ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই শুরু জুন থেকে: রুবানা হক

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত। এর প্রভাব পড়েছে দেশের পোশাক খাতেও। এ কারণে জুন থেকেই পোশাক শ্রমিকদের ছাঁটাই হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

তিনি বলেন, মহামারি করোনায় পোশাক রপ্তানির অডার ৫৫ শতাংশে নেমেছে। সে কারণেই পয়লা জুন থেকে কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করার কিছু নেই। ছাঁটাই শ্রমিকের জন্য কী করা যায় সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যারা ছাঁটাই হবে, তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

রুবানা হক জানান, ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে রপ্তানিমুখি পোশাক কারখানার ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের জন্য ১২৩ বিলিয়ন ডলারের একটা ফান্ড আসছে।

এক প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা সবারই আছে। পোশাক শ্রমিকের পাশাপাশি উদ্যোক্তারাও কারখানায় যাচ্ছে। আমরা স্বাস্থবিধি মেনে কারখানা চালু রাখছি।

যে প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের চাকরি থেকে বাদ দিবে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, যাদের চাকরি যাবে, তাদের বিষয়ে বিজিএমইএ কোনও ব্যবস্থা নেবে না। তবে এপিল এবং মে মাসে যারা চাকরি হারিয়েছেন তাদের বিষয়টি দেখা হবে।

তিনি বলেন, বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ২২৭৪টি কারখানার মধ্যে ১৯২৬টি চালু রয়েছে। বাকিগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। সদস্যভুক্ত ৪৬ কারখানার ১৮ হাজার শ্রমিকের এপ্রিলের বেতন বাকি রয়েছে। এগুলো দেওয়া হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান ঈদের আগে বোনাস দেয়নি। তারা আগামী ৬ মাস সময় পেয়েছে। এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বোনাস দিয়ে দেবে।

করোনায় ৪২ হাজার কোটি টাকার ধাক্কা খাবে পোশাক খাত বলে শঙ্কা জানিয়ে বিজিএমইর সভাপতি বলেন, এ বছর পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হবে ২৩ বিলিয়ন ডলার। করোনায় স্থগিত হওয়া ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৬ ভাগ অর্ডার পুনরায় ফিরে পেয়েছি।

করোনায় মোকাবিলায় এখন মানুষ স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি, পোশাকে নয়। ফলে শতকরা ৬৫ শতাংশ অর্ডার কমে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৫৫ ভাগ বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ২ শতাংশ তুলছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই শুরু জুন থেকে: রুবানা হক

আপডেট টাইম : ০৯:৫৮:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুন ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : করোনার কারণে বিশ্ব অর্থনীতি বিপর্যস্ত। এর প্রভাব পড়েছে দেশের পোশাক খাতেও। এ কারণে জুন থেকেই পোশাক শ্রমিকদের ছাঁটাই হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

তিনি বলেন, মহামারি করোনায় পোশাক রপ্তানির অডার ৫৫ শতাংশে নেমেছে। সে কারণেই পয়লা জুন থেকে কারখানাগুলোতে শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হবে।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) কোভিড-১৯ শনাক্তকরণ ল্যাব উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, করার কিছু নেই। ছাঁটাই শ্রমিকের জন্য কী করা যায় সে বিষয়ে সরকারের সঙ্গে আমরা আলোচনা করছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে যারা ছাঁটাই হবে, তাদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

রুবানা হক জানান, ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে রপ্তানিমুখি পোশাক কারখানার ক্ষতিগ্রস্ত শ্রমিকের জন্য ১২৩ বিলিয়ন ডলারের একটা ফান্ড আসছে।

এক প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কা সবারই আছে। পোশাক শ্রমিকের পাশাপাশি উদ্যোক্তারাও কারখানায় যাচ্ছে। আমরা স্বাস্থবিধি মেনে কারখানা চালু রাখছি।

যে প্রতিষ্ঠান তাদের কর্মীদের চাকরি থেকে বাদ দিবে তাদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে রুবানা হক বলেন, যাদের চাকরি যাবে, তাদের বিষয়ে বিজিএমইএ কোনও ব্যবস্থা নেবে না। তবে এপিল এবং মে মাসে যারা চাকরি হারিয়েছেন তাদের বিষয়টি দেখা হবে।

তিনি বলেন, বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত ২২৭৪টি কারখানার মধ্যে ১৯২৬টি চালু রয়েছে। বাকিগুলো বন্ধ হয়ে গেছে। সদস্যভুক্ত ৪৬ কারখানার ১৮ হাজার শ্রমিকের এপ্রিলের বেতন বাকি রয়েছে। এগুলো দেওয়া হচ্ছে। কিছু প্রতিষ্ঠান ঈদের আগে বোনাস দেয়নি। তারা আগামী ৬ মাস সময় পেয়েছে। এর মধ্যে পর্যায়ক্রমে বোনাস দিয়ে দেবে।

করোনায় ৪২ হাজার কোটি টাকার ধাক্কা খাবে পোশাক খাত বলে শঙ্কা জানিয়ে বিজিএমইর সভাপতি বলেন, এ বছর পোশাক খাত থেকে রপ্তানি আয় হবে ২৩ বিলিয়ন ডলার। করোনায় স্থগিত হওয়া ৩ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ২৬ ভাগ অর্ডার পুনরায় ফিরে পেয়েছি।

করোনায় মোকাবিলায় এখন মানুষ স্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি, পোশাকে নয়। ফলে শতকরা ৬৫ শতাংশ অর্ডার কমে যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র চীন থেকে ৫৫ ভাগ বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ২ শতাংশ তুলছে।


প্রিন্ট