ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে: শামসুজ্জামান দুদু

সিটিজেন প্রতিবেদক: বর্তমান সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির নষ্টের শুরু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, অথচ তার দল দাবি করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ছিলেন। দুদুর দাবি, প্রকৃত কমান্ডাররা আত্মসমর্পণ বা পালিয়ে যান না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাউদকান্দির খন্দকার মোশতাকের পরাজয়ের পর ব্যালট বাক্স ঢাকায় এনে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করার ঘটনা উল্লেখ করেন।

জিয়াউর রহমানের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, বরং রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতার পর তিনি দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করেন।

দুদু বলেন, জিয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু গত ১৫-১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছেন।

জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে অস্ত্র ধরেছিল। তারা এখনো জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই তাদের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতির আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়াই জরুরি।

দুদু আরও বলেন, জিয়া পরিবার ও শেখ পরিবারের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। শেখ পরিবার হচ্ছে “চোরদের পরিবার, ব্যাংক লুটের পরিবার, গণতন্ত্র হত্যার পরিবার”, আর জিয়া পরিবার গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ নির্বাচন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমেই বর্তমান সরকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ওলামা দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রফিকুল ইসলাম এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে: শামসুজ্জামান দুদু

আপডেট টাইম : ০৫:০৪:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫

সিটিজেন প্রতিবেদক: বর্তমান সরকার আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচন দিয়ে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু। আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের উদ্যোগে আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতির নষ্টের শুরু শেখ মুজিবুর রহমান থেকে। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে তিনি দেশের বাইরে ছিলেন, অথচ তার দল দাবি করে তিনি মুক্তিযুদ্ধের কমান্ডার ছিলেন। দুদুর দাবি, প্রকৃত কমান্ডাররা আত্মসমর্পণ বা পালিয়ে যান না।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ১৯৭৩ সালের নির্বাচন ছিল ইতিহাসের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত নির্বাচন। উদাহরণ হিসেবে তিনি দাউদকান্দির খন্দকার মোশতাকের পরাজয়ের পর ব্যালট বাক্স ঢাকায় এনে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করার ঘটনা উল্লেখ করেন।

জিয়াউর রহমানের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়া শুধু স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি, বরং রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। স্বাধীনতার পর তিনি দেশের স্বাধীনতা রক্ষা, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আধুনিক বাংলাদেশ গঠনে কাজ করেন।

দুদু বলেন, জিয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘ নয় বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন। কিন্তু গত ১৫-১৬ বছর ধরে শেখ হাসিনা দেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা করেছেন। বর্তমানে তারেক রহমান গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করছেন।

জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে তারা স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছে এবং পাকিস্তানি সেনাদের সঙ্গে অস্ত্র ধরেছিল। তারা এখনো জাতির কাছে ক্ষমা চায়নি। তাই তাদের অঙ্গীকার বা প্রতিশ্রুতির আগে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়াই জরুরি।

দুদু আরও বলেন, জিয়া পরিবার ও শেখ পরিবারের মধ্যে আকাশ-পাতাল পার্থক্য রয়েছে। শেখ পরিবার হচ্ছে “চোরদের পরিবার, ব্যাংক লুটের পরিবার, গণতন্ত্র হত্যার পরিবার”, আর জিয়া পরিবার গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারের পক্ষে লড়াই করে যাচ্ছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ নির্বাচন। ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমেই বর্তমান সরকার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীর বিক্রম, ওলামা দল ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক হাফেজ ক্বারী রফিকুল ইসলাম এবং দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।


প্রিন্ট