ঢাকা ১১:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহীতে ১৬টি ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার নরসিংদীর শিবপুরে ৩ মা/দক ব্যাবসায়ী গ্ৰে/ফ/তার সন্ত্রাসের মাধ্যমে অস্থিতিশীল চক্রান্তের প্রতিবাদে পিরোজপুরে স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ পরিবেশকর্মী ও জুলাই যোদ্ধার ওপর হামলার প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে গ্রিন ভয়েসের মানববন্ধন, ও স্মারকলিপি প্রদান উলিপুরে সার বিতরণ পরিদর্শন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর নাজিবের শর্তসাপেক্ষ গৃহবন্দিত্ব অনুমোদন: মালয়েশিয়ায় নতুন বিতর্ক নঈম নিজাম ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে মামলা পোশাক খাতের সমস্যা সমাধানে সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির দুই কার্গো এলএনজি আনছে সরকার

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়লেন কাজী সিরাজুল ইসলাম

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়েছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি গত কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ডিসেম্বরে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে যে নতুন কমিটি করা হয়েছে সে কমিটিতে তার নাম ঘোষণা করা হয়নি।

আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে যে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে বা দলের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেসরিলিজ দেওয়া হয়েছে সেখানেও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করার পরে যদিও কিছু গণমাধ্যমে এসেছিল সিরাজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেস লিস্ট বা ওয়েবসাইটে কোথাও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যাদেরকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন তাদের নামের লিস্ট প্রেস লিস্ট আকারে গণমাধ্যম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দলের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে।

কাজী সিরাজুল ইসলামের ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমপি থাকা অবস্থায় ২০০৫ সালের জুনে বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। দল ত্যাগ করার কারণে সংসদ সদস্য পদ হারান তিনি। উপনির্বাচনে তিনি প্রথমে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলেও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে প্রার্থিতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। বিএনপির মনোনয়ন পান শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। কাজী সিরাজুল স্বতন্ত্র নির্বাচন করে পরাজিত হন।

এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। এরপর আবারো আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও কৃষক লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহীতে ১৬টি ককটেল ও পেট্রোল বোমা উদ্ধার

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়লেন কাজী সিরাজুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ০২:০৭:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৩

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ থেকে বাদ পড়েছেন কাজী সিরাজুল ইসলাম। তিনি গত কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ছিলেন।

ডিসেম্বরে দলের ২২তম জাতীয় সম্মেলনের মাধ্যমে যে নতুন কমিটি করা হয়েছে সে কমিটিতে তার নাম ঘোষণা করা হয়নি।

আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইটে যে উপদেষ্টা পরিষদ সদস্যদের নামের তালিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে বা দলের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেসরিলিজ দেওয়া হয়েছে সেখানেও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করার পরে যদিও কিছু গণমাধ্যমে এসেছিল সিরাজুল ইসলাম আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য। কিন্তু আওয়ামী লীগের দপ্তর থেকে পাঠানো প্রেস লিস্ট বা ওয়েবসাইটে কোথাও সিরাজুল ইসলামের নাম দেখা যায়নি।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক সায়েম খান বলেন, ‘আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা যাদেরকে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হিসেবে মনোনীত করেছেন তাদের নামের লিস্ট প্রেস লিস্ট আকারে গণমাধ্যম পাঠানো হয়েছে। এছাড়া দলের ওয়েবসাইটেও দেওয়া হয়েছে।

কাজী সিরাজুল ইসলামের ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৯৬ এবং ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে ফরিদপুর-১ (মধুখালী, আলফাডাঙ্গা ও বোয়ালমারী) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এমপি থাকা অবস্থায় ২০০৫ সালের জুনে বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে আওয়ামী লীগ ছেড়ে বিএনপিতে যোগদান করেন। দল ত্যাগ করার কারণে সংসদ সদস্য পদ হারান তিনি। উপনির্বাচনে তিনি প্রথমে বিএনপি থেকে দলীয় মনোনয়ন পেলেও তৃণমূল নেতা-কর্মীদের প্রবল প্রতিরোধের মুখে প্রার্থিতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। বিএনপির মনোনয়ন পান শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। কাজী সিরাজুল স্বতন্ত্র নির্বাচন করে পরাজিত হন।

এরপর ২০০৮ সালের ডিসেম্বরের নবম সংসদ নির্বাচনে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে পরাজিত হন। এরপর আবারো আওয়ামী লীগে যোগ দেন। এর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও কৃষক লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


প্রিন্ট