ঢাকা ০৩:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

কর্দমাক্ত কাঁচা রাস্তা মাড়িয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলছেন জনতার এমপি নিক্সন চৌধুরী

দেশের অধিকাংশ জেলায় শুক্রবার ও শনিবার বৃষ্টি ও দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। কোথাও কোথাও বজ্রপাত ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হয়েছে। এসব ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিজের নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন জনতার এমপি খ্যাত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন এবং সদরপুর উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

প্রতিবেদনের আপনারা যে ছবি ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন ছবিটি ভাষানচর ইউনিয়নের মুন্সী গ্রাম থেকে শনিবার তোলা। কর্দমাক্ত কাঁচা রাস্তা পরিদর্শন করছেন এমপি নিক্সন চৌধুরী। তার পেছনে রয়েছেন ভাষানচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছমির বেপারী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিক্সন চৌধুরী এমপি হওয়ার আগে ফরিদপুর-৪ আসনে তেমন উন্নয়ন হয়নি। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেকে এই অঞ্চলে এমপি নির্বাচিত হলেও উন্নয়নের ধারের কাছেও যাননি। তারা জনগণকে ধোঁকা দিয়েছিলেন। গত ৭ বছরে এমপি মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী অবহেলিত এ জনপদের উন্নয়ন করেছেন। বর্তমানে এই এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। কাঁচা রাস্তা পাকা হচ্ছে। খালে কালভার্ট, নদীতে সেতু হচ্ছে যা সবই নিক্সন চৌধুরীর অবদান।

সদরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান বলেন, নিক্সন চৌধুরীর বলিষ্ঠ হাতের স্পর্শে সব যেন আজ হয়ে উঠেছে স্বর্ণালোকিত। আঁধার কেটে গিয়ে আলোর রোশনাই ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। গত ৭ বছরে হয়েছে এই অভূতপূর্ণ পরিবর্তন। প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলায় অভাবনীয়, উন্নয়ন হয়েছে। গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলায় শহুরে জীবনের গতি এসেছে। বিদ্যুতের আলোয় বদলে গেছে জীবনযাপন পদ্ধতি। আধুনিকতা আর উন্নয়নের ছোঁয়া সর্বত্র। খানাখন্দে ভরা নেই সড়ক। কাঁচা সড়কও তেমন দেখা যায় না। নিক্সন চৌধুরীর বদৌলতে সবকিছু আমূল বদলে গিয়ে এক নতুন জীবন যেন পেয়েছে সবাই।

ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন বলেন, নিক্সন চৌধুরী সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে তিনি আজ সর্বজননন্দিত নেতা। মানুষের ভালোবাসায় এ জনপদের মাটি আর মানুষের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন ‘রাজনীতি করতে হলে জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনগণের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তাদের ন্যায্যতা যেন হরণ না হয় তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।’ এ বিশ্বাস ধারণ করেই তিনি জনগণের সুখ-দুঃখের সাথী। জনপ্রতিনিধি হিসেবে গত ৭ বছরে নিজের স্বীয় অবস্থান তৈরি করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে উঠেছেন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

কর্দমাক্ত কাঁচা রাস্তা মাড়িয়ে উন্নয়নের পথে এগিয়ে চলছেন জনতার এমপি নিক্সন চৌধুরী

আপডেট টাইম : ১০:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০

দেশের অধিকাংশ জেলায় শুক্রবার ও শনিবার বৃষ্টি ও দমকা থেকে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে গেছে। কোথাও কোথাও বজ্রপাত ও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টিও হয়েছে। এসব ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে নিজের নির্বাচনি এলাকার উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিদর্শন করেছেন জনতার এমপি খ্যাত ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, চরভদ্রাসন এবং সদরপুর উপজেলা) আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান চৌধুরী নিক্সন।

প্রতিবেদনের আপনারা যে ছবি ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন ছবিটি ভাষানচর ইউনিয়নের মুন্সী গ্রাম থেকে শনিবার তোলা। কর্দমাক্ত কাঁচা রাস্তা পরিদর্শন করছেন এমপি নিক্সন চৌধুরী। তার পেছনে রয়েছেন ভাষানচর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছমির বেপারী।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিক্সন চৌধুরী এমপি হওয়ার আগে ফরিদপুর-৪ আসনে তেমন উন্নয়ন হয়নি। মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়ে অনেকে এই অঞ্চলে এমপি নির্বাচিত হলেও উন্নয়নের ধারের কাছেও যাননি। তারা জনগণকে ধোঁকা দিয়েছিলেন। গত ৭ বছরে এমপি মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী অবহেলিত এ জনপদের উন্নয়ন করেছেন। বর্তমানে এই এলাকায় ব্যাপক উন্নয়ন হচ্ছে। কাঁচা রাস্তা পাকা হচ্ছে। খালে কালভার্ট, নদীতে সেতু হচ্ছে যা সবই নিক্সন চৌধুরীর অবদান।

সদরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান বলেন, নিক্সন চৌধুরীর বলিষ্ঠ হাতের স্পর্শে সব যেন আজ হয়ে উঠেছে স্বর্ণালোকিত। আঁধার কেটে গিয়ে আলোর রোশনাই ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। গত ৭ বছরে হয়েছে এই অভূতপূর্ণ পরিবর্তন। প্রতিটি গ্রাম, ইউনিয়ন, উপজেলায় অভাবনীয়, উন্নয়ন হয়েছে। গ্রাম, ইউনিয়ন ও উপজেলায় শহুরে জীবনের গতি এসেছে। বিদ্যুতের আলোয় বদলে গেছে জীবনযাপন পদ্ধতি। আধুনিকতা আর উন্নয়নের ছোঁয়া সর্বত্র। খানাখন্দে ভরা নেই সড়ক। কাঁচা সড়কও তেমন দেখা যায় না। নিক্সন চৌধুরীর বদৌলতে সবকিছু আমূল বদলে গিয়ে এক নতুন জীবন যেন পেয়েছে সবাই।

ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন বলেন, নিক্সন চৌধুরী সততা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে কাজ করে তিনি আজ সর্বজননন্দিত নেতা। মানুষের ভালোবাসায় এ জনপদের মাটি আর মানুষের নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন ‘রাজনীতি করতে হলে জনগণের পাশে থাকতে হবে, জনগণের মৌলিক অধিকার সম্পর্কে সচেতন হতে হবে। তাদের ন্যায্যতা যেন হরণ না হয় তা নিশ্চিতে পদক্ষেপ নিতে হবে।’ এ বিশ্বাস ধারণ করেই তিনি জনগণের সুখ-দুঃখের সাথী। জনপ্রতিনিধি হিসেবে গত ৭ বছরে নিজের স্বীয় অবস্থান তৈরি করেছেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হয়ে উঠেছেন অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত।


প্রিন্ট