ঢাকা ০৩:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত। গফরগাঁওয়ে পুকুরের পানিতে ডুবে ৩ বছরের ২ শিশুর মৃত্যু কুড়িগ্রামে খ্রিস্টানদের প্রতারণা-হুমকির অভিযোগ, আলেমদের সহায়তায় ইসলামে ফিরলেন দেলু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্ম উৎসব শুভ জন্মাষ্টমী সুনামগঞ্জে জন্মাষ্টমী উদযাপন উপলক্ষে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত তাহিরপুরে দোকানের গোডাউনের তালা ভেঙে ২০ লাখ টাকার মালামাল চুরির মামলায় এক যুবক আটক ‎ সাব্বাস ট্রাফিক পুলিশ নবীপ্রেমে আদাবর ১০ নম্বর এলাকায় মিলাদ মাহফিল, আয়োজনে বশির মাইজভান্ডারী শিবপুরে তৃনমুল থেকে প্রতিভাবান খেলোয়ার চিহ্নিত করন, ও বিকাশের লক্ষ্যে শিক্ষার্থীদের ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত জমি জালিয়াতি, বসতবাড়ি দখলের অভিযোগ; পরিবারের নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন

প্রধানমন্ত্রী: তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

 
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: পারস্পরিক আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সুবিধার জন্য তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় নবনির্মিত বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে দু’দেশের সম্পর্কের ইতিহাস, বিশ্বাস এবং ঐতিহ্যের গভীর ভিত্তি রয়েছে। বাংলাদেশ দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সুবিধার জন্য তুরস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে আগ্রহী।’

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও এ সময় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ প্রসঙ্গে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আমন্ত্রণে ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল আঙ্কারা সফরের কথা স্মরণ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দুদেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রায় ৫০ বছর আগে ১৯৭৪ সালে শুরু হয়েছিল। সরকার এবং তার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার জন্য সরকার ও তুরস্কের জনগণকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তুরস্কের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে, আমি মনে করি রোহিঙ্গা জনগণকে তাদের নিজের দেশে ফিরে যেতে হবে। আমার মনে হয়, তুরস্ক এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।’

করোনা মহামারি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারণে বিশ্ব একটি কঠিন সময় পার করছে। এটি বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।

‘বাংলাদেশে আমরা ভাইরাসটির বিস্তার সফলভাবে রোধ করতে সক্ষম হয়েছি। একই সঙ্গে আমাদের সময়োপযোগী এবং যথাযথ ব্যবস্থা ও প্রণোদনা প্যাকেজগুলো মারাত্মক রোগের বিপর্যয়কর প্রভাব হ্রাস করেছে,’ -বলেন তিনি।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলাট চাভু’র সঙ্গে ভার্চুয়াল এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের নিজস্ব ভবন নির্মাণে বরাদ্দ ছিল ৪৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ভবনটি নির্মাণে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা কম ব্যয় হয়েছে। ওই টাকা বাংলাদেশ সরকারের কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

৪ হাজার ২৮৩ বর্গমিটার আয়তনের দূতাবাস কমপ্লেক্সের মধ্যে অফিস ভবন, রাষ্ট্রদূতের বাসভবন, ‘বিজয় একাত্তর’ নামের ২২৯ আসনের উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন মিলনায়তন, স্বয়ংক্রিয় মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, মসজিদ, ব্যায়ামাগার, বাংলাদেশি সামগ্রীর প্রদশর্ন কেন্দ্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়ে একটি পাঠাগার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগলু, তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দীকী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

হালিশহরে সত্য আর মানবতার মহান ঈদে আজম উপলক্ষে সালাতু সালাম মাহফিল অনুষ্ঠিত।

প্রধানমন্ত্রী: তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে আগ্রহী বাংলাদেশ

আপডেট টাইম : ১২:২৩:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

 
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: পারস্পরিক আস্থা ও আত্মবিশ্বাসের ভিত্তিতে দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সুবিধার জন্য তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় নবনির্মিত বাংলাদেশ চ্যান্সেরি কমপ্লেক্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পারস্পরিক আস্থা ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে দু’দেশের সম্পর্কের ইতিহাস, বিশ্বাস এবং ঐতিহ্যের গভীর ভিত্তি রয়েছে। বাংলাদেশ দু’দেশের দ্বিপক্ষীয় সুবিধার জন্য তুরস্কের সঙ্গে তার সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে আগ্রহী।’

তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ককে বাংলাদেশ অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও এ সময় উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ প্রসঙ্গে তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এবং বর্তমানে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের আমন্ত্রণে ২০১২ সালের ১৩ এপ্রিল আঙ্কারা সফরের কথা স্মরণ করেন।

শেখ হাসিনা বলেন, দুদেশের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক প্রায় ৫০ বছর আগে ১৯৭৪ সালে শুরু হয়েছিল। সরকার এবং তার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা সঙ্কটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার জন্য সরকার ও তুরস্কের জনগণকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে তুরস্কের সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি প্রায় তিন বছর হয়ে গেছে, আমি মনে করি রোহিঙ্গা জনগণকে তাদের নিজের দেশে ফিরে যেতে হবে। আমার মনে হয়, তুরস্ক এ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।’

করোনা মহামারি প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারির কারণে বিশ্ব একটি কঠিন সময় পার করছে। এটি বিশ্বব্যাপী বেশিরভাগ দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলেছে।

‘বাংলাদেশে আমরা ভাইরাসটির বিস্তার সফলভাবে রোধ করতে সক্ষম হয়েছি। একই সঙ্গে আমাদের সময়োপযোগী এবং যথাযথ ব্যবস্থা ও প্রণোদনা প্যাকেজগুলো মারাত্মক রোগের বিপর্যয়কর প্রভাব হ্রাস করেছে,’ -বলেন তিনি।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলাট চাভু’র সঙ্গে ভার্চুয়াল এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন।

আঙ্কারায় বাংলাদেশ দূতাবাসের নিজস্ব ভবন নির্মাণে বরাদ্দ ছিল ৪৫ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। ভবনটি নির্মাণে ২ কোটি ২৬ লাখ টাকা কম ব্যয় হয়েছে। ওই টাকা বাংলাদেশ সরকারের কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।

৪ হাজার ২৮৩ বর্গমিটার আয়তনের দূতাবাস কমপ্লেক্সের মধ্যে অফিস ভবন, রাষ্ট্রদূতের বাসভবন, ‘বিজয় একাত্তর’ নামের ২২৯ আসনের উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন মিলনায়তন, স্বয়ংক্রিয় মেকানিক্যাল ও ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম, মসজিদ, ব্যায়ামাগার, বাংলাদেশি সামগ্রীর প্রদশর্ন কেন্দ্র, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ ও ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং আর্থ-সামাজিক বিষয়ে একটি পাঠাগার।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসগলু, তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আল্লামা সিদ্দীকী।


প্রিন্ট