ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী আমরা দেশ ও জনগণের জন্য এনসিপিসহ একসঙ্গে কাজ করছি: জামায়াত আমির ঢাকায় যাত্রাবিরতি ভুটানের রাজার, স্বাগত জানালেন রাষ্ট্রপতি আজ পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) তরুণদের দক্ষতা ও নেতৃত্ব বিকাশে জবিতে ‘ইউথ ইমপ্যাক্ট সামিট’ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের একটি পরীক্ষা স্থগিত অনফিশিয়াল টেস্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ইনিংস ও ৪১৩ রানের হার বাংলাদেশ এ দলের ‘কালো দাগ’ মুক্ত সিরিয়া, খুললো উন্নয়নের পথ : প্রেসিডেন্ট শারা রাষ্ট্রপতির সঙ্গে তিন বাহিনীর প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঢাকার পানি সংকট মোকাবিলায় বড় ভূমিকা রাখবে ডেনমার্ক: এলজিআরডি মন্ত্রী

ইন্টারনেট সেবাকে জরুরি পণ্য ঘোষণা করে কর অব্যাহতির দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইন্টারনেট সেবাকে জরুরি পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করে এ খাতে আয়কর অব্যাহতি দাবি করেছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। অনুরূপ দাবি করে ইন্টারনেট সেবাকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে শুল্ক কাঠামো পুনর্নির্ধারণের কথা বলছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন উপলক্ষে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় সংগঠন দুটি এমন দাবি জানায়। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন।

আইএসপিএবি ইন্টারনেট মডেম, রাউটার, সার্ভার সহ একাধিক পণ্যের ওপর করভার ১৫ শতাংশ থেকে ০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

আইএসপিএবি আরও জানায়, এনটিটিএন অপারেটরদের উচ্চ ট্রান্সমিশন খরচ এবং জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

ইন্টারনেট সেবাকে সাশ্রয়ী করার পথে প্রধান বাধা ভ্যাট উল্লখ করে সংগঠনটি জানায়, বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট থাকলেও অফিস ভাড়া এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের ওপর আইএসপিগুলোকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়, যার কোনো রেয়াত পাওয়া যায় না। এতে ইন্টারনেটের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। আইএসপিএবি-এর দাবি, ইন্টারনেটের সকল পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।

বিসিএস জানায় আগে একটি মানসম্মত কম্পিউটার ২৫-৩০ হাজার টাকায় পাওয়া যেত, যা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও উচ্চ শুল্কের কারণে এখন ৬৫ হাজার টাকার নিচে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দেশের ২৭ লাখ বেকার তরুণকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলার বড় সুযোগ থাকলেও কম্পিউটারের উচ্চমূল্য এই সম্ভাবনার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংগঠনটি ল্যাপটপের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করে শুল্ক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে।

বিসিএস আরও জানায়, যন্ত্রাংশের শুল্ক ও সাইবার ঝুঁকি শুধু ল্যাপটপ নয়, কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন-মনিটর, এসএসডি এবং মেমোরি কার্ডের ওপর বর্তমানে উচ্চহারে শুল্ক ও কর আরোপ করা আছে। মনিটরের ওপর প্রায় ৪০ শতাংশ এবং মেমোরি কার্ডের ওপর ৩৭ শতাংশ চার্জ থাকায় বাজারে নিম্নমানের ও নকল পণ্যের সয়লাব ঘটেছে। বিশেষ করে এসএসডি এবং মেমোরি কার্ডের মতো সংবেদনশীল পণ্যের উচ্চ শুল্কের কারণে ব্যবহারকারীরা তথ্য হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদা পেলেন ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী

ইন্টারনেট সেবাকে জরুরি পণ্য ঘোষণা করে কর অব্যাহতির দাবি

আপডেট টাইম : ১২:১৪:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ইন্টারনেট সেবাকে জরুরি পণ্য হিসেবে চিহ্নিত করে এ খাতে আয়কর অব্যাহতি দাবি করেছে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। অনুরূপ দাবি করে ইন্টারনেট সেবাকে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনতে শুল্ক কাঠামো পুনর্নির্ধারণের কথা বলছে বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস)।

শনিবার (২৫ এপ্রিল) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভবনে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়ন উপলক্ষে আয়োজিত প্রাক-বাজেট আলোচনায় সংগঠন দুটি এমন দাবি জানায়। এনবিআর চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন।

আইএসপিএবি ইন্টারনেট মডেম, রাউটার, সার্ভার সহ একাধিক পণ্যের ওপর করভার ১৫ শতাংশ থেকে ০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে।

আইএসপিএবি আরও জানায়, এনটিটিএন অপারেটরদের উচ্চ ট্রান্সমিশন খরচ এবং জেলা পর্যায়ে প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর অভাবে তৃণমূল পর্যায়ে উচ্চগতির ইন্টারনেট পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

ইন্টারনেট সেবাকে সাশ্রয়ী করার পথে প্রধান বাধা ভ্যাট উল্লখ করে সংগঠনটি জানায়, বর্তমানে গ্রাহক পর্যায়ে ৫ শতাংশ ভ্যাট থাকলেও অফিস ভাড়া এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক ব্যয়ের ওপর আইএসপিগুলোকে ১৫ শতাংশ ভ্যাট দিতে হয়, যার কোনো রেয়াত পাওয়া যায় না। এতে ইন্টারনেটের উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। আইএসপিএবি-এর দাবি, ইন্টারনেটের সকল পর্যায়ে ভ্যাট ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে।

বিসিএস জানায় আগে একটি মানসম্মত কম্পিউটার ২৫-৩০ হাজার টাকায় পাওয়া যেত, যা ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও উচ্চ শুল্কের কারণে এখন ৬৫ হাজার টাকার নিচে পাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। দেশের ২৭ লাখ বেকার তরুণকে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে গড়ে তোলার বড় সুযোগ থাকলেও কম্পিউটারের উচ্চমূল্য এই সম্ভাবনার পথে প্রধান অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংগঠনটি ল্যাপটপের ওপর থেকে ভ্যাট প্রত্যাহার করে শুল্ক ৫ শতাংশে নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে।

বিসিএস আরও জানায়, যন্ত্রাংশের শুল্ক ও সাইবার ঝুঁকি শুধু ল্যাপটপ নয়, কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ যেমন-মনিটর, এসএসডি এবং মেমোরি কার্ডের ওপর বর্তমানে উচ্চহারে শুল্ক ও কর আরোপ করা আছে। মনিটরের ওপর প্রায় ৪০ শতাংশ এবং মেমোরি কার্ডের ওপর ৩৭ শতাংশ চার্জ থাকায় বাজারে নিম্নমানের ও নকল পণ্যের সয়লাব ঘটেছে। বিশেষ করে এসএসডি এবং মেমোরি কার্ডের মতো সংবেদনশীল পণ্যের উচ্চ শুল্কের কারণে ব্যবহারকারীরা তথ্য হারানোর ঝুঁকিতে পড়ছেন।


প্রিন্ট