ঢাকা ১২:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে দর্শক

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ এখন সামাজিক মাধ্যম এবং ইউটিউবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে। সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এই নাটকের প্রতিটি পর্ব দেখার জন্য দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

নাটকটিতে ‘ফাতেমা’ নামক ফুফু চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা। দর্শকের এই প্রতীক্ষা ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যখন এসেছিলেন তখন আমি বলেছিলাম যে, মানুষ ফ্যামিলি গল্প দেখতে চায় বা ওয়েট করে ফ্যামিলি গল্পের জন্য। কতটুকু ওয়েট করে এখন আমার চেয়ে অনেক ভালো আপনারা বলতে পারবেন। কোনো নাটকের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে লাস্ট ২০-২৫ বছরে, আমার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬-২৭ বছরে আমি দেখিনি যে, কোনো নাটকের কোনো এপিসোডের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে। এবং একটা সময় দেখা যায় যে আমাদের এত কথা শুনতে হয় যে কেন আসছে না কেন আসছে না! মানে এটা আসলে ভালো লাগার প্রতিফলন মানুষের ভেতরের যে তারা এত অল্পতে তাদের মন ভরছে না। তারা মনে করছে যে প্রতিদিন দেখতে পারলে তাদের ভালো লাগবে।

নাটকটির এমন অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দীপা এর কৃতিত্ব দিয়েছেন নির্মাতা রাজকে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, এটা যে এত বড় আকারে মানুষের হৃদয়ে গিয়ে নাড়া দেবে সেটা আসলে আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা শুরু করেছিলাম মনে করে আমাদের চেষ্টা ছিল যে আমরা মানুষের ভালো লাগার জন্য কিছু করব। সেটা যে এত বেশি হয়ে যাবে ভালো লাগাটা এটা আমরা আসলে আশা করিনি। এটার জন্য আমি বলব যে সবার আগে তো রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। রাজ এভাবে চিন্তা করেছে এবং আমাদের দর্শকদের কাছে আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ যে আপনারা আমাদেরকে এই জায়গায় আপনারা স্থান দিয়েছেন।

পর্দায় তার অভিনীত চরিত্রটি বাস্তব জীবনেও এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে বলে জানান দীপা খন্দকার। ব্যক্তিগত জীবনের এক আক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক ভালো লাগাটা আসলে আমি জানি না আর কখনো এই জায়গায় পৌঁছাতে পারব কি না বা এইরকম ভাবে আপনাদেরকে নাড়া দিতে পারব কি না। এইরকম একটা কমেন্ট আমি সব সময় পাই। আমার ফেসবুক ভরে যায় সমস্ত কমেন্টে। এইরকম কমেন্ট পাই যে এইরকম ফুপু যেন সব বাসায় থাকে সবার জীবনে থাকে। তো আজকে একটা কথা বলি যে আমার যেহেতু ভাই নাই আমি আমার জীবনে কখনোই ফুপু হতে পারব না বা পারিনি। সেই ফুপুটা রাজ আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে। মানে এটা আসলে অনেক অনেক বড় ব্যাপার।

বর্তমানে ৪৬টি পর্ব প্রকাশিত হওয়া এই নাটকে দীপা খন্দকারের স্বামী চরিত্রে অভিনয় করছেন ইন্তেখাব দিনার। সামির ও তার স্ত্রীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের সহযোগিতায় এই দম্পতির এগিয়ে আসা নাটকের গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমেও দীপা খন্দকার তার এই চরিত্রের জন্য ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে দর্শক

আপডেট টাইম : ০৩:০৮:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’ এখন সামাজিক মাধ্যম এবং ইউটিউবে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছে। সিনেমাওয়ালা ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারিত এই নাটকের প্রতিটি পর্ব দেখার জন্য দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

