ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী কালিয়াকৈরে ব্যবসায়ীর মৃত্যুর ঘটনায় আ/সা/মি গ্রে/ফ/তার ও বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন কুমিল্লার যে বাড়ির সুর ছড়িয়ে পড়ে উপমহাদেশের হৃদয়ে পোশাক শ্রমিকদের দ্রুত সর্বজনীন পেনশনে আনার আহ্বান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদত বার্ষিকী পালন কালীগঞ্জে পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (দ.) উপলক্ষ্যে ২১তম ওয়াজ মাহফিল ত্রিশালে কৃতি শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা, সংবর্ধনা পেলেন ২১৪ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা নাটোরে মাধনগর ডিগ্রি কলেজের একাডেমিক ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শাবিপ্রবিতে ক্যাম্পাস সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মজিব উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স  হয়েছিল ৬৬ বছর।

অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এক শোক বাণীতে উপাচার্য বলেন, ‘তিনি একজন সৎ, বিনয়ী ও সজ্জন ব্যক্তি এবং নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও গবেষক ছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’ উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ওই শিক্ষকের মরদেহ আগামী ২৬ মার্চ দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ প্রাঙ্গণে আনা হবে। ওই দিন বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ‘মসজিদুল জামিআ’য় মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে রায়েরবাজার কবরস্থানে পিতা-মাতার কবরের পাশে দাফন করা হবে।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদ ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি একই বিভাগে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০১৩ সাল থেকে তিনি ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক, এলিজাবেথ সিটি স্টেট ইউনিভার্সিটি, লেবাননের বালামান্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফিজির ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ প্যাসিফিকসহ বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে তিনি শিক্ষকতা ও গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।

তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

দেশে সারের কোনো ঘাটতি নেই : ত্রাণমন্ত্রী

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মজিব উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে উপাচার্যের শোক

আপডেট টাইম : ০৭:২১:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদ রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ ভোরে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তার বয়স  হয়েছিল ৬৬ বছর।

অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এক শোক বাণীতে উপাচার্য বলেন, ‘তিনি একজন সৎ, বিনয়ী ও সজ্জন ব্যক্তি এবং নিষ্ঠাবান শিক্ষক ও গবেষক ছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণায় অসাধারণ অবদানের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’ উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ওই শিক্ষকের মরদেহ আগামী ২৬ মার্চ দুপুর ১২টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ প্রাঙ্গণে আনা হবে। ওই দিন বাদ জোহর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ‘মসজিদুল জামিআ’য় মরহুমের জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। পরে তাকে রায়েরবাজার কবরস্থানে পিতা-মাতার কবরের পাশে দাফন করা হবে।

প্রসঙ্গত, অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমেদ ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৮৩ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসাববিজ্ঞান বিভাগে প্রভাষক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি একই বিভাগে সহকারী অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক এবং অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। ২০১৩ সাল থেকে তিনি ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগে অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ইউনিভার্সিটি অফ নিউ ইয়র্ক, এলিজাবেথ সিটি স্টেট ইউনিভার্সিটি, লেবাননের বালামান্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং ফিজির ইউনিভার্সিটি অফ সাউথ প্যাসিফিকসহ বিভিন্ন খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে তিনি শিক্ষকতা ও গবেষণায় যুক্ত ছিলেন।

তিনি স্ত্রী, ৩ মেয়ে, আত্মীয়-স্বজন, শিক্ষার্থীসহ অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।


প্রিন্ট