ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

আগামীকাল পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

সিটিজেন প্রতিবেদক: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে আগামীকাল পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষমেলা শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে অবদানের জন্য ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৪’, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’ এবং ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৪’ দেয়া হবে। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করা হবে।

এ বছরের পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য— “প্লাস্টিক দূষণ আর নয়, বন্ধ করার এখনই সময়” এবং বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য— “পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি”।

গতকাল সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, পরিবেশ মেলা চলবে ২৫ থেকে ২৭ জুন, আর বৃক্ষমেলা চলবে ২৫ জুন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

উপদেষ্টা আরও জানান, মেলার অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক, স্লোগান প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে বৃক্ষমেলা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করা হবে। এসএমএস প্রচারণা, ব্যানার স্থাপন ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯৫-৯৬ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার হেক্টর ব্লক বাগান, ৭২ হাজার কিমি স্ট্রিপ বাগান সৃজন করা হয়েছে এবং ২০ কোটির বেশি চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে। সামাজিক বনায়নের ২ লাখ ৫০ হাজার উপকারভোগীর মাঝে ৫০৫ কোটি টাকারও বেশি লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে হাতি, শকুন, শাপলাপাতা মাছ, পরিযায়ী পাখি, হাঙর, ডলফিন ও ঘড়িয়াল সংরক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হালনাগাদ করা হয়েছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, বাতিল করা হয়েছে মৌলভীবাজারের লাঠিটিলার সাফারি পার্ক প্রকল্প এবং পূর্বাচলে নতুন জীববৈচিত্র্য অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. খায়রুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

আগামীকাল পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষমেলা উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট টাইম : ০১:৪২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

সিটিজেন প্রতিবেদক: রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে আগামীকাল পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষমেলা শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে মেলার উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। অনুষ্ঠানে পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে অবদানের জন্য ‘জাতীয় পরিবেশ পদক ২০২৪’, ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’ এবং ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৪’ দেয়া হবে। একই সঙ্গে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগীদের মধ্যে লভ্যাংশের চেক বিতরণ করা হবে।

এ বছরের পরিবেশ দিবসের প্রতিপাদ্য— “প্লাস্টিক দূষণ আর নয়, বন্ধ করার এখনই সময়” এবং বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য— “পরিকল্পিত বনায়ন করি, সবুজ বাংলাদেশ গড়ি”।

গতকাল সচিবালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, পরিবেশ মেলা চলবে ২৫ থেকে ২৭ জুন, আর বৃক্ষমেলা চলবে ২৫ জুন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত মেলা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

উপদেষ্টা আরও জানান, মেলার অংশ হিসেবে ঢাকা মহানগর ও জেলা-উপজেলা পর্যায়ে ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক, স্লোগান প্রতিযোগিতা, সেমিনার এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক সচেতনতামূলক কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে বৃক্ষমেলা ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ করা হবে। এসএমএস প্রচারণা, ব্যানার স্থাপন ও জনসম্পৃক্ত কর্মসূচির মাধ্যমে জনসচেতনতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম তুলে ধরে উপদেষ্টা বলেন, ১৯৯৫-৯৬ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছর পর্যন্ত ৪ লাখ ২৬ হাজার হেক্টর ব্লক বাগান, ৭২ হাজার কিমি স্ট্রিপ বাগান সৃজন করা হয়েছে এবং ২০ কোটির বেশি চারা রোপণ ও বিতরণ করা হয়েছে। সামাজিক বনায়নের ২ লাখ ৫০ হাজার উপকারভোগীর মাঝে ৫০৫ কোটি টাকারও বেশি লভ্যাংশ বিতরণ করা হয়েছে। বর্তমানে হাতি, শকুন, শাপলাপাতা মাছ, পরিযায়ী পাখি, হাঙর, ডলফিন ও ঘড়িয়াল সংরক্ষণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। হালনাগাদ করা হয়েছে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন, বাতিল করা হয়েছে মৌলভীবাজারের লাঠিটিলার সাফারি পার্ক প্রকল্প এবং পূর্বাচলে নতুন জীববৈচিত্র্য অঞ্চল ঘোষণা করা হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, অতিরিক্ত সচিব (পরিবেশ) ড. ফাহমিদা খানম, অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. খায়রুল ইসলাম, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. কামরুজ্জামান এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী।


প্রিন্ট