ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

শেষ হলো ডিসি সম্মেলন স্থানীয় নির্বাচন আগে চান ডিসিরাও

সিটিজেন প্রতিবেদক: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হয়রানীমুক্তভাবে সরকারের সেবা জনগনের কাছে পৌঁছে দেওয়া, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা চ্যালেঞ্জ ও নীতি নির্ধারকদের দিক নির্দেশনা নিয়ে শেষ হলো তিনদিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন, সম্মেলন থেকে যে দিক নির্দেশনা জেলা প্রশাকরা পেয়েছেন, সেসব তাদের কাজকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।এবারের ডিসি সম্মেলন শুরু হয় গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে। আর শেষ হয়েছে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে। সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে মোট ৩৪টি কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। আর ৩৫৪টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, জেলা-উপজেলার চিকিৎসক-ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কর আদায়, সড়ক দুর্ঘটনা কমানোয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর অবস্থান, নির্বাচনে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগসহ নানা দিকনির্দেশনা পেয়েছেন ডিসিরা।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে তার সঙ্গে ডিসিদের মুক্ত আলোচনা হয়। এসময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ডিসিদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা সরকারের সর্বোচ্চ বিবেচ্য বিষয়। এতে আমরা কতটুকু অগ্রসর হলাম, কী করণীয় তা নির্ধারণ করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বিফল হওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে সরকার। একেক জন ডিসি একেক জেলার দায়িত্বে থাকেন। সেখানে পুলিশ প্রশাসনের কাজ কী, সিভিলে প্রশাসনের কাজ কী-তা সবই জানা। সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের উপায় বের করতে হবে।

ডিসিদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, এটাই সুযোগ নিজেকে প্রকাশ করার, সৃজনশীলতা প্রকাশ করার। গৎবাঁধা কাজ থাকবে, তবে সৃজনশীলতাও থাকতে হবে। এছাড়া আরও নানা দিকনির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

শেষ হলো ডিসি সম্মেলন স্থানীয় নির্বাচন আগে চান ডিসিরাও

আপডেট টাইম : ০১:০৪:২৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

সিটিজেন প্রতিবেদক: পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে হয়রানীমুক্তভাবে সরকারের সেবা জনগনের কাছে পৌঁছে দেওয়া, জাতীয় ও স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে নানা চ্যালেঞ্জ ও নীতি নির্ধারকদের দিক নির্দেশনা নিয়ে শেষ হলো তিনদিনের জেলা প্রশাসক সম্মেলন। মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশিদ জানিয়েছেন, সম্মেলন থেকে যে দিক নির্দেশনা জেলা প্রশাকরা পেয়েছেন, সেসব তাদের কাজকে এগিয়ে নিতে সহায়ক হবে।এবারের ডিসি সম্মেলন শুরু হয় গত রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে। আর শেষ হয়েছে মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাতে। সম্মেলনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সঙ্গে মোট ৩৪টি কার্য-অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। আর ৩৫৪টি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া, জেলা-উপজেলার চিকিৎসক-ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কর আদায়, সড়ক দুর্ঘটনা কমানোয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার, দুর্নীতি বন্ধে কঠোর অবস্থান, নির্বাচনে সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগসহ নানা দিকনির্দেশনা পেয়েছেন ডিসিরা।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের শাপলা হলে ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে তার সঙ্গে ডিসিদের মুক্ত আলোচনা হয়। এসময় ড. মুহাম্মদ ইউনূস আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক রাখতে ডিসিদের সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা সরকারের সর্বোচ্চ বিবেচ্য বিষয়। এতে আমরা কতটুকু অগ্রসর হলাম, কী করণীয় তা নির্ধারণ করতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে বিফল হওয়া যাবে না।

তিনি বলেন, আমরা সবাই মিলে সরকার। একেক জন ডিসি একেক জেলার দায়িত্বে থাকেন। সেখানে পুলিশ প্রশাসনের কাজ কী, সিভিলে প্রশাসনের কাজ কী-তা সবই জানা। সমন্বয় সাধনের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। সমন্বয়ের ক্ষেত্রে সমস্যা থাকলে আলোচনা করে সমস্যা সমাধানের উপায় বের করতে হবে।

ডিসিদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, এটাই সুযোগ নিজেকে প্রকাশ করার, সৃজনশীলতা প্রকাশ করার। গৎবাঁধা কাজ থাকবে, তবে সৃজনশীলতাও থাকতে হবে। এছাড়া আরও নানা দিকনির্দেশনা দেন প্রধান উপদেষ্টা।


প্রিন্ট