ঢাকা ০৩:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

কোচিং সেন্টারে ছাত্রীকে ধর্ষণ, কারাগারে শিক্ষক

গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকায় কোচিং সেন্টারে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। পাশাপাশি তার মুঠোফোন থেকে ধর্ষণের ভিডিও জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন ওরফে সাগর (৩০)। তার বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার শরীফ সুন্দর বাজার এলাকায়। দেলোয়ার গাজিপুরের কোনাবাড়িতে একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও পরিচালক ছিলেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রী ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। ওই বছরের ১ জানুয়ারি দেলোয়ারের কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন তিনি। ১৯ আগস্ট সকালে কোচিংয়ে ক্লাস করতে গেলে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে নিজ কক্ষে ধর্ষণ করেন দেলোয়ার। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখেন তিনি। এ ঘটনা কাউকে জানালে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে ওই ছাত্রীকে হুমকি দেন দেলোয়ার। তাই ওই শিক্ষার্থী ভয়ে কাউকে বিষয়টি জানাননি।

মামলা থেকে জানা যায়, ওই ছাত্রী চলতি বছরের ৩ মে দেলোয়ারের কাছে গিয়ে ভিডিও মুছে ফেলার অনুরোধ করেন। এই সুযোগে ওই দিন আবারো তিনি ধর্ষণ করেন।

এরপর গত ২৮ জুলাই শিক্ষক দেলোয়ার মেয়েটিকে ফোন করে জরুরি ভিত্তিতে কোচিং সেন্টারে তার কক্ষে ডেকে আনেন। আবারো তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিলে রাজি না হয়ে কৌশলে কোচিং সেন্টার থেকে পালিয়ে আসেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার বাড়িতে ওই শিক্ষার্থী তার কক্ষে কান্নাকাটি করছিলেন। এ সময় তার মা কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে ঘটনা খুলে বলেন তিনি।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ হোসেন বলেন, নির্যাতিতা শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগের পরই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

কোচিং সেন্টারে ছাত্রীকে ধর্ষণ, কারাগারে শিক্ষক

আপডেট টাইম : ০৭:১৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৩

গাজীপুরের কোনাবাড়ি এলাকায় কোচিং সেন্টারে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। পাশাপাশি তার মুঠোফোন থেকে ধর্ষণের ভিডিও জব্দ করা হয়েছে।

বুধবার সকালে অভিযুক্ত শিক্ষককে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার রাতে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতার ব্যক্তির নাম দেলোয়ার হোসেন ওরফে সাগর (৩০)। তার বাড়ি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার শরীফ সুন্দর বাজার এলাকায়। দেলোয়ার গাজিপুরের কোনাবাড়িতে একটি কোচিং সেন্টারের শিক্ষক ও পরিচালক ছিলেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ জানায়, ওই ছাত্রী ২০২১ সালে এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। ওই বছরের ১ জানুয়ারি দেলোয়ারের কোচিং সেন্টারে ভর্তি হন তিনি। ১৯ আগস্ট সকালে কোচিংয়ে ক্লাস করতে গেলে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে নিজ কক্ষে ধর্ষণ করেন দেলোয়ার। ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে রাখেন তিনি। এ ঘটনা কাউকে জানালে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে ওই ছাত্রীকে হুমকি দেন দেলোয়ার। তাই ওই শিক্ষার্থী ভয়ে কাউকে বিষয়টি জানাননি।

মামলা থেকে জানা যায়, ওই ছাত্রী চলতি বছরের ৩ মে দেলোয়ারের কাছে গিয়ে ভিডিও মুছে ফেলার অনুরোধ করেন। এই সুযোগে ওই দিন আবারো তিনি ধর্ষণ করেন।

এরপর গত ২৮ জুলাই শিক্ষক দেলোয়ার মেয়েটিকে ফোন করে জরুরি ভিত্তিতে কোচিং সেন্টারে তার কক্ষে ডেকে আনেন। আবারো তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দিলে রাজি না হয়ে কৌশলে কোচিং সেন্টার থেকে পালিয়ে আসেন। বিষয়টি নিয়ে মঙ্গলবার বাড়িতে ওই শিক্ষার্থী তার কক্ষে কান্নাকাটি করছিলেন। এ সময় তার মা কান্নার কারণ জিজ্ঞাসা করলে ঘটনা খুলে বলেন তিনি।

গাজীপুর মহানগর পুলিশের কোনাবাড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আশরাফ হোসেন বলেন, নির্যাতিতা শিক্ষার্থীর মায়ের অভিযোগের পরই অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।


প্রিন্ট