ঢাকা ০৭:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম পটুয়াখালীতে পিকআপ ভ্যান থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার

হাতিলের ফার্নিচার রফতানি হচ্ছে বিশ্বের ১৭টি দেশে

অথনৈতিক প্রতিবেদক, সিটিজেন নিউজ: দেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ১৭টি দেশে রফতানি হচ্ছে হাতিলের ফার্নিচার। আধুনিক ফার্নিচারের জনপ্রিয়তা সৃষ্টি এবং ফার্নিচার উৎপাদনে উৎকর্ষতা আনা- এ দুটি ক্ষেত্রেই দক্ষিণ এশিয়ায় হাতিল অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আর এখান থেকেই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশি ফার্নিচারের বিশ্ববাজার। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীবাজারে অবস্থিত হাতিলের কারখানাটি প্রায় ২০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের। এ কারণেই উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ উডেন ফার্নিচার তৈরির কারখানার মর্যাদা পেয়েছে হাতিলের এই কারখানাটি। জার্মানি, ইতালি, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে হাতিলের এই কারখানা। প্রতি মাসে ৪৮ হাজার পিস ফার্নিচার তৈরি করতে সক্ষম এই কারখানা।

জার্মানিভিত্তিক কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠানের পরামর্শে সাজানো হয়েছে হাতিলের এই কারখানা উৎপাদন পরিকল্পনা কাজের ধারাবাহিকতা এবং যন্ত্রপাতি। উৎপাদন পরিকল্পনা, কাজের ধারাবাহিকতায় উৎপাদন বাড়ানো, আসবাবপত্রের স্থায়িত্ব বাড়ানো এবং ফিনিশিংয়ের গুণগত মান উন্নত করতে রয়েছে অত্যাধুনিক সিএনসি মেশিন, নেস্টিং মেশিন, রোবোটিক কাটিং মেশিন, বেন্ড মেশিন, রোবোটিক স্প্রে এবং ইউভি কিউরিং মেশিনসহ পূর্ণাঙ্গ লাইন।

কাঠনির্ভর ফার্নিচারের বৃহদাকার উৎপাদনের এই সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে হাতিল ফার্নিচার রফতানি করছে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, নেপাল ও ভুটান এবং যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কুয়েত, মিসর ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে। ক্রেতার পছন্দনীয় ডিজাইনের পাশাপাশি হাতিল নিজস্ব ডিজাইনের আসবাবপত্র বিক্রি করছে দেশের এবং দেশের বাইরে হাতিলের ১৭টি আউটলেটে। আসবাবপত্র রফতানির প্রায় ৭০ ভাগই হাতিলের দখলে, যার মাধ্যমে হাতিল দেশের জন্য বয়ে আনছে বৈদেশিক মুদ্রা।

হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘আসবাবপত্র তৈরিতে দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠতা এবং অভিজ্ঞতা আমাদের সাহসী করছে বিশ্বমানের কারখানা তৈরিতে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশে তৈরি ফার্নিচার রফতানি হচ্ছে সারাবিশ্বে, তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সমসাময়িক বিশ্বে রিটেইলারদের খরচ বৃদ্ধি পাওয়া একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। আর এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ওঠার মূল লক্ষ্য অর্জনে হাতিল তৈরি করেছে দেশের প্রথম পরিপূর্ণ ভার্চুয়াল শোরুম ‘হাতিল-ভি’। থ্রিডি ভিউয়ের মাধ্যমে স্বল্প পরিসরে এই শোরুম করা যায় এবং হাতিলের সব পণ্য ক্রেতারা অনায়াসে দেখে পছন্দ করতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড একটি ফার্নিচার উৎপাদন ও বিপণন প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৭টি দেশে ফার্নিচার বিক্রি করছে। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। হাতিল সরাসরি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে ২ হাজার ৩০০ মানুষের। এছাড়া আরও ২ হাজার ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে হাতিলকে ঘিরে। প্রতি মাসে উৎপাদন করছে ৪৮ হাজার ফার্নিচার।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ

