ঢাকা ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন জোনাকী শিল্পীগোষ্টি সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন নবনিযুক্ত গাইবান্ধা ডিসিকে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ফুলেল শুভেচ্ছা। সুনামগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকারের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন সুনামগঞ্জ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের নেতৃবৃন্দরা রিংকি হত্যা: ন্যায়বিচারের দাবিতে উলিপুরে মানববন্ধন বঙ্গভবনে নব নির্বাচিত রাষ্ট্রপতির কার্যক্রম শুরু স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতে একসঙ্গে কাজ করতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর আহ্বান সাত বছর পর নাটকে ফিরলেন শার্লিন ফারজানা `২৪-এর আন্দোলন ফাইনাল যুদ্ধ নয়, এটা ছিল যুদ্ধের রিহার্সেল’ অস্ট্রেলিয়া সফরের অভিজ্ঞতা সামনে কাজে লাগাতে চান শান্ত

যেভাবে বুঝবেন অতিরিক্ত রাগ না-কি মানসিক রোগ

নিউজ ডেস্ক : অতিরিক্ত রাগের বশে অনেকেই ভুল কাজ করে ফেলেন। এর ফলে পারিবারিক শান্তি নষ্ট হয়। পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও দুর্দশা নেমে আসে। এজন্যই বলা হয়, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।

ভালো লাগার কারণে মানুষ যেমন খুশি হয়ে থাকেন; ঠিক তেমনই খারাপ লাগার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে রাগ-ক্ষোভ প্রকাশ পায়। তবে খারাপ লাগলেই যে রাগে ফেটে পড়তে হবে, তা কিন্তু নয়। বরং ঠান্ডা মাথায় যেকোনো সমস্যার সমাধান দ্রুত করা সম্ভব।

যদিও রাগ মানুষের স্বাভাবিক অভিব্যক্তি। তবে অতিরিক্ত রেগে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ার বিষয়টি মোটেও স্বাভাবিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। মাদকাসক্তি কিংবা মানসিক রোগের কারণেই বেশিরভাগ মানুষ অতিরিক্ত রেগে যান।

আপনিও যদি কথায় কথায় রেগে যান; তাহলে অবশ্যই আগে জানতে হবে কী কারণে রেগে যাচ্ছেন। যদি মানসিক রোগের কারণে এমনটি হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তার আগে জানতে হবে, আপনি কেন রেগে যাচ্ছেন?

মানসিক অবসাদ হলো রাগের প্রথম কারণ। এই অসুখের কারণে টানা হতাশা, দুঃখ আসতে পারে। এমন অবস্থায় খুব বেশি দিন থাকলে কথায় কথায় রাগ এবং অভিমান, দুই-ই হতে পারে।

অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার লক্ষণ আরও ইঙ্গিত দেয় বাইপোলার ডিজঅর্ডারের। এই অসুখ থাকলে খানিক পরপরই মনের ভাবে পরিবর্তন আসে। অতিরিক্ত আনন্দের মধ্যেও থাকে রাগের অনুভূতি।

মাদকাসক্ত ব্যক্তিরাও অনেক সময় অতিরিক্ত রাগী প্রকৃতির হয়ে থাকেন। এর কারণ হলো অতিরিক্ত মাদকদ্রব্য শরীরের প্রবেশ করলে হিংস্র ভাব তৈরি করে। চিন্তাশক্তির উপরে মাদকের প্রভাবই এমন করে বলে মত মনোরোগ চিকিৎসকদের।

কীভাবে বুঝবেন রাগ না-কি মানসিক রোগ বাড়ছে আপনার মধ্যে?

কথায় কথায় বিরক্ত হওয়া।
নেতিবাচক ও খারাপ চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাওয়া।
হঠাৎ করেই চেঁচামেচি করা।
উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধরফরের মতো শারীরিক সমস্যা বেড়ে যাওয়া।
সাধারণ কোনো ঘটনাতেও আকস্মিক চুপ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি মানসিক রোগের লক্ষণ।

কীভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনবেন?

অতিরিক্ত রাগের কারণ বুঝতে না পেরে অনেকেই ভুল করে ফেলেন। যাকে যা বলার নয় তা বলে ফেলেন। সমাজ, পরিস্থিতি ও পরিবেশ সম্পর্কে তখন স্বভাবতই ভুলে যেতে হয়।

এর ফলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। রাগের বশে অনেক কঠিন সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেন। এ কারণে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তবে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনবেন রাগ?

কথা বলার আগে ভাবুন।
সমস্যায় বিচলিত না হয়ে সমাধান খুঁজুন।
অতিরিক্ত রাগ হলে শ্বাসের ব্যায়াম করুন।
পরিবারের কারও উপর রাগ-ক্ষোভ হলে তার সামনে না গিয়ে একাকি সময় কাটান।
পরিবারের সবার সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন।

ব্যস্ততার ফাঁকেও অবসর সময় কাটান।
পজেটিভ চিন্তা করুন।
রাগ করার আগে পরবর্তীতে কী হবে, সেটি নিয়ে ভাবুন।
নিয়মিত মেডিটেশিন করুন। এতে মনে প্রশান্তি আসে।
কোন উপায়ে বেশি কাজ হচ্ছে, তা কিছু দিনেই বুঝতে পারবেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক আন্দোলন ছাড়া মাদক নির্মূল করা যাবে না। এমপি, ফজলুল হক মিলন

যেভাবে বুঝবেন অতিরিক্ত রাগ না-কি মানসিক রোগ

আপডেট টাইম : ০৭:৫৪:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জুলাই ২০২১

নিউজ ডেস্ক : অতিরিক্ত রাগের বশে অনেকেই ভুল কাজ করে ফেলেন। এর ফলে পারিবারিক শান্তি নষ্ট হয়। পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও দুর্দশা নেমে আসে। এজন্যই বলা হয়, রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন।

ভালো লাগার কারণে মানুষ যেমন খুশি হয়ে থাকেন; ঠিক তেমনই খারাপ লাগার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে রাগ-ক্ষোভ প্রকাশ পায়। তবে খারাপ লাগলেই যে রাগে ফেটে পড়তে হবে, তা কিন্তু নয়। বরং ঠান্ডা মাথায় যেকোনো সমস্যার সমাধান দ্রুত করা সম্ভব।

যদিও রাগ মানুষের স্বাভাবিক অভিব্যক্তি। তবে অতিরিক্ত রেগে জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়ার বিষয়টি মোটেও স্বাভাবিক নয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার বিষয়টি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। মাদকাসক্তি কিংবা মানসিক রোগের কারণেই বেশিরভাগ মানুষ অতিরিক্ত রেগে যান।

আপনিও যদি কথায় কথায় রেগে যান; তাহলে অবশ্যই আগে জানতে হবে কী কারণে রেগে যাচ্ছেন। যদি মানসিক রোগের কারণে এমনটি হয় তবে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। তার আগে জানতে হবে, আপনি কেন রেগে যাচ্ছেন?

মানসিক অবসাদ হলো রাগের প্রথম কারণ। এই অসুখের কারণে টানা হতাশা, দুঃখ আসতে পারে। এমন অবস্থায় খুব বেশি দিন থাকলে কথায় কথায় রাগ এবং অভিমান, দুই-ই হতে পারে।

অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার লক্ষণ আরও ইঙ্গিত দেয় বাইপোলার ডিজঅর্ডারের। এই অসুখ থাকলে খানিক পরপরই মনের ভাবে পরিবর্তন আসে। অতিরিক্ত আনন্দের মধ্যেও থাকে রাগের অনুভূতি।

মাদকাসক্ত ব্যক্তিরাও অনেক সময় অতিরিক্ত রাগী প্রকৃতির হয়ে থাকেন। এর কারণ হলো অতিরিক্ত মাদকদ্রব্য শরীরের প্রবেশ করলে হিংস্র ভাব তৈরি করে। চিন্তাশক্তির উপরে মাদকের প্রভাবই এমন করে বলে মত মনোরোগ চিকিৎসকদের।

কীভাবে বুঝবেন রাগ না-কি মানসিক রোগ বাড়ছে আপনার মধ্যে?

কথায় কথায় বিরক্ত হওয়া।
নেতিবাচক ও খারাপ চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাওয়া।
হঠাৎ করেই চেঁচামেচি করা।
উচ্চ রক্তচাপ, বুক ধরফরের মতো শারীরিক সমস্যা বেড়ে যাওয়া।
সাধারণ কোনো ঘটনাতেও আকস্মিক চুপ হয়ে যাওয়া ইত্যাদি মানসিক রোগের লক্ষণ।

কীভাবে রাগ নিয়ন্ত্রণে আনবেন?

অতিরিক্ত রাগের কারণ বুঝতে না পেরে অনেকেই ভুল করে ফেলেন। যাকে যা বলার নয় তা বলে ফেলেন। সমাজ, পরিস্থিতি ও পরিবেশ সম্পর্কে তখন স্বভাবতই ভুলে যেতে হয়।

এর ফলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। রাগের বশে অনেক কঠিন সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেন। এ কারণে রাগ নিয়ন্ত্রণ করা জরুরি। তবে কীভাবে নিয়ন্ত্রণে আনবেন রাগ?

কথা বলার আগে ভাবুন।
সমস্যায় বিচলিত না হয়ে সমাধান খুঁজুন।
অতিরিক্ত রাগ হলে শ্বাসের ব্যায়াম করুন।
পরিবারের কারও উপর রাগ-ক্ষোভ হলে তার সামনে না গিয়ে একাকি সময় কাটান।
পরিবারের সবার সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন।

ব্যস্ততার ফাঁকেও অবসর সময় কাটান।
পজেটিভ চিন্তা করুন।
রাগ করার আগে পরবর্তীতে কী হবে, সেটি নিয়ে ভাবুন।
নিয়মিত মেডিটেশিন করুন। এতে মনে প্রশান্তি আসে।
কোন উপায়ে বেশি কাজ হচ্ছে, তা কিছু দিনেই বুঝতে পারবেন।


প্রিন্ট