ঢাকা ১২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের দুর্বৃত্তদের ছিটানো বিষে মারা গেছে সাড়ে ৪ লাখ টাকার পোনা কাপ্তাই লেকে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকার ফিলিস্তিনিদের দুর্ভোগ বিশ্বের জন্য লজ্জার: মিশরের কোচ হোসাম হাসান ন্যাটো সম্মেলনের আগে মস্কোর দিকে ৪০০-র বেশি ড্রোন নিক্ষেপ ইউক্রেনের “ময়মনসিংহে মায়ের শ্লীলতাহানির ক্ষোভে রুবেল হত্যা, গ্রেপ্তার ৪” মিথ্যা অপপ্রচার দিয়ে ভালো উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করা হয় মনোয়ার হোসেন জীবন ক্রাউন প্লাজা ঢাকা এয়ারপোর্টে শুরু হলো ‘গ্র্যান্ড আমেরিকান ফুড ফেস্টিভ্যাল কুড়িগ্রামে আধুনিক হাঁস পালন সম্প্রসারণে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার, বাড়ছে খামারিদের আগ্রহ হিসাবে গড়মিলের অভিযোগে আলোচনায় বাদাঘাট পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়

বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডর গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডর শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক দিনদিন জোরদার হচ্ছে। আগামীতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিতে শিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আজ (সোমবার) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের দ্বিতীয় পর্যায়ের লঞ্চিং এবং এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ইতোমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। দ্বিতীয় পর্যায়েও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের সুযোগ থাকছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে।’

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্ম, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১৬টি বেসরকারি এবং ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, পাকিস্তান থেকেও শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আসবে।

তিনি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জয়েন্ট কোলাবরেশন এবং শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন।

শিক্ষাবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের সিলেকশন মেথড বা পদ্ধতিটি চমৎকার। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের মন্ত্রণালয় এই পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব ধরনের সহায়তা দেবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক, পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

গাজা পরিচালনাকারী প্রশাসনিক পর্ষদ বিলুপ্তির ঘোষণা হামাসের

বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডর গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে : শিক্ষামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৪:২৮:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তান নলেজ করিডর শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক দিনদিন জোরদার হচ্ছে। আগামীতে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতিতে শিক্ষা কার্যক্রম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

আজ (সোমবার) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের দ্বিতীয় পর্যায়ের লঞ্চিং এবং এডুকেশন এক্সপো-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান, এই প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ইতোমধ্যে ৭৪ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। দ্বিতীয় পর্যায়েও মেধাবী শিক্ষার্থীদের বড় ধরনের সুযোগ থাকছে।

তিনি আরও বলেন, ‘পাকিস্তানি বিশ্ববিদ্যালয়ের মান অত্যন্ত উন্নত। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা সেখানে কোনো খরচ ছাড়াই পড়াশোনার সুযোগ পাচ্ছেন, যা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের আবাসন ও জীবনযাত্রার জন্য মাসিক যে বৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, তা তাদের পড়াশোনায় পূর্ণ মনোযোগ দিতে সহায়ক হবে।’

ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের ধর্ম, সংস্কৃতি ও খাদ্যাভ্যাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ১১৬টি বেসরকারি এবং ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, পাকিস্তান থেকেও শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য আসবে।

তিনি দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে জয়েন্ট কোলাবরেশন এবং শিক্ষক বিনিময় কর্মসূচি আরও বাড়ানোর তাগিদ দেন।

শিক্ষাবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তানের সিলেকশন মেথড বা পদ্ধতিটি চমৎকার। শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্যতা প্রমাণ করে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে। আমাদের মন্ত্রণালয় এই পরীক্ষা গ্রহণ ও সার্বিক সহযোগিতায় সব ধরনের সহায়তা দেবে।’

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার, শিক্ষাসচিব আব্দুল খালেক, পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের প্রতিনিধি এবং বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


প্রিন্ট