হাতিলের ফার্নিচার রফতানি হচ্ছে বিশ্বের ১৭টি দেশে

আপডেট টাইম : ০২:৪৮:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ মে ২০১৯

অথনৈতিক প্রতিবেদক, সিটিজেন নিউজ: দেশের সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে চাহিদা মিটিয়ে বিশ্বের ১৭টি দেশে রফতানি হচ্ছে হাতিলের ফার্নিচার। আধুনিক ফার্নিচারের জনপ্রিয়তা সৃষ্টি এবং ফার্নিচার উৎপাদনে উৎকর্ষতা আনা- এ দুটি ক্ষেত্রেই দক্ষিণ এশিয়ায় হাতিল অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। আর এখান থেকেই তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশি ফার্নিচারের বিশ্ববাজার। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

সূত্র জানিয়েছে, রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারের জিরানীবাজারে অবস্থিত হাতিলের কারখানাটি প্রায় ২০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় আড়াই হাজার মানুষের। এ কারণেই উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ উডেন ফার্নিচার তৈরির কারখানার মর্যাদা পেয়েছে হাতিলের এই কারখানাটি। জার্মানি, ইতালি, জাপান ও যুক্তরাষ্ট্রের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি দিয়ে সাজানো হয়েছে হাতিলের এই কারখানা। প্রতি মাসে ৪৮ হাজার পিস ফার্নিচার তৈরি করতে সক্ষম এই কারখানা।

জার্মানিভিত্তিক কনসাল্টিং প্রতিষ্ঠানের পরামর্শে সাজানো হয়েছে হাতিলের এই কারখানা উৎপাদন পরিকল্পনা কাজের ধারাবাহিকতা এবং যন্ত্রপাতি। উৎপাদন পরিকল্পনা, কাজের ধারাবাহিকতায় উৎপাদন বাড়ানো, আসবাবপত্রের স্থায়িত্ব বাড়ানো এবং ফিনিশিংয়ের গুণগত মান উন্নত করতে রয়েছে অত্যাধুনিক সিএনসি মেশিন, নেস্টিং মেশিন, রোবোটিক কাটিং মেশিন, বেন্ড মেশিন, রোবোটিক স্প্রে এবং ইউভি কিউরিং মেশিনসহ পূর্ণাঙ্গ লাইন।

কাঠনির্ভর ফার্নিচারের বৃহদাকার উৎপাদনের এই সক্ষমতা কাজে লাগিয়ে হাতিল ফার্নিচার রফতানি করছে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত, নেপাল ও ভুটান এবং যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সৌদি আরব, আরব আমিরাত, কুয়েত, মিসর ও রাশিয়াসহ বিভিন্ন দেশে। ক্রেতার পছন্দনীয় ডিজাইনের পাশাপাশি হাতিল নিজস্ব ডিজাইনের আসবাবপত্র বিক্রি করছে দেশের এবং দেশের বাইরে হাতিলের ১৭টি আউটলেটে। আসবাবপত্র রফতানির প্রায় ৭০ ভাগই হাতিলের দখলে, যার মাধ্যমে হাতিল দেশের জন্য বয়ে আনছে বৈদেশিক মুদ্রা।

হাতিলের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম এইচ রহমান বলেন, ‘আসবাবপত্র তৈরিতে দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠতা এবং অভিজ্ঞতা আমাদের সাহসী করছে বিশ্বমানের কারখানা তৈরিতে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশে তৈরি ফার্নিচার রফতানি হচ্ছে সারাবিশ্বে, তৈরি হচ্ছে নতুন সম্ভাবনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সমসাময়িক বিশ্বে রিটেইলারদের খরচ বৃদ্ধি পাওয়া একটি বড় প্রতিবন্ধকতা। আর এই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে ওঠার মূল লক্ষ্য অর্জনে হাতিল তৈরি করেছে দেশের প্রথম পরিপূর্ণ ভার্চুয়াল শোরুম ‘হাতিল-ভি’। থ্রিডি ভিউয়ের মাধ্যমে স্বল্প পরিসরে এই শোরুম করা যায় এবং হাতিলের সব পণ্য ক্রেতারা অনায়াসে দেখে পছন্দ করতে পারবেন।’

উল্লেখ্য, হাতিল কমপ্লেক্স লিমিটেড একটি ফার্নিচার উৎপাদন ও বিপণন প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশসহ বিশ্বের ১৭টি দেশে ফার্নিচার বিক্রি করছে। ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে। হাতিল সরাসরি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছে ২ হাজার ৩০০ মানুষের। এছাড়া আরও ২ হাজার ৫০০ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে হাতিলকে ঘিরে। প্রতি মাসে উৎপাদন করছে ৪৮ হাজার ফার্নিচার।


প্রিন্ট