ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

হোসেনি দালান চত্বরে সীমিত ছিল তাজিয়া মিছিল

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির মধ্যে এবার আশুরার দিন পুরান ঢাকার হোসেনি দালান চত্বরে সীমিত পরিসরে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রতিবছরের মতো এবার মূল সড়কে বের হয়নি শিয়াদের ঐতিহ্যবাহী এ তাজিয়া মিছিল।

আশুরা উপলক্ষে রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকেই ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের হোসেনি দালান চত্বর।

সকাল ৯টার দিকে নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, হোসেনি দালান যে সড়কে সেখানকার প্রবেশের মুখে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। আর হোসেনি দালান চত্বরে প্রবেশের জন্য মানুষের দীর্ঘলাইন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একেকজনকে পরীক্ষা করে আর্চওয়ের মধ্যদিয়ে প্রবেশ করাচ্ছিলেন। হোসেনি দালান চত্বরের ভেতরেও অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ভেতরে গিয়ে দেখা গেছে, কালো কাবলি ও পাঞ্জাবি পরা তরুণরা ঘোরাফেরা করছে। তরুণীদের গায়ে ছিল কালো সালোয়ার কামিজ। হাতে আলাম নিয়ে তারা মিছিলের জন্য অপেক্ষা করছিল। মিছিলে অংশ নিতে এসেছেন বিপুল সংখ্যক নারী-শিশুরাও।

ইমামবাড়ার ভেতরে সাজানো হয় তাজিয়া। অনেকেই শ্রদ্ধাভরে ছুঁয়ে দিচ্ছিলেন আলামসহ অন্যান্য উপকরণ। তবে কোনো উপকরণ স্পর্শ না করার নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত ফেস্টুন দেখা গেছে বিভিন্ন জায়গায়। অনেকের মুখে ছিল না মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধির বালাই খুব একটা চোখে পড়েনি। তবে ভিড় না করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের আহ্বান জানিয়ে তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ফোরাত নদীর তীরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শাহাদাতবরণ করেন। এ শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিশেষ মোনাজাত, দোয়া মাহফিল ও কোরআনখানি। বরকতময় এ দিনে এবং একই সঙ্গে আগের বা পরের দিনে রোজা রাখা অনেক পূণ্যের কাজ। শিয়া সম্প্রদায় আশুরার দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করে থাকে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

হোসেনি দালান চত্বরে সীমিত ছিল তাজিয়া মিছিল

আপডেট টাইম : ১২:৪০:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২০

 

নিজস্ব প্রতিবেদক: করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির মধ্যে এবার আশুরার দিন পুরান ঢাকার হোসেনি দালান চত্বরে সীমিত পরিসরে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে প্রতিবছরের মতো এবার মূল সড়কে বের হয়নি শিয়াদের ঐতিহ্যবাহী এ তাজিয়া মিছিল।

আশুরা উপলক্ষে রোববার (৩০ আগস্ট) সকাল থেকেই ভক্তদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডের হোসেনি দালান চত্বর।

সকাল ৯টার দিকে নাজিমুদ্দিন রোড এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, হোসেনি দালান যে সড়কে সেখানকার প্রবেশের মুখে ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। সড়কে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন। আর হোসেনি দালান চত্বরে প্রবেশের জন্য মানুষের দীর্ঘলাইন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা একেকজনকে পরীক্ষা করে আর্চওয়ের মধ্যদিয়ে প্রবেশ করাচ্ছিলেন। হোসেনি দালান চত্বরের ভেতরেও অবস্থান নিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

ভেতরে গিয়ে দেখা গেছে, কালো কাবলি ও পাঞ্জাবি পরা তরুণরা ঘোরাফেরা করছে। তরুণীদের গায়ে ছিল কালো সালোয়ার কামিজ। হাতে আলাম নিয়ে তারা মিছিলের জন্য অপেক্ষা করছিল। মিছিলে অংশ নিতে এসেছেন বিপুল সংখ্যক নারী-শিশুরাও।

ইমামবাড়ার ভেতরে সাজানো হয় তাজিয়া। অনেকেই শ্রদ্ধাভরে ছুঁয়ে দিচ্ছিলেন আলামসহ অন্যান্য উপকরণ। তবে কোনো উপকরণ স্পর্শ না করার নিষেধাজ্ঞা সম্বলিত ফেস্টুন দেখা গেছে বিভিন্ন জায়গায়। অনেকের মুখে ছিল না মাস্ক। স্বাস্থ্যবিধির বালাই খুব একটা চোখে পড়েনি। তবে ভিড় না করার জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের আহ্বান জানিয়ে তৎপর থাকতে দেখা গেছে।

হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম মহানবী হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর দৌহিত্র হযরত ইমাম হুসাইন (রা.) কারবালার ফোরাত নদীর তীরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শাহাদাতবরণ করেন। এ শোক ও স্মৃতিকে স্মরণ করে বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বিশেষ মোনাজাত, দোয়া মাহফিল ও কোরআনখানি। বরকতময় এ দিনে এবং একই সঙ্গে আগের বা পরের দিনে রোজা রাখা অনেক পূণ্যের কাজ। শিয়া সম্প্রদায় আশুরার দিনটিকে বিশেষভাবে পালন করে থাকে।


প্রিন্ট