোলেশন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের প্রধান স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী ডাঃ আবু মোহাম্মদ তোহা।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ২৮৬ জন রোহিঙ্গার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

কক্সবাজার শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মাহবুব আলম তালুকদার জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের যেসব ব্লকে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে সে সব ব্লকের বাড়ি ঘর আলাদা করে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত কুতুপালং ৫ ও ৬ নম্বর ক্যাম্পের ১৬ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাকে লাল পতাকা দিয়ে সম্পূর্ণ লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। সেসব ব্লকে ঢোকা কিংবা বাহির হওয়া কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ১৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় কক্সবাজার জেলার ২৮ জন করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে শুধু চকরিয়া উপজেলায় ১৯ জন মহেশখালী উপজেলায় ৫ জন রয়েছে। এ নিয়ে কক্সবাজারে ২১ রোহিঙ্গা সহ মোট ৩১৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৪ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে বৈদ্যঘোনা এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে বিকালে তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

জেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ অনুপম বড়ুয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টানা বর্ষণে পাহাড় ধসে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে যান চলাচল বন্ধ

৮ জনের করোনা শনাক্ত, ১৬ হাজার রোহিঙ্গা লকডাউনে

আপডেট টাইম : ০৯:৩৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২০

কক্সবাজার প্রতিনিধি  : কক্সবাজারের উখিয়ার পর এবার করোনা ছড়ালো টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও। শুক্রবার ৮ রোহিঙ্গার করোনা শনাক্ত হয়েছে। তারমধ্যে ৭ জন উখিয়ার কুতুপালং ৬ নম্বর ক্যাম্পের ও একজন টেকনাফের নয়াপাড়া ক্যাম্পের বাসিন্দা। এই প্রথম উখিয়া কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাইরে টেকনাফ রোহিঙ্গা ক্যাম্পেও রোহিঙ্গা করোনা রোগী শনাক্ত হলো। এ নিয়ে মোট ২১ জন রোহিঙ্গা করোনা রোগী পাওয়া গেল।

এই ৮ জন সহ ২১ জন রোহিঙ্গা করোনা রোগীই রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অবস্থিত আইসোলেশন হাসপাতালে তাদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানান শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কার্যালয়ের প্রধান স্বাস্থ্য সমন্বয়কারী ডাঃ আবু মোহাম্মদ তোহা।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ২৮৬ জন রোহিঙ্গার নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

কক্সবাজার শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মাহবুব আলম তালুকদার জানিয়েছেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পের যেসব ব্লকে করোনা রোগী শনাক্ত হচ্ছে সে সব ব্লকের বাড়ি ঘর আলাদা করে রাখা হয়েছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত কুতুপালং ৫ ও ৬ নম্বর ক্যাম্পের ১৬ হাজারেরও বেশি রোহিঙ্গাকে লাল পতাকা দিয়ে সম্পূর্ণ লকডাউন করে দেয়া হয়েছে। সেসব ব্লকে ঢোকা কিংবা বাহির হওয়া কঠোর ভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।

শুক্রবার কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাবে ১৭৪ জনের নমুনা পরীক্ষায় কক্সবাজার জেলার ২৮ জন করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। এর মধ্যে শুধু চকরিয়া উপজেলায় ১৯ জন মহেশখালী উপজেলায় ৫ জন রয়েছে। এ নিয়ে কক্সবাজারে ২১ রোহিঙ্গা সহ মোট ৩১৫ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুক্রবার পর্যন্ত ৪ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার সকালে বৈদ্যঘোনা এলাকার বাসিন্দা মহিউদ্দিন করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়ার পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরে বিকালে তার রিপোর্ট পজেটিভ আসে।

জেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া রোগীদের মধ্যে এ পর্যন্ত ৫৮ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অধ্যক্ষ ডাঃ অনুপম বড়ুয়া এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।


প্রিন্ট