ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৮ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,, কুড়িগ্রাম সদরে ঘোগাদাহে ১০ বছরে ব্রীজ নির্মাণের অভাবে ১০ হাজার মানুষের চরম দুর্ভোগ পটুয়াখালী পায়রা সেতু এলাকায় র‌্যাবের অভিযানে পিকআপের গোপন চেম্বার থেকে ৬৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার জেলা প্রশাসনের উচ্ছেদ অভিযানে ওয়াকফের ১৩.০৮ শতক জমি উদ্ধার স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ অর্থমন্ত্রীর জেট ফুয়েলের দাম কমলো লিটার প্রতি ১৯ টাকা পর্তুগালের কোচের পদ ছাড়ছেন রবার্তো মার্টিনেজ গ্রাম আদালতে কম খরচে, স্বল্প সময়ে বিরোধ নিষ্পত্তি হয়-এটিএম কামরুল ইসলাম দেশে বছরে তরল দুধ উৎপাদন সক্ষমতা ১ কোটি ৫৫ লাখ ৩৮ হাজার টন : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে ড্রাগন চাষে চমক দেখালেন শিক্ষক নাঈম

প্রতারক লিটনের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতির বিস্তর অভিযোগ

 

‘বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে টাকা আদায়ের জন্য সমাজের বিশিষ্টজন ও সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে ফেসবুকে গুজব ছড়ানো ছিল প্রতারক সিকদার লিটনের অন্যতম প্রধান কাজ। যতটুকু জানি লিটন খুবই লোভী ও প্রতারক। এলাকার গুণী-মানি ব্যক্তিদের নিয়ে আজেবাজে পোস্ট দিয়ে টাকা আদায় তার পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমাকে নিয়েও ফেসবুকে সে মিথ্যা কথা লিখেছিল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) করেছিলাম।’

কথাগুলো বলছিলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন।

সাইবার অপরাধের মামলায় কারাবন্দি প্রতারক সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগের কথা জানিয়ে এই সাংবাদিক নেতা বলেন, আমাকে নিয়ে প্রতারক সিকদার লিটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা কথা লিখেছিল। আমি নাকি কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছি। সাংবাদিক নেতা হলেও আমার বিরুদ্ধে সে এভাবে লিখেছিল। পরে তার বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) করেছিলাম। থানা পুলিশ অভিযোগটি আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তা তদন্তাধীন।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার চরডাঙ্গা গ্রামের সিদ্দিক সিকদারের ছেলে সিকদার লিটন স্থানীয় লোকজনের কাছে প্রতারক ও ছদ্মবেশী অপরাধী হিসেবে পরিচিত। এলাকার মানুষকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেয়ার নাম করে সে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে এই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৮। এরপর রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় সিআইডি।

সাংবাদিক এনায়েত হোসেন আরও বলেন, প্রতারক লিটন আলফাডাঙ্গার পৌর মেয়র সাইফুর রহমান সাইফারকে নিয়ে ফেসবুকে বাজে মন্তব্য করেছিল। তার নাকি (সাইফার) ঢাকায় তিন-চারটা বাড়ি আছে। তিনি নাকি শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন। এভাবে অনেক সম্মানী ব্যক্তিকে নিয়ে ফেসবুকে লিখেছে; গুজব ছড়িয়েছে সিকদার লিটন। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড এলাকার মানুষের মুখে মুখে।কারাবন্দি প্রতারক সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন অন্ত নেই।

প্রতিদিনই ভুক্তভোগী মানুষের কাছ থেকে লিটনের শঠতা ও প্রতারণার তথ্য আসছে। মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো, তঞ্চকতা, ফেসবুকে মানহানিকর পোস্ট দিয়ে টাকা হাতানোর ধান্দাবাজি ছিল তার পেশা।

ভয়ংকর এই প্রতারকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যাচেষ্টা, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন অভিযোগে ডজনখানেক মামলা রয়েছে। এমন কোনো অপরাধ নেই, যার সঙ্গে জড়িত ছিল না সিকদার লিটন। নিজের শ্বশুরের নামেও পাঁচটি মামলা করেছিল এই প্রতারক।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে না দেয়াতে এক কলেজ ছাত্রী আ/ত্মহত্যা,,,

প্রতারক লিটনের বিরুদ্ধে আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাব সভাপতির বিস্তর অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:০২:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২০

 

‘বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলে টাকা আদায়ের জন্য সমাজের বিশিষ্টজন ও সম্মানিত ব্যক্তিদের নিয়ে ফেসবুকে গুজব ছড়ানো ছিল প্রতারক সিকদার লিটনের অন্যতম প্রধান কাজ। যতটুকু জানি লিটন খুবই লোভী ও প্রতারক। এলাকার গুণী-মানি ব্যক্তিদের নিয়ে আজেবাজে পোস্ট দিয়ে টাকা আদায় তার পেশা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমাকে নিয়েও ফেসবুকে সে মিথ্যা কথা লিখেছিল। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) করেছিলাম।’

কথাগুলো বলছিলেন ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. এনায়েত হোসেন।

সাইবার অপরাধের মামলায় কারাবন্দি প্রতারক সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে অসংখ্য অভিযোগের কথা জানিয়ে এই সাংবাদিক নেতা বলেন, আমাকে নিয়ে প্রতারক সিকদার লিটন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা কথা লিখেছিল। আমি নাকি কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি করেছি। সাংবাদিক নেতা হলেও আমার বিরুদ্ধে সে এভাবে লিখেছিল। পরে তার বিরুদ্ধে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ (জিডি) করেছিলাম। থানা পুলিশ অভিযোগটি আদালতে পাঠায়। বর্তমানে তা তদন্তাধীন।

ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার চরডাঙ্গা গ্রামের সিদ্দিক সিকদারের ছেলে সিকদার লিটন স্থানীয় লোকজনের কাছে প্রতারক ও ছদ্মবেশী অপরাধী হিসেবে পরিচিত। এলাকার মানুষকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে চাকরি দেয়ার নাম করে সে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে এই প্রতারককে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব-৮। এরপর রাজধানীর কলাবাগান থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখায় সিআইডি।

সাংবাদিক এনায়েত হোসেন আরও বলেন, প্রতারক লিটন আলফাডাঙ্গার পৌর মেয়র সাইফুর রহমান সাইফারকে নিয়ে ফেসবুকে বাজে মন্তব্য করেছিল। তার নাকি (সাইফার) ঢাকায় তিন-চারটা বাড়ি আছে। তিনি নাকি শত শত কোটি টাকার দুর্নীতি করেছেন। এভাবে অনেক সম্মানী ব্যক্তিকে নিয়ে ফেসবুকে লিখেছে; গুজব ছড়িয়েছে সিকদার লিটন। তার এ ধরনের কর্মকাণ্ড এলাকার মানুষের মুখে মুখে।কারাবন্দি প্রতারক সিকদার লিটনের বিরুদ্ধে অভিযোগের যেন অন্ত নেই।

প্রতিদিনই ভুক্তভোগী মানুষের কাছ থেকে লিটনের শঠতা ও প্রতারণার তথ্য আসছে। মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো, তঞ্চকতা, ফেসবুকে মানহানিকর পোস্ট দিয়ে টাকা হাতানোর ধান্দাবাজি ছিল তার পেশা।

ভয়ংকর এই প্রতারকের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় হত্যাচেষ্টা, প্রতারণা, চাঁদাবাজি, সাইবার অপরাধসহ বিভিন্ন অভিযোগে ডজনখানেক মামলা রয়েছে। এমন কোনো অপরাধ নেই, যার সঙ্গে জড়িত ছিল না সিকদার লিটন। নিজের শ্বশুরের নামেও পাঁচটি মামলা করেছিল এই প্রতারক।


প্রিন্ট