ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিসি সম্মেলনে পিরোজপুরের ডিসির প্রস্তাবের ইতিবাচক ফল, ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে- আইসিটি মন্ত্রী মানিকগঞ্জের কৃষকদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে চিনাবাদাম কেশবপুর নিজ দখলীয় জমির উপর থেকে সন্ত্রাসী কায়দায় গাছ কর্তন ৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি সাধন। গোদাগাড়ীতে আমন চাষিদের ত্রিমুখী সংকট অনাবৃষ্টি, বাড়তি খরচ ও সার সিন্ডিকেট তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারে খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ ঢামেক হাসপাতালকে মানবিক নেতৃত্বের নতুন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ার আহ্বান ডা. জুবাইদা রহমানের ডেঙ্গু ও মাদক প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান প্রতিমন্ত্রী হাবিবের ওসি শাহিন মিয়ার তত্ত্বাবধানে অভিযানে চোরাই গরুসহ আসামি গ্রেপ্তার, আটক আরও ৪ বিশ্বকাপ ফাইনালের প্রায় ১,২০০ টিকিট ৭,৩৮০ ডলারে বিক্রি করছে ফিফা

তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারে খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বৃহৎ বাদাঘাট বাজার। বাজারটি খাস কালেকশনের নামে চলছে লুটপাট। কোনো নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে গুরুর হাটসহ বাজারের বিভিন্ন স্থান থেকে। কিন্তু নাম মাত্র টাকা জমা হচ্ছে সরকারের রাজস্ব খাতে।

এতে করে বিপুল পরিমাণ বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। আর বাজারের ওই সব অংশের দায়িত্বে থাকা লোকজন লাভবান হচ্ছে এর সাথে জড়িত বিএনপি নেতারা। যেন দেখার কেউ নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,বাজারে গত বৃহস্পতিবার ৮ টি মুরগি বিক্রি করে একজন ক্ষুদ্র বিক্রেতা। পরে ওই বিক্রেতার কাছ থেকে ইজারার নামে ৩৫০ টাকা দিতে হয় ইজারাদার কে। ভুক্তভোগী বিক্রেতা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে আবার মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় নয় বাজারের গরুর হাটটিতে চলছে খাশ কালেকশনের নামে আরেক ডাকাতি। লোক দেখানো হাসিল আদায় করে বেশি ভাগ টাকা লুটপাট করছে এর সাথে জড়িতরা। আর এই হাটের সাথে জড়িত রয়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতাগন। সে কারনে কেউ মুখ খোলতে সাহস পাচ্ছে না।

গরুর হাটে খাসকালেকশন করার নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসনের লোকজন থাকার কথা থাকলেও দেখা গেছে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি নেতারা।

স্থানীয় বাসিন্দাগন জানান,৫ আগষ্টের পরে শুধু দল আর ব্যক্তি পরিবর্তন হয়েছে, আগের মতই চলছে সব কিছু। কি লাভ হলো তাহলে সরকার পরিবর্তন হয়ে। বিভিন্ন বাজার ও ঘাট গুলো খাসকালেকশনের নামে যা হচ্ছে তা লুটপাট বললে ভুল হবে ডাকাতি হচ্ছে। আশা করছি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃ বৃন্ধ এই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ কবেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি নেতারগন বলছেন,টাকার জন্য পাগল হয়ে গেছে সবাই। যে যেমন পারছে লুটপাট করছে বাজার,ঘাট গুলো খাসকালেকশনের নামে। নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্থ মনে হয় আর এই দেশে তারাই একক ক্ষমতা পেয়ে গেছে। প্রশাসন ও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না বরং বিএনপির নেতাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে।


প্রিন্ট
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

ডিসি সম্মেলনে পিরোজপুরের ডিসির প্রস্তাবের ইতিবাচক ফল, ১১-২০ গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য রেশন সুবিধা চালুর সিদ্ধান্ত

তাহিরপুরের বাদাঘাট বাজারে খাস কালেকশনের নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

আপডেট টাইম : ০৫:১০:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বৃহৎ বাদাঘাট বাজার। বাজারটি খাস কালেকশনের নামে চলছে লুটপাট। কোনো নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করেই অতিরিক্ত টাকা আদায় করছে গুরুর হাটসহ বাজারের বিভিন্ন স্থান থেকে। কিন্তু নাম মাত্র টাকা জমা হচ্ছে সরকারের রাজস্ব খাতে।

এতে করে বিপুল পরিমাণ বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। আর বাজারের ওই সব অংশের দায়িত্বে থাকা লোকজন লাভবান হচ্ছে এর সাথে জড়িত বিএনপি নেতারা। যেন দেখার কেউ নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,বাজারে গত বৃহস্পতিবার ৮ টি মুরগি বিক্রি করে একজন ক্ষুদ্র বিক্রেতা। পরে ওই বিক্রেতার কাছ থেকে ইজারার নামে ৩৫০ টাকা দিতে হয় ইজারাদার কে। ভুক্তভোগী বিক্রেতা টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাকে আবার মারধরও করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এই ঘটনায় নয় বাজারের গরুর হাটটিতে চলছে খাশ কালেকশনের নামে আরেক ডাকাতি। লোক দেখানো হাসিল আদায় করে বেশি ভাগ টাকা লুটপাট করছে এর সাথে জড়িতরা। আর এই হাটের সাথে জড়িত রয়েছে স্থানীয় বিএনপি নেতাগন। সে কারনে কেউ মুখ খোলতে সাহস পাচ্ছে না।

গরুর হাটে খাসকালেকশন করার নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা প্রশাসনের লোকজন থাকার কথা থাকলেও দেখা গেছে দায়িত্ব পালন করছেন বিএনপি নেতারা।

স্থানীয় বাসিন্দাগন জানান,৫ আগষ্টের পরে শুধু দল আর ব্যক্তি পরিবর্তন হয়েছে, আগের মতই চলছে সব কিছু। কি লাভ হলো তাহলে সরকার পরিবর্তন হয়ে। বিভিন্ন বাজার ও ঘাট গুলো খাসকালেকশনের নামে যা হচ্ছে তা লুটপাট বললে ভুল হবে ডাকাতি হচ্ছে। আশা করছি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিএনপির শীর্ষ নেতৃ বৃন্ধ এই বিষয়ে গুরুত্ব সহকারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ কবেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপি নেতারগন বলছেন,টাকার জন্য পাগল হয়ে গেছে সবাই। যে যেমন পারছে লুটপাট করছে বাজার,ঘাট গুলো খাসকালেকশনের নামে। নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্থ মনে হয় আর এই দেশে তারাই একক ক্ষমতা পেয়ে গেছে। প্রশাসন ও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করে না বরং বিএনপির নেতাদের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে।


প্রিন্ট