নাটকটিতে ‘ফাতেমা’ নামক ফুফু চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক প্রশংসা কুড়াচ্ছেন দীপা। দর্শকের এই প্রতীক্ষা ও ভালোবাসা নিয়ে তিনি বলেন, আপনারা যখন এসেছিলেন তখন আমি বলেছিলাম যে, মানুষ ফ্যামিলি গল্প দেখতে চায় বা ওয়েট করে ফ্যামিলি গল্পের জন্য। কতটুকু ওয়েট করে এখন আমার চেয়ে অনেক ভালো আপনারা বলতে পারবেন। কোনো নাটকের জন্য বাংলাদেশের ইতিহাসে লাস্ট ২০-২৫ বছরে, আমার ক্যারিয়ারে প্রায় ২৬-২৭ বছরে আমি দেখিনি যে, কোনো নাটকের কোনো এপিসোডের জন্য মানুষ অপেক্ষা করে। এবং একটা সময় দেখা যায় যে আমাদের এত কথা শুনতে হয় যে কেন আসছে না কেন আসছে না! মানে এটা আসলে ভালো লাগার প্রতিফলন মানুষের ভেতরের যে তারা এত অল্পতে তাদের মন ভরছে না। তারা মনে করছে যে প্রতিদিন দেখতে পারলে তাদের ভালো লাগবে।

নাটকটির এমন অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দীপা এর কৃতিত্ব দিয়েছেন নির্মাতা রাজকে। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, এটা যে এত বড় আকারে মানুষের হৃদয়ে গিয়ে নাড়া দেবে সেটা আসলে আমরা বুঝতে পারিনি। আমরা শুরু করেছিলাম মনে করে আমাদের চেষ্টা ছিল যে আমরা মানুষের ভালো লাগার জন্য কিছু করব। সেটা যে এত বেশি হয়ে যাবে ভালো লাগাটা এটা আমরা আসলে আশা করিনি। এটার জন্য আমি বলব যে সবার আগে তো রাজের সবচেয়ে বড় কৃতিত্ব। রাজ এভাবে চিন্তা করেছে এবং আমাদের দর্শকদের কাছে আমি অনেক অনেক কৃতজ্ঞ যে আপনারা আমাদেরকে এই জায়গায় আপনারা স্থান দিয়েছেন।

পর্দায় তার অভিনীত চরিত্রটি বাস্তব জীবনেও এক বিশেষ অপূর্ণতা ঘুচিয়ে দিয়েছে বলে জানান দীপা খন্দকার। ব্যক্তিগত জীবনের এক আক্ষেপ তুলে ধরে তিনি বলেন, অনেক ভালো লাগাটা আসলে আমি জানি না আর কখনো এই জায়গায় পৌঁছাতে পারব কি না বা এইরকম ভাবে আপনাদেরকে নাড়া দিতে পারব কি না। এইরকম একটা কমেন্ট আমি সব সময় পাই। আমার ফেসবুক ভরে যায় সমস্ত কমেন্টে। এইরকম কমেন্ট পাই যে এইরকম ফুপু যেন সব বাসায় থাকে সবার জীবনে থাকে। তো আজকে একটা কথা বলি যে আমার যেহেতু ভাই নাই আমি আমার জীবনে কখনোই ফুপু হতে পারব না বা পারিনি। সেই ফুপুটা রাজ আমাকে ‘জাতীয় ফুপু’ বানিয়ে দিয়েছে। মানে এটা আসলে অনেক অনেক বড় ব্যাপার।

বর্তমানে ৪৬টি পর্ব প্রকাশিত হওয়া এই নাটকে দীপা খন্দকারের স্বামী চরিত্রে অভিনয় করছেন ইন্তেখাব দিনার। সামির ও তার স্ত্রীর ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়ার পর তাদের সহযোগিতায় এই দম্পতির এগিয়ে আসা নাটকের গল্পে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। বর্তমানে সামাজিক মাধ্যমেও দীপা খন্দকার তার এই চরিত্রের জন্য ‘জাতীয় ফুপু’ হিসেবে পরিচিতি পাচ্ছেন।


প্রিন্ট