ঢাকা ১২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

ফিল্ডিং নিয়ে তামিম হতাশ

জিম্বাবুয়েতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারে শুরু। বাংলাদেশের ভাগ্য ফিরেনি নিজেদের পছন্দের ফরম্যাট ওয়ানডেতেও। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। আগের ব্যাটিং করে ৩০৩ রান তুলেছিল তামিম ইকবালের দল। তবুও মাঠ ছাড়তে হয়েছে হারের দুঃখ নিয়ে।

এই হারকে আতশি কাঁচের নিচে নিলে অনেক কিছুই সামনে আসবে। একটা সময় ১ উইকেটে আড়াইশ পেরিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ (লিটন দাস আহত হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন)। সাড়ে তিনশ বা অন্তত ৩৩০ রানের স্কোর খুবই সম্ভব মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ দিকে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ। ফলে থামতে হয়েছে ৩০৩ রানেই।

তার চেয়েও বড় ধাক্কাটা এসেছে ফিল্ডিং থেকে। দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেওয়ার মূল নায়ক জিম্বাবুয়ের দুই ব্যাটার সিকান্দার রাজা ও ইনোসেন্ট কাইয়া। দুজনেরই একাধিক ক্যাচ ছেড়েছেন বাংলাদেশি ফিল্ডাররা।

বাংলাদেশ দলের বাজে ফিল্ডিং বহুদিনের চর্চা। বহু উদ্যোগের কথা বলা হলেও ফিল্ডিংয়ে উন্নতি হয়েছে সামান্যই। আজ ম্যাচ শেষে তামিম বললেন, তিনি জানতেন বারবার ক্যাচ মিস করার মূল্য একদিন না একদিন দিতেই হবে। আজ সেই দিনটা।

ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘প্রতিদিন আমি ক্যাচিংয়ের কথা বলি। কোনো না কোনো দিন তো এটা আমাদের হারের কারণ হতো। এটাই হয়তো সেই দিন ছিল। কারণ, টি-টোয়েন্টিতে আমরা অনেকবার ক্যাচ ফেলেছি। কিন্তু ম্যাচ জিতে গিয়েছি। কিন্তু যখন এমন ভালো উইকেটে আপনি ৪টা ক্যাচ ফেলবেন, তাহলে আপনি বেশি ম্যাচ জিতবেন না। এখন মনে হচ্ছে। এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে পরের ম্যাচের আগে।’

শুধু ক্যাচ ছাড়া নয়, ফিল্ড ফিল্ডিংয়েও দৃষ্টিকটু ভুল করেছেন বাংলাদেশি ফিল্ডাররা। সিঙ্গেল আটকানোর ক্ষেত্রে বা ডাবলসের জায়গায় সিঙ্গেল রান হওয়ার ক্ষেত্রে যেমন ক্ষিপ্র হওয়ার প্রয়োজন তা দেখা যায়নি বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ে।

তামিম পুরো ফিল্ডিং নিয়েই হতাশ, ‘অনেক সহজ রান দিয়েছি। এই মাঠে ২ রান হবে। কারণ, এক পাশটা বিশাল। এটা নিয়ে আমি ভাবছি না। কিন্তু সহজগুলো, যেগুলো সহজেই ডট বল হতে পারত, সেগুলো থামাতে পারলে আমরা আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারতাম। এগুলো অবশ্যই কষ্ট দেয়।’

তামিম বলেন, ‘আমি সব সময়ই বলি, হারের পর অনেক কিছুর দিকেই আঙুল তোলা যায়। কিন্তু এই কথাগুলো আমি জিতে এসেও অধিনায়ক হিসেবে বলতাম। জেতার পরও আমি সব সময় বলি, এটা ভুলে গেলে হবে না যে আমরা কী কী জায়গায় ভুল করেছি। আজকের দিনটা দারুণ একটা উদাহরণ—এত দিন যে আমরা ক্যাচ ফেলে, বাজে ফিল্ডিং করেও জিতেছি, একদিন না একদিন এটা আপনাকে এসে ধরতই। আজকেই সেই দিনটা।’

শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়াকেও দুষেছেন তামিম। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে ১৫-২০ রান কম তুলেছে বাংলাদেশ, ‘আমাদের আরও ১৫-২০ রান বেশি করা উচিত ছিল। আমরা ১ উইকেটে ২৫০ রানের মতো অবস্থায় ছিলাম। এ অবস্থায় থাকলে একটু দ্রুত রান তোলা দরকার ছিল, যেন আমরা ওই অতিরিক্ত ১৫-২০ রান করতে পারি।’


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

ফিল্ডিং নিয়ে তামিম হতাশ

আপডেট টাইম : ০৮:৪২:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ অগাস্ট ২০২২

