ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তায় গঠিত হচ্ছে ট্রাস্ট

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: কাজ করতে অক্ষম ও অস্বচ্ছল চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তায় ট্রাস্ট গঠন করা হচ্ছে। এজন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০২০ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা এই বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ২৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণ সাধনের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী তথ্য মন্ত্রণালয় সব ফর্মালিটি শেষ করে আজকের বৈঠকে আইনটির খসড়া উপস্থাপন করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই ট্রাস্ট গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণ সাধন করা। বিশেষ করে পেশাগত কাজ করতে অক্ষম, অসমর্থ ও অসচ্ছল চলচ্চিত্র শিল্পীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া। এছাড়া অসচ্ছল ও অসুস্থ চলচ্চিত্র শিল্পীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া, কোনো চলচ্চিত্র শিল্পীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করাও এর উদ্দেশ্য। ট্রাস্ট অন্য কোনো কাজ বাস্তবায়ন করতে পারবে বলেও আইনে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, তথ্যমন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে প্রস্তাবিত ট্রাস্টের বোর্ড থাকবে। ট্রাস্টের একজন এমডি থাকবেন, তিনি হবেন নির্বাহী প্রধান। এতে ১৩ জনের বড় একটা টিম থাকবে। তারা ট্রাস্টের সবকিছু দেখভাল করবে।

‘তারা তাদের নিজস্ব ফান্ড ও সরকারের দেওয়া ফান্ড- এগুলো নিয়ে ট্রাস্ট পরিচালনা করবেন। তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে লোন বা গ্র্যান্টও গ্রহণ করতে পারবে। সেক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নিতে হবে, যাতে এমন কোনো লোন গ্রহণ না করে পরবর্তী সময়ে এটা রাষ্ট্রের ওপর চেপে বসে’, বলেন সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তারা তাদের কনফোর্ট অনুযায়ী আয়বর্ধক বিভিন্ন কার্যক্রমও গ্রহণ করতে পারবে এবং এখান থেকে যে টাকাটা তাদের মুনাফা থাকবে সেটা দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তা করতে পরবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তায় গঠিত হচ্ছে ট্রাস্ট

আপডেট টাইম : ০১:৩২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: কাজ করতে অক্ষম ও অস্বচ্ছল চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তায় ট্রাস্ট গঠন করা হচ্ছে। এজন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট আইন-২০২০ এর খসড়া নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার (১০ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ভার্চুয়াল মন্ত্রিসভা বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। গণভবন থেকে প্রধানমন্ত্রী এবং সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মন্ত্রীরা এই বৈঠকে যোগ দেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ২০১৭ সালের ২৪ জুলাই প্রধানমন্ত্রী জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণ সাধনের জন্য বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী কল্যাণ ট্রাস্ট নামে একটি ট্রাস্ট স্থাপনের জন্য নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সেই অনুযায়ী তথ্য মন্ত্রণালয় সব ফর্মালিটি শেষ করে আজকের বৈঠকে আইনটির খসড়া উপস্থাপন করেছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এই ট্রাস্ট গঠনের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে চলচ্চিত্র শিল্পীদের কল্যাণ সাধন করা। বিশেষ করে পেশাগত কাজ করতে অক্ষম, অসমর্থ ও অসচ্ছল চলচ্চিত্র শিল্পীকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া। এছাড়া অসচ্ছল ও অসুস্থ চলচ্চিত্র শিল্পীর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া, কোনো চলচ্চিত্র শিল্পীর মৃত্যু হলে তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করাও এর উদ্দেশ্য। ট্রাস্ট অন্য কোনো কাজ বাস্তবায়ন করতে পারবে বলেও আইনে বলা হয়েছে।

তিনি বলেন, তথ্যমন্ত্রীকে চেয়ারম্যান করে প্রস্তাবিত ট্রাস্টের বোর্ড থাকবে। ট্রাস্টের একজন এমডি থাকবেন, তিনি হবেন নির্বাহী প্রধান। এতে ১৩ জনের বড় একটা টিম থাকবে। তারা ট্রাস্টের সবকিছু দেখভাল করবে।

‘তারা তাদের নিজস্ব ফান্ড ও সরকারের দেওয়া ফান্ড- এগুলো নিয়ে ট্রাস্ট পরিচালনা করবেন। তারা বিভিন্ন জায়গা থেকে লোন বা গ্র্যান্টও গ্রহণ করতে পারবে। সেক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি নিতে হবে, যাতে এমন কোনো লোন গ্রহণ না করে পরবর্তী সময়ে এটা রাষ্ট্রের ওপর চেপে বসে’, বলেন সচিব।

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, তারা তাদের কনফোর্ট অনুযায়ী আয়বর্ধক বিভিন্ন কার্যক্রমও গ্রহণ করতে পারবে এবং এখান থেকে যে টাকাটা তাদের মুনাফা থাকবে সেটা দিয়ে চলচ্চিত্র শিল্পীদের সহায়তা করতে পরবে।


প্রিন্ট