ঢাকা ০৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

চলতি বছর হচ্ছে না প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি প্রাথমিকে ৩২ হাজার সহকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর। তবে করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখনো নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু এখনও পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত নয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। চলতি বছরে এ নিয়োগ পরীক্ষা হচ্ছে এমনটিই ইঙ্গিত দিয়েছে ডিপিই। আগামী বছরের শুরুতে এ নিয়োগ পরীক্ষা হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসায় স্থগিত থাকা নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে বলছে ডিপিই।

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষার ওএমআর শিট ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া প্রশ্নপত্র তৈরির তোড়জোড়ও চলছে।

সূত্র জানায়, পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও চলতি বছর পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। কেননা, অনেকগুলো বড় বড় পাবলিক পরীক্ষা আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে এ সময় পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কেন্দ্র পাওয়া যাবে না। তবে করোনা পরিস্থিতির অবনতি না হলে আগামী বছরের শুরুতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হতে পারে।

এ বিষয়ে ডিপিইর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ জানান, স্কুল-কলেজ খোলার ঘোষণায় আমরা সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছি। ইতোমধ্যে পরীক্ষার ওএমআর শিট ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরির কাজও চলছে। তবে এ বছর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না বলে জানান তিনি।

সোহেল আহমেদ বলেন, পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসির মতো বড় বড় পাবলিক পরীক্ষা এ বছর আয়োজন করা হবে। ফলে চলতি বছর পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। করোনা পরিস্থিতির যদি আর অবনতি না হয় তাহলে আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ৩২ হাজার শিক্ষককে নিয়োগ দেবে সরকার। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। এই নিয়োগে আবেদন পড়ে ১৩ লাখ ৫ হাজারের বেশি।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

চলতি বছর হচ্ছে না প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা

আপডেট টাইম : ১১:৩১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

নিজস্ব প্রতিবেদক : সরকারি প্রাথমিকে ৩২ হাজার সহকারি শিক্ষক নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয় ২০১৯ সালের ১৯ অক্টোবর। তবে করোনাভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এখনো নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আগামী ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু এখনও পরীক্ষা নিতে প্রস্তুত নয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই)। চলতি বছরে এ নিয়োগ পরীক্ষা হচ্ছে এমনটিই ইঙ্গিত দিয়েছে ডিপিই। আগামী বছরের শুরুতে এ নিয়োগ পরীক্ষা হতে পারে বলে জানা গেছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার ঘোষণা আসায় স্থগিত থাকা নিয়োগ পরীক্ষা আয়োজনের সার্বিক প্রস্তুতি শুরু করা হয়েছে বলছে ডিপিই।

ডিপিই সূত্রে জানা গেছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় সহকারী শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে স্কুল-কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকেই পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ইতোমধ্যে পরীক্ষার ওএমআর শিট ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছে। এছাড়া প্রশ্নপত্র তৈরির তোড়জোড়ও চলছে।

সূত্র জানায়, পরীক্ষা গ্রহণের প্রস্তুতি নেওয়া হলেও চলতি বছর পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। কেননা, অনেকগুলো বড় বড় পাবলিক পরীক্ষা আগামী নভেম্বর এবং ডিসেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত হবে। ফলে এ সময় পরীক্ষা আয়োজনের জন্য কেন্দ্র পাওয়া যাবে না। তবে করোনা পরিস্থিতির অবনতি না হলে আগামী বছরের শুরুতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা হতে পারে।

এ বিষয়ে ডিপিইর অতিরিক্ত মহাপরিচালক সোহেল আহমেদ জানান, স্কুল-কলেজ খোলার ঘোষণায় আমরা সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রস্তুতি শুরু করেছি। ইতোমধ্যে পরীক্ষার ওএমআর শিট ছাপানোর কাজ শুরু হয়েছে। প্রশ্নপত্র তৈরির কাজও চলছে। তবে এ বছর পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব না বলে জানান তিনি।

সোহেল আহমেদ বলেন, পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি এবং এইচএসসির মতো বড় বড় পাবলিক পরীক্ষা এ বছর আয়োজন করা হবে। ফলে চলতি বছর পরীক্ষা আয়োজনের সম্ভাবনা নেই। করোনা পরিস্থিতির যদি আর অবনতি না হয় তাহলে আগামী বছরের শুরুতে অর্থাৎ জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারির দিকে পরীক্ষা আয়োজন করা হতে পারে।

প্রাথমিক শিক্ষক হিসেবে ৩২ হাজার শিক্ষককে নিয়োগ দেবে সরকার। এর মধ্যে প্রাক-প্রাথমিক পর্যায়ে নিয়োগ পাবেন ২৫ হাজার ৬৩০ জন। এই নিয়োগে আবেদন পড়ে ১৩ লাখ ৫ হাজারের বেশি।


প্রিন্ট