জিম্বাবুয়েতে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারে শুরু। বাংলাদেশের ভাগ্য ফিরেনি নিজেদের পছন্দের ফরম্যাট ওয়ানডেতেও। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে আজ ৫ উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। আগের ব্যাটিং করে ৩০৩ রান তুলেছিল তামিম ইকবালের দল। তবুও মাঠ ছাড়তে হয়েছে হারের দুঃখ নিয়ে।

এই হারকে আতশি কাঁচের নিচে নিলে অনেক কিছুই সামনে আসবে। একটা সময় ১ উইকেটে আড়াইশ পেরিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ (লিটন দাস আহত হয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন)। সাড়ে তিনশ বা অন্তত ৩৩০ রানের স্কোর খুবই সম্ভব মনে হচ্ছিল। কিন্তু শেষ দিকে মুশফিকুর রহিম ও মাহমুদউল্লাহ দ্রুত রান তুলতে ব্যর্থ। ফলে থামতে হয়েছে ৩০৩ রানেই।

তার চেয়েও বড় ধাক্কাটা এসেছে ফিল্ডিং থেকে। দুর্দান্ত দুটি সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে হারিয়ে দেওয়ার মূল নায়ক জিম্বাবুয়ের দুই ব্যাটার সিকান্দার রাজা ও ইনোসেন্ট কাইয়া। দুজনেরই একাধিক ক্যাচ ছেড়েছেন বাংলাদেশি ফিল্ডাররা।

বাংলাদেশ দলের বাজে ফিল্ডিং বহুদিনের চর্চা। বহু উদ্যোগের কথা বলা হলেও ফিল্ডিংয়ে উন্নতি হয়েছে সামান্যই। আজ ম্যাচ শেষে তামিম বললেন, তিনি জানতেন বারবার ক্যাচ মিস করার মূল্য একদিন না একদিন দিতেই হবে। আজ সেই দিনটা।

ম্যাচ শেষে তামিম বলেন, ‘প্রতিদিন আমি ক্যাচিংয়ের কথা বলি। কোনো না কোনো দিন তো এটা আমাদের হারের কারণ হতো। এটাই হয়তো সেই দিন ছিল। কারণ, টি-টোয়েন্টিতে আমরা অনেকবার ক্যাচ ফেলেছি। কিন্তু ম্যাচ জিতে গিয়েছি। কিন্তু যখন এমন ভালো উইকেটে আপনি ৪টা ক্যাচ ফেলবেন, তাহলে আপনি বেশি ম্যাচ জিতবেন না। এখন মনে হচ্ছে। এটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে পরের ম্যাচের আগে।’

শুধু ক্যাচ ছাড়া নয়, ফিল্ড ফিল্ডিংয়েও দৃষ্টিকটু ভুল করেছেন বাংলাদেশি ফিল্ডাররা। সিঙ্গেল আটকানোর ক্ষেত্রে বা ডাবলসের জায়গায় সিঙ্গেল রান হওয়ার ক্ষেত্রে যেমন ক্ষিপ্র হওয়ার প্রয়োজন তা দেখা যায়নি বাংলাদেশের ফিল্ডিংয়ে।

তামিম পুরো ফিল্ডিং নিয়েই হতাশ, ‘অনেক সহজ রান দিয়েছি। এই মাঠে ২ রান হবে। কারণ, এক পাশটা বিশাল। এটা নিয়ে আমি ভাবছি না। কিন্তু সহজগুলো, যেগুলো সহজেই ডট বল হতে পারত, সেগুলো থামাতে পারলে আমরা আরও চাপ সৃষ্টি করতে পারতাম। এগুলো অবশ্যই কষ্ট দেয়।’

তামিম বলেন, ‘আমি সব সময়ই বলি, হারের পর অনেক কিছুর দিকেই আঙুল তোলা যায়। কিন্তু এই কথাগুলো আমি জিতে এসেও অধিনায়ক হিসেবে বলতাম। জেতার পরও আমি সব সময় বলি, এটা ভুলে গেলে হবে না যে আমরা কী কী জায়গায় ভুল করেছি। আজকের দিনটা দারুণ একটা উদাহরণ—এত দিন যে আমরা ক্যাচ ফেলে, বাজে ফিল্ডিং করেও জিতেছি, একদিন না একদিন এটা আপনাকে এসে ধরতই। আজকেই সেই দিনটা।’

শেষ দিকে দ্রুত রান তোলার সুযোগ কাজে লাগাতে ব্যর্থ হওয়াকেও দুষেছেন তামিম। বাংলাদেশ অধিনায়কের মতে ১৫-২০ রান কম তুলেছে বাংলাদেশ, ‘আমাদের আরও ১৫-২০ রান বেশি করা উচিত ছিল। আমরা ১ উইকেটে ২৫০ রানের মতো অবস্থায় ছিলাম। এ অবস্থায় থাকলে একটু দ্রুত রান তোলা দরকার ছিল, যেন আমরা ওই অতিরিক্ত ১৫-২০ রান করতে পারি।’


প্রিন্ট