ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

চবি ২৬তম ব্যাচ এসোসিয়েশনের সম্পাদক খসরুল আলম খান রিপনের ইন্তেকাল

চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২৬তম ব্যাচের সাধারণ সম্পাদক খসরুল আলম খান রিপন করোনা আক্রান্ত হয়ে আজ ভোর সাড়ে ৫টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৮ বছর। রিপন মা, দুই ভাই এক বোন, স্ত্রী এবং দুই ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য বন্ধুবান্ধব ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

রিপনের নামাযে জানাজা এবং দাফন কার্যক্রম তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বারের বিরাল্লা গ্রামে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম ব্যাচে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকত্তোর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনে খসরুল আলম খান রিপন একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী।

করোনা প্রতিরোধে ২৬ প্রকল্পের আওতায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ দেন।

করোনা প্রতিরোধ কার্যক্রমের আওতায় চবি ২৬তম ব্যাচ ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, সিলেট, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব, ময়মনসিংহ, বরিশাল, হবিগঞ্জ, খুলনা ও হাতিয়ায় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জরুরি সেবাদানকারী করোনা মোকাবেলায় ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে ভূমিকা পালনকারী দেশব্যাপী বিভিন্ন সংস্থাকে ৫০ হাজার মাস্কসহ করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের দাফন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনকারী আল মারকাজুল ইসলামী ঢাকাকে ৫০ সেট, গাইবান্ধায় ইসলামি ফাউন্ডেশনের দাফন টিমকে ২৫ সেট এবং চট্টগ্রামে ২৫ সেট সহ সর্বমোট ১০০ সেট পিপিই প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকার অসহায় ৬৫০টি পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চবি ২৬তম ব্যাচ এসোসিয়েশনের সম্পাদক খসরুল আলম খান রিপনের ইন্তেকাল

আপডেট টাইম : ০৯:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০

চবি প্রতিনিধি : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২৬তম ব্যাচের সাধারণ সম্পাদক খসরুল আলম খান রিপন করোনা আক্রান্ত হয়ে আজ ভোর সাড়ে ৫টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিলো ৪৮ বছর। রিপন মা, দুই ভাই এক বোন, স্ত্রী এবং দুই ছেলে সন্তানসহ অসংখ্য বন্ধুবান্ধব ও গুনগ্রাহী রেখে গেছেন।

রিপনের নামাযে জানাজা এবং দাফন কার্যক্রম তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দেবীদ্বারের বিরাল্লা গ্রামে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সরকারী নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬তম ব্যাচে ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে স্নাতক এবং স্নাতকত্তোর ডিগ্রি অর্জন করেছিলেন।

ব্যক্তিগত জীবনে খসরুল আলম খান রিপন একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ী।

করোনা প্রতিরোধে ২৬ প্রকল্পের আওতায় ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে তিনি নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রাণ দেন।

করোনা প্রতিরোধ কার্যক্রমের আওতায় চবি ২৬তম ব্যাচ ঢাকা, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, সিলেট, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব, ময়মনসিংহ, বরিশাল, হবিগঞ্জ, খুলনা ও হাতিয়ায় বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও জরুরি সেবাদানকারী করোনা মোকাবেলায় ফ্রন্ট লাইনার হিসেবে ভূমিকা পালনকারী দেশব্যাপী বিভিন্ন সংস্থাকে ৫০ হাজার মাস্কসহ করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণকারীদের দাফন কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালনকারী আল মারকাজুল ইসলামী ঢাকাকে ৫০ সেট, গাইবান্ধায় ইসলামি ফাউন্ডেশনের দাফন টিমকে ২৫ সেট এবং চট্টগ্রামে ২৫ সেট সহ সর্বমোট ১০০ সেট পিপিই প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন এলাকার অসহায় ৬৫০টি পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করে হয়।


প্রিন্ট