ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখাসহ পাঁচ দফা দাবি

 

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

রোববার (২৮ জুন) অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এমন দাবি জানানো হয়। যেখানে মূল বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব আর কে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাজেটে করোনা প্রকোপকাল ও প্রভাবকালীন সময়ের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দই-মিষ্টি খাতকে ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ দেওয়া।

সাধারণ ছুটি সংক্রান্ত ২৮ মে জারি করা প্রজ্ঞাপন সংশোধনের খাদ্য, খাবার ও সেবার সঙ্গে ‘হোটেল-রেস্তোরাঁ’খাত স্পষ্ট করা।

করোনাকালে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির যে বিল জমবে তা ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ১০ শতাংশ হারে আদায় করা। এখন বকেয়া বিলের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করা।

পোশাকখাতের মতো স্বল্প সুদে রেস্তোরাঁ মালিকদের ঋণ সহায়তা দেওয়া।

সরকার নিম্নআয়ের মানুষকে যে সহায়তা দিচ্ছে তার আওতায় রেস্তোরাঁ শ্রমিকদেরও সহায়তা দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। এতে কাজ করেন ২০ থেকে ২২ লাখ শ্রমিক। শ্রমিকেরা এখন গ্রামে ফিরে অনেকটা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন খন্দকার বলেন, সাধারণত রেস্তোরাঁ সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখন যেহেতু দোকান সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে, তার সঙ্গে রেস্তোরাঁগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া রেস্তোরাঁয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উদ্যোগ হিসাবে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মানার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। সেজন্য আমাদের দাবিগুলো বিবেচনা করার সুযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ঋণের বিষয়ে বলা হয়, ঋণের জন্য বেসরকারি ব্যাংকে গেলে ব্যক্তিগত ঋণের আবেদন করতে বলা হয়। আর সরকারি ব্যাংকে গিয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। রেস্তোরাঁগুলো ব্যাংক থেকে কখনো ঋণ পায়নি। এখন ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণের কথা বলা হচ্ছে, তা রেস্তোরাঁ মালিকেরা পাচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন মৃধা, যুগ্ম মহাসচিব ইমরান হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম, কোষাধ্যক্ষ তৌফিকুল ইসলাম খান।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

রেস্তোরাঁ ব্যবসায়ীদের ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখাসহ পাঁচ দফা দাবি

আপডেট টাইম : ০১:২২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২০

 

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক : সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা রাখাসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছে রেস্তোরাঁ মালিক সমিতি।

রোববার (২৮ জুন) অনলাইনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মালিক সমিতির পক্ষ থেকে এমন দাবি জানানো হয়। যেখানে মূল বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনটির মহাসচিব আর কে সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- বাজেটে করোনা প্রকোপকাল ও প্রভাবকালীন সময়ের জন্য হোটেল-রেস্তোরাঁ ও দই-মিষ্টি খাতকে ১০ হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ দেওয়া।

সাধারণ ছুটি সংক্রান্ত ২৮ মে জারি করা প্রজ্ঞাপন সংশোধনের খাদ্য, খাবার ও সেবার সঙ্গে ‘হোটেল-রেস্তোরাঁ’খাত স্পষ্ট করা।

করোনাকালে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির যে বিল জমবে তা ২০২১ সালের জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে ১০ শতাংশ হারে আদায় করা। এখন বকেয়া বিলের জন্য সংযোগ বিচ্ছিন্ন না করা।

পোশাকখাতের মতো স্বল্প সুদে রেস্তোরাঁ মালিকদের ঋণ সহায়তা দেওয়া।

সরকার নিম্নআয়ের মানুষকে যে সহায়তা দিচ্ছে তার আওতায় রেস্তোরাঁ শ্রমিকদেরও সহায়তা দেওয়া।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, দেশে রেস্তোরাঁর সংখ্যা প্রায় ৬০ হাজার। এতে কাজ করেন ২০ থেকে ২২ লাখ শ্রমিক। শ্রমিকেরা এখন গ্রামে ফিরে অনেকটা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সভাপতি রুহুল আমিন খন্দকার বলেন, সাধারণত রেস্তোরাঁ সকাল ৬টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত খোলা থাকে। এখন যেহেতু দোকান সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছে, তার সঙ্গে রেস্তোরাঁগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। তাছাড়া রেস্তোরাঁয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার উদ্যোগ হিসাবে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। সামাজিক দূরত্ব মানার ক্ষেত্রে কোনো অসুবিধা হচ্ছে না। সেজন্য আমাদের দাবিগুলো বিবেচনা করার সুযোগ রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে ঋণের বিষয়ে বলা হয়, ঋণের জন্য বেসরকারি ব্যাংকে গেলে ব্যক্তিগত ঋণের আবেদন করতে বলা হয়। আর সরকারি ব্যাংকে গিয়ে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। রেস্তোরাঁগুলো ব্যাংক থেকে কখনো ঋণ পায়নি। এখন ব্যাংক গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে প্রণোদনা প্যাকেজের ঋণের কথা বলা হচ্ছে, তা রেস্তোরাঁ মালিকেরা পাচ্ছেন না।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি আনোয়ার হোসেন মৃধা, যুগ্ম মহাসচিব ইমরান হাসান, সাংগঠনিক সম্পাদক ফিরোজ আলম, কোষাধ্যক্ষ তৌফিকুল ইসলাম খান।


প্রিন্ট