ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬, ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার রাঙ্গামাটিতে পাহাড় ধসে ১ জনের মৃত্যু সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন মহড়া আকস্মিক পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হলেন ফারুক আহমেদ তালায় নারী সমাবেশে নারী নির্যাতন ও বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে নারী সমাবেশ অনুষ্ঠিত চিলমারী নদী বন্দর কর্তৃপক্ষের অনিয়ম ও দূর্নীতির বিরুদ্ধে সংসদীয় আসনের এমপি’র সতর্ক বার্তা! ট্রাস্টি বোর্ড ভেঙে ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটিতে প্রশাসক নিয়োগ, সরকারের প্রজ্ঞাপন জারি যুক্তরাষ্ট্রকে বিধ্বস্ত করে শেষ আটে বেলজিয়াম এনআইডি সংশোধনে ৬ ক্যাটাগরির সেবা সাময়িক বন্ধ, মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পুনর্বণ্টন বিশ্বম্ভরপুরের অনন্তপুর গ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু

ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে পয়েন্ট অব সেলস মেশিনে কর ছাড়

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানিতেও শুল্ক ও আগাম কর কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিতে বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব প্রস্তাবের কথা জানান।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি খাতে উন্নত বাংলাদেশ গঠন এবং আইটি খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আধুনিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উপকরণ পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানির ক্ষেত্রেও কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিওএস মেশিন আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এবারের বাজেটে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রাজশাহী জেলার শ্রেষ্ঠ মাদক উদ্ধারকারী অফিসার এসআই নাছিম উদ্দিন পেলেন বিশেষ পুরস্কার

ক্যাশলেস লেনদেন বাড়াতে পয়েন্ট অব সেলস মেশিনে কর ছাড়

আপডেট টাইম : ০৫:৫৪:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদক: ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থাকে উৎসাহিত করতে পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানিতেও শুল্ক ও আগাম কর কমানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বিকাশ এবং আইটি খাতে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি আমদানিতে বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এসব প্রস্তাবের কথা জানান।

বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তি খাতে উন্নত বাংলাদেশ গঠন এবং আইটি খাতে ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার প্রিন্টার ও কম্পিউটার মনিটর আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান সব ধরনের আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এ ছাড়া, সলিড স্টেট ড্রাইভ (এসএসডি) আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, সরকারের ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবস্থা সম্প্রসারণের উদ্যোগ বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আধুনিক ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তিগত উপকরণ পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) মেশিন আমদানির ক্ষেত্রেও কর ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, পিওএস মেশিন আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ এবং ৭ দশমিক ৫ শতাংশ আগাম কর (এটি) শূন্য শতাংশে নামিয়ে আনার প্রস্তাব করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, এবারের বাজেটে বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকার অর্থ সংগ্রহ করা হবে।


প্রিন্ট