ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

আমরা যুদ্ধে জড়িয়ে গেছি: হিজবুল্লাহ

ইহুদিবাদী ইসরায়েলি সেনারা অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় স্থল অভিযান চালালে ফিলিস্তিনিরা এই উপত্যকাকে দখলদার সেনাদের জন্য কবরস্থানে পরিণত করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ।

শনিবার রাতে হিজবুল্লাহর উপ মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক বক্তব্য এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, আমাদের বিজয় ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই এবং দখলদারদের পরাজয় ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। ইসরায়েলিদের কোনো অপরাধই বিনা জবাবে পার পাবে না বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

হিজবুল্লাহর এই সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, শত্রুরা আজ প্রতিরোধ অক্ষের সক্ষমতা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। তিনি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের ৭ অক্টোবরের আল-আকসা তুফান অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ওই অভিযান ছিল ইসরায়েল নামক কফিনে একটি পেরেক।

শেখ নাঈম কাসেম ইসরায়েলকে সমর্থন করার জন্য পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, পাশ্চাত্য ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তে নিজেদের হাত রঞ্জিত করেছে। তিনি বলেন, এতদিন পশ্চিমারা ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক’ যে সমাধানের কথা বলে এসেছে তা যে ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছু ছিল না তা এখন স্পষ্ট হয়েছে।

হিজবুল্লাহর উপ মহাসচিব বলেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বেসামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের টার্গেট করে গাজা উপত্যকায় একটি পদ্ধতিগত গণহত্যা চালাচ্ছে।

হিজবুল্লাহকে চলমান যুদ্ধে হস্তক্ষেপ না করার জন্য বহু পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেন শেখ নাঈম কাসেম। তবে তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের ঠিক মাঝখানে ঢুকে পড়েছি এবং এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আর সুযোগ নেই। হিজবুল্লাহর এই সিনিয়র নেতা বলেন, যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে তাদেরকে আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, আগে দখলদার সেনাদেরকে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে, তবেই এ যুদ্ধের বিস্তার রোধ করা যাবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

আমরা যুদ্ধে জড়িয়ে গেছি: হিজবুল্লাহ

আপডেট টাইম : ০২:০৩:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৩

ইহুদিবাদী ইসরায়েলি সেনারা অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় স্থল অভিযান চালালে ফিলিস্তিনিরা এই উপত্যকাকে দখলদার সেনাদের জন্য কবরস্থানে পরিণত করবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহ।

শনিবার রাতে হিজবুল্লাহর উপ মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত এক বক্তব্য এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, আমাদের বিজয় ছাড়া অন্য কোনো পথ নেই এবং দখলদারদের পরাজয় ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই। ইসরায়েলিদের কোনো অপরাধই বিনা জবাবে পার পাবে না বলেও তিনি সতর্ক করে দেন।

হিজবুল্লাহর এই সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, শত্রুরা আজ প্রতিরোধ অক্ষের সক্ষমতা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে। তিনি ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ সংগঠন হামাসের ৭ অক্টোবরের আল-আকসা তুফান অভিযানের ভূয়সী প্রশংসা করে বলেন, ওই অভিযান ছিল ইসরায়েল নামক কফিনে একটি পেরেক।

শেখ নাঈম কাসেম ইসরায়েলকে সমর্থন করার জন্য পশ্চিমা বিশ্বের তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, পাশ্চাত্য ফিলিস্তিনি জনগণের রক্তে নিজেদের হাত রঞ্জিত করেছে। তিনি বলেন, এতদিন পশ্চিমারা ‘দুই রাষ্ট্রভিত্তিক’ যে সমাধানের কথা বলে এসেছে তা যে ভাওতাবাজি ছাড়া আর কিছু ছিল না তা এখন স্পষ্ট হয়েছে।

হিজবুল্লাহর উপ মহাসচিব বলেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল ফিলিস্তিনি বেসামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের টার্গেট করে গাজা উপত্যকায় একটি পদ্ধতিগত গণহত্যা চালাচ্ছে।

হিজবুল্লাহকে চলমান যুদ্ধে হস্তক্ষেপ না করার জন্য বহু পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলে নিশ্চিত করেন শেখ নাঈম কাসেম। তবে তিনি বলেন, আমরা এখন যুদ্ধের ঠিক মাঝখানে ঢুকে পড়েছি এবং এখান থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আর সুযোগ নেই। হিজবুল্লাহর এই সিনিয়র নেতা বলেন, যারা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে তাদেরকে আমরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি, আগে দখলদার সেনাদেরকে আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে, তবেই এ যুদ্ধের বিস্তার রোধ করা যাবে।


প্রিন্ট