ঢাকা ০৭:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাক্ষী না আসায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল তিন দশকের অবদানে বিশেষ সম্মাননা পেলেন রানি মুখার্জি গণমাধ্যম স্বাধীন না হলে গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে না : রিজভী হংকংয়ের সঙ্গে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বহুমুখী রপ্তানিতে জোর এজবাস্টনে লজ্জার রেকর্ড পাকিস্তানের, প্রথম দিনেই লিড ইংল্যান্ডের বিশ্বে রেকর্ড উষ্ণতম মাস আগস্ট গাজায় ইসরাইলি হা/ম/লায় একই পরিবারের ৪ সদস্য নি/হত ধর্মীয় নেতা ও সেবাকর্মীদের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মানিতে ১,১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: ধর্মমন্ত্রী বিএমইউতে আত্মহ/ত্যা প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র‌্যালি ও সেমিনার অনুষ্ঠিত বরিশাল বোর্ডে পুনর্নিরীক্ষণে পাস করেছে ৭৯ এসএসসি পরীক্ষার্থী

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়লেন কাজী সিরাজুল ইসলাম

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়েছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি গত কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ডিসেম্বরে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে যে নতুন কমিটি করা হয়েছে সে কমিটিতে তার নাম ঘোষণা করা হয়নি।

আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে যে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে বা দলের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেসরিলিজ দেওয়া হয়েছে সেখানেও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করার পরে যদিও কিছু গণমাধ্যমে এসেছিল সিরাজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেস লিস্ট বা ওয়েবসাইটে কোথাও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যাদেরকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন তাদের নামের লিস্ট প্রেস লিস্ট আকারে গণমাধ্যম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দলের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে।

কাজী সিরাজুল ইসলামের ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমপি থাকা অবস্থায় ২০০৫ সালের জুনে বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। দল ত্যাগ করার কারণে সংসদ সদস্য পদ হারান তিনি। উপনির্বাচনে তিনি প্রথমে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলেও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে প্রার্থিতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। বিএনপির মনোনয়ন পান শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। কাজী সিরাজুল স্বতন্ত্র নির্বাচন করে পরাজিত হন।

এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। এরপর আবারো আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও কৃষক লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

সাক্ষী না আসায় বেনজীরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়লেন কাজী সিরাজুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ০২:০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়েছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি গত কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ডিসেম্বরে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে যে নতুন কমিটি করা হয়েছে সে কমিটিতে তার নাম ঘোষণা করা হয়নি।

আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে যে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে বা দলের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেসরিলিজ দেওয়া হয়েছে সেখানেও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করার পরে যদিও কিছু গণমাধ্যমে এসেছিল সিরাজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেস লিস্ট বা ওয়েবসাইটে কোথাও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যাদেরকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন তাদের নামের লিস্ট প্রেস লিস্ট আকারে গণমাধ্যম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দলের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে।

কাজী সিরাজুল ইসলামের ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমপি থাকা অবস্থায় ২০০৫ সালের জুনে বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। দল ত্যাগ করার কারণে সংসদ সদস্য পদ হারান তিনি। উপনির্বাচনে তিনি প্রথমে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলেও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে প্রার্থিতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। বিএনপির মনোনয়ন পান শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। কাজী সিরাজুল স্বতন্ত্র নির্বাচন করে পরাজিত হন।

এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। এরপর আবারো আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও কৃষক লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


প্রিন্ট