ঢাকা ১২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ

কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কে প্রায় ঘটে থাকে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। তিন চাকার গাড়ির বেপরোয়া গতিই দুর্ঘটনার প্রধান মাধ্যম বলে জানায় কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগ। শহরে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পর্যটক ও স্থানীয়দের কথা বিবেচনায় নিয়ে তিন চাকার গাড়ির অবৈধ বাম্পারগুলো উঠিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা ট্রাফিক পুলিশ। এতে চালকরা সচেতনভাবে ও সীমিত গতিতে গাড়ি চালাবে। ফলে কমে আসবে দুর্ঘটনা।

সম্প্রতি কক্সবাজার শহরে ঘটে যাওয়া কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে জানা গেছে- সড়কগুলো প্রশস্ত ও বেশ বড়সড় হওয়ায় অটো, টমটম ও ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো অতিরিক্ত গতিতে চলাফেরা করছে। এই বেপরোয়া গতির কারণে অনেক সময় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। প্রায় প্রতিদিনই সড়ক দুর্ঘটনায় অনেক মানুষকে অসময়ে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে।

তাই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ও নিরাপদ সড়ক কর্মসূচির আওতায় ছোট যানবাহনের অবৈধ বাম্পারগুলো খুলে ফেলার সাঁড়াশি উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ কক্সবাজার। এরই অংশ হিসেবে বুধবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের জাম্বুর মোড় ও লাবনী চৌরাস্তা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ চেকপোস্ট করে সিএনজি ও টমটম এর বাম্পারে রং দিয়ে চিহ্নিত করে চালকদের অবৈধ বাম্পার খুলে ফেলার নির্দেশনা দিয়ে এই প্রচার অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, কক্সবাজার শহরের সড়কের প্রস্থ অনেক বড় হয়েছে। রাস্তা ভালো হয়েছে। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না। এখানে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (টমটম) এর অনিয়ন্ত্রিত ও বেপরোয়া গতি।

ছোট যাববাহনের বেপরোয়া গতি কমাতে গাড়ির বাম্পার সরিয়ে নিতে চালকদের বোঝানোর জন্য এই অভিযান চালাচ্ছি। গতকাল প্রথমদিনে লাল রং দিয়ে বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দিচ্ছি। যদি আগামী দুইদিনের মধ্যে তারা বাম্পার না খুলে, তবে চিহ্ন দেখে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিরাপদ সড়ক আইন ও ট্রাফিক আইনসহ নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভবিষ্যতে জেলায় এ রকম আরো কার্যক্রম চলমান থাকবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

সড়ক দুর্ঘটনা রোধে কক্সবাজার ট্রাফিক পুলিশের বিশেষ উদ্যোগ

আপডেট টাইম : ০৯:০৪:৫৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ মে ২০২৩

কক্সবাজার শহরের প্রধান সড়কে প্রায় ঘটে থাকে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। তিন চাকার গাড়ির বেপরোয়া গতিই দুর্ঘটনার প্রধান মাধ্যম বলে জানায় কক্সবাজার ট্রাফিক বিভাগ। শহরে অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা প্রতিরোধ, পর্যটক ও স্থানীয়দের কথা বিবেচনায় নিয়ে তিন চাকার গাড়ির অবৈধ বাম্পারগুলো উঠিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জেলা ট্রাফিক পুলিশ। এতে চালকরা সচেতনভাবে ও সীমিত গতিতে গাড়ি চালাবে। ফলে কমে আসবে দুর্ঘটনা।

সম্প্রতি কক্সবাজার শহরে ঘটে যাওয়া কয়েকটি সড়ক দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে জানা গেছে- সড়কগুলো প্রশস্ত ও বেশ বড়সড় হওয়ায় অটো, টমটম ও ব্যাটারিচালিত রিকশাগুলো অতিরিক্ত গতিতে চলাফেরা করছে। এই বেপরোয়া গতির কারণে অনেক সময় নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে দুর্ঘটনার সম্মুখীন হতে হয়। প্রায় প্রতিদিনই সড়ক দুর্ঘটনায় অনেক মানুষকে অসময়ে পঙ্গুত্ব বরণ করতে হচ্ছে।

তাই সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ও নিরাপদ সড়ক কর্মসূচির আওতায় ছোট যানবাহনের অবৈধ বাম্পারগুলো খুলে ফেলার সাঁড়াশি উদ্যোগ নিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ কক্সবাজার। এরই অংশ হিসেবে বুধবার বিকেলে কক্সবাজার শহরের জাম্বুর মোড় ও লাবনী চৌরাস্তা এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ চেকপোস্ট করে সিএনজি ও টমটম এর বাম্পারে রং দিয়ে চিহ্নিত করে চালকদের অবৈধ বাম্পার খুলে ফেলার নির্দেশনা দিয়ে এই প্রচার অভিযান চালানো হয়।

কক্সবাজার জেলা ট্রাফিক পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জসিম উদ্দিন চৌধুরী জানান, কক্সবাজার শহরের সড়কের প্রস্থ অনেক বড় হয়েছে। রাস্তা ভালো হয়েছে। কিন্তু সড়ক দুর্ঘটনা কমছে না। এখানে সড়ক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ হচ্ছে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (টমটম) এর অনিয়ন্ত্রিত ও বেপরোয়া গতি।

ছোট যাববাহনের বেপরোয়া গতি কমাতে গাড়ির বাম্পার সরিয়ে নিতে চালকদের বোঝানোর জন্য এই অভিযান চালাচ্ছি। গতকাল প্রথমদিনে লাল রং দিয়ে বিশেষ চিহ্ন দিয়ে দিচ্ছি। যদি আগামী দুইদিনের মধ্যে তারা বাম্পার না খুলে, তবে চিহ্ন দেখে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। নিরাপদ সড়ক আইন ও ট্রাফিক আইনসহ নিয়ম-কানুন সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ভবিষ্যতে জেলায় এ রকম আরো কার্যক্রম চলমান থাকবে।


প্রিন্ট