ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

বিএনপির আস্থা নেই ড. কামালের ওপর

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভিতরেই ঐক্য নেই। বিভিন্ন কারণে ড. কামাল হোসেনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। জাতীয় নির্বাচনে পরাজয় এবং আন্দোলনে ব্যর্থতার কারণে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মানতে নারাজ বিএনপি নেতারা। ফলে তাকে মাইনাস করার বিষয়টি প্রায় পাকাপোক্ত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, চুপচাপ থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যফ্রন্ট ভুক্ত দলগুলোর পাশাপাশি সরকারবিরোধী বামপন্থী কয়েকটি দলকে নতুন পথ চলায় সম্পৃক্ত করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। তবে ঐক্য হবে যৌথ নেতৃত্বের সমন্বয়ে। কেননা তারা ড. কামাল হোসেনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।

বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনের নড়বড়ে অবস্থানের কারণে এক প্রকার নেতৃত্বহীন অবস্থায় নির্বাচন করে বিএনপি। ফলাফলেও আসে ভরাডুবি। এই কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ফ্রন্টের বৈঠকে যাওয়া বন্ধ করে দেন।

তাদের ভাষ্য, কামাল হোসেনের ভূমিকা এখনো সুবিধাজনক নয়। খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে তিনি তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারেননি। এছাড়া কামাল হোসেনের বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হতে হয়েছে বিএনপির হাইকমান্ডকে। তাই সব মিলিয়ে ড. কামাল হোসেনকে সামনে রেখে এবং বর্তমান কাঠামো দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট চালানো সম্ভব নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐক্যফ্রন্টের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ৮৪ বছর বয়সী ড. কামাল হোসেন এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি দেশের রাজনীতির জন্য এখন ফিট না এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হয়ে কার্যত কোনো ভূমিকাই পালন করতে পারছেন না। সবকিছুতে তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। তাই এই জোট বাঁচানোর স্বার্থে তাকে পথ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ভিতরেই ঐক্য নেই। তাছাড়া একাদশ জাতীয় নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী কার্যক্রমে ড. কামাল হোসেনের ওপর আস্থা হারিয়েছেন বিএনপি নেতারা। বিএনপি নেতারা তার নেতৃত্ব মানতে এখন নারাজ। ফলে তাকে মাইনাস করার বিষয়টি প্রায় পাকাপোক্ত। নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় জোট ভাঙার পরিকল্পনা করছে একটি বড় অংশ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

বিএনপির আস্থা নেই ড. কামালের ওপর

আপডেট টাইম : ০৬:০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২০

নিজস্ব প্রতিবেদক : বর্তমানে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভিতরেই ঐক্য নেই। বিভিন্ন কারণে ড. কামাল হোসেনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছে বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো। জাতীয় নির্বাচনে পরাজয় এবং আন্দোলনে ব্যর্থতার কারণে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মানতে নারাজ বিএনপি নেতারা। ফলে তাকে মাইনাস করার বিষয়টি প্রায় পাকাপোক্ত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, চুপচাপ থেকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ঐক্যফ্রন্ট ভুক্ত দলগুলোর পাশাপাশি সরকারবিরোধী বামপন্থী কয়েকটি দলকে নতুন পথ চলায় সম্পৃক্ত করে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি। তবে ঐক্য হবে যৌথ নেতৃত্বের সমন্বয়ে। কেননা তারা ড. কামাল হোসেনের প্রতি আস্থা হারিয়ে ফেলেছেন।

বিএনপির একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেনের নড়বড়ে অবস্থানের কারণে এক প্রকার নেতৃত্বহীন অবস্থায় নির্বাচন করে বিএনপি। ফলাফলেও আসে ভরাডুবি। এই কারণে ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির সিনিয়র নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ফ্রন্টের বৈঠকে যাওয়া বন্ধ করে দেন।

তাদের ভাষ্য, কামাল হোসেনের ভূমিকা এখনো সুবিধাজনক নয়। খালেদা জিয়ার মুক্তি আন্দোলনে তিনি তেমন কোনো ভূমিকা পালন করতে পারেননি। এছাড়া কামাল হোসেনের বিভিন্ন বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে তৃণমূল নেতাদের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ হতে হয়েছে বিএনপির হাইকমান্ডকে। তাই সব মিলিয়ে ড. কামাল হোসেনকে সামনে রেখে এবং বর্তমান কাঠামো দিয়ে ঐক্যফ্রন্ট চালানো সম্ভব নয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঐক্যফ্রন্টের এক শীর্ষ নেতা বলেন, ৮৪ বছর বয়সী ড. কামাল হোসেন এখন শারীরিকভাবে অসুস্থ। তিনি দেশের রাজনীতির জন্য এখন ফিট না এবং জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হয়ে কার্যত কোনো ভূমিকাই পালন করতে পারছেন না। সবকিছুতে তালগোল পাকিয়ে ফেলছেন। তাই এই জোট বাঁচানোর স্বার্থে তাকে পথ থেকে সরিয়ে দিতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।

এ বিষয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, ঐক্যফ্রন্টের ভিতরেই ঐক্য নেই। তাছাড়া একাদশ জাতীয় নির্বাচন ও নির্বাচন পরবর্তী কার্যক্রমে ড. কামাল হোসেনের ওপর আস্থা হারিয়েছেন বিএনপি নেতারা। বিএনপি নেতারা তার নেতৃত্ব মানতে এখন নারাজ। ফলে তাকে মাইনাস করার বিষয়টি প্রায় পাকাপোক্ত। নিজেদের স্বার্থ রক্ষায় জোট ভাঙার পরিকল্পনা করছে একটি বড় অংশ।


প্রিন